‘দয়া করে আমার মেয়ে’কে কেউ বিয়ে করবেন না’, সকলের কাছে আবেদন ঋতাভরীর মায়ের

‘দয়া করে আমার মেয়ে’কে কেউ বিয়ে করবেন না’, সকলের কাছে আবেদন ঋতাভরীর মায়ের
মায়ের এমন কথা শুনে তাড়াতাড়ি মা’কে নিয়ে পালিয়ে যান স্বয়ং ঋতাভরী ।

মায়ের এমন কথা শুনে তাড়াতাড়ি মা’কে নিয়ে পালিয়ে যান স্বয়ং ঋতাভরী ।

  • Share this:

    #কলকাতা: বয়স হলে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য চিন্তিত হয়ে ওঠেন বাবা-মায়েরা । আজও আমাদের সমাজে মেয়ে বেশি বয়স পর্যন্ত বাপের বাড়িতে থাকলে চিন্তায় নাকি রাতের ঘুম উড়ে যায় মা-বাবার । কিন্তু টলি-বলি নায়িকা ঋতাভরীর বাড়িতে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র । সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে প্রকাশ্যেই নায়িকার মা সকলকে অনুরোধ করেছেন তাঁর মেয়েকে বিয়ে না করতে ।

    আসলে বিষয়টি পুরোটাই হয়েছে মজার ছলে । ঋতাভরীর মা শতরূপা সন্যাল নিজেও একজন ব্যক্তিত্বময়ী নারী । তিনি যেমন একাধারে অভিনেত্রী, তেমনই পরিচালক, প্রযোজক, ও একজন সমাজসেবীও বটে । বিয়ে হয়েছিল বিখ্যাত থিয়েটার অভিনেতা ও পরিচালক উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর সঙ্গে । তাঁদের দুই মেয়ে ঋতাভরী চক্রবর্তী ও চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তী । কিন্তু বহু বছর আগেই উৎপলেন্দ ও শতরূপার বিচ্ছেদ হয়ে যায় । দুই মেয়ে তখন খুবই চোট । তাঁদের একা হাতে মানুষ করেছেন শতরূপা । এখন দুই মেয়েই প্রতিষ্ঠিত । অভিনয় ও মেডলিংয়ের দুনিয়ায় দু’জনেই আজ পরিচিত নাম ।

    মা’কে নিয়ে দুই বোনের ছিমছাম মিষ্টি সংসার । মাঝেমধ্যেই দু’জনকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় তাঁদের সুখী গৃহকোণের মিষ্টি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতে । এ বার ঋতাভরী এলেন মা’কে সঙ্গে নিয়ে । ভিডিওতে মা’কে পরিষ্কার জিজ্ঞাসা করলেন তাঁর বিয়ে নিয়ে তিনি কী ভাবছেন । কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই অবিবাহিত, সুন্দরী নায়িকা ঋতাভরীকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন । এর উত্তরে শতরূপাদেবী পরিষ্কার বলে দেন, তাঁর বড় মেয়েকে যেন ভুলেও কেউ বিয়ে না করেন । বিয়ের কথা দুঃস্বপ্নেও যেন না ভাবেন । কারণ মেয়ের অনেক বায়না রয়েছে । সকালে তাঁর মুড কেমন রয়েছে তা বুঝে ব্রেফাস্ট বানাতে হয় । তাই তাঁর মেয়ের সঙ্গে সংসার করা সহজ কথা নয় । মায়ের এমন কথা শুনে তাড়াতাড়ি মা’কে নিয়ে পালিয়ে যান স্বয়ং ঋতাভরী ।

    ভিডিওটি পোস্ট করে ঋতাভরী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘‘মম যখন ব্রুটাস হয়ে যান... একদম এঁনার কথা বিশ্বাস করবেন না ।’’

    Published by:Simli Raha
    First published: