Home /News /entertainment /
Thinking Of Him : কবিগুরুর চরিত্রে ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়! আজই মুক্তি পাচ্ছে ইন্দো-আর্জেন্টেনিয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’

Thinking Of Him : কবিগুরুর চরিত্রে ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়! আজই মুক্তি পাচ্ছে ইন্দো-আর্জেন্টেনিয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’

‘থিংকিং অফ হিম’

‘থিংকিং অফ হিম’

Thinking Of Him : ‘থিংকিং অফ হিম’-এ রবি ঠাকুরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

    #কলকাতা: আজ ৬ মে মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দো-আর্জেন্টেনিয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এই ছবিটি।

    ছবিটির সহ-প্রযোজনা করেছেন পুরষ্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় চলচ্চিত্রনির্মাতা সুরজ কুমার। আর্জেন্টিনার লেখক ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো-র সঙ্গে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কের অন্বেষণ এই ছবির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

    ‘গীতাঞ্জলী’-র ফরাসি অনুবাদ পড়ার পর ওকাম্পো রবীন্দ্র সাহিত্যের একজন পরম অনুরাগীতে পরিণত হন। ১৯২৪ সালে বুয়েনস আইরেস সফরের সময়ে কবিগুরু অসুস্থ হয়ে পড়লে ওকাম্পো তাঁর যত্ন নেন বলে শোনা যায়।পাবলো সিজারের যখন ১৩ বছর বয়স, তখন থেকেই তাঁর চলচ্চিত্র নির্মার্ণে হাতেখড়ি। সিজারের দাদা তাঁকে একটি উপার ৪ মিমি ক্যামেরা উপিহার দিয়েছিলেন এবং তাঁকে মুভি তৈরির প্রথম কৌশল শিখিয়েছিলেন। সিজার ১৯৯২ সাল থেকে বুয়েনস আইরেসের সিনেমা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক।

    ‘থিংকিং অফ হিম’-এ রবি ঠাকুরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিক্টোরিয়ার অংশে আর্জেন্টাইন অভিনেতা এলিওনোরা ওয়েক্সলার অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রটিতে আরও অভিনয় করেছেন প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী রাইমা সেন এবং হেক্টর বোর্দোনি।

    পাবলো সিজার বাস্তব জীবনের গল্পের ওপর ভিত্তি করে রবি ঠাকুর-ওকাম্পোর রসায়নকে নতুন করে তৈরি করেছেন। দেশের স্বাধীনতার শতবার্ষিকী উদযাপনে যোগ দিতে পেরু যাওয়ার পথে ১৯২৪ সালের ৬ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বুয়েনস আইরেসে থামতে হয়েছিলো। ভিক্টোরিয়া এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং বিশ্বকবির চিকিৎসা ও বিশ্রামের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।তিনি বুয়েনস আইরেসের শহরতলিতে একটি সুন্দর বাড়ি ভাড়া নেন এবং সেখানে রবীন্দ্রনাথের থাকার ব্যবস্থা করা হয়।

    তার বারান্দা থেকে রবীন্দ্রনাথ সমুদ্র-সদৃশ প্লাটা নদীর দৃশ্য এবং লম্বা গাছ এবং ফুলের গাছের সঙ্গে একটি বড় বাগান দেখতে পান। কবি তাঁর অসুস্থতা থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ৩ জানুয়ারি ১৯২৫-এ বুয়েনস আইরেস ত্যাগ করেন। ভারতে শ্যুটিং-এর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে পাবলো সিজার বলেছেন “ভারতে শ্যুটিং করা একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিলো। আমি ১৯৯৪ সাল থেকে ভারতকে চিনি, যদিও পুরো ভারতকে চেনা কঠিন। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে আমি ভারতের অনেক জায়গার লোকজনের সাথে মেলামেশা করে তাঁদের আচরণ সম্পর্কে অনেক কিছু বুঝতে পেরেছি, এমন একটি দেশ যা আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রশংসা করি”

    ছবি সম্বন্ধে তাঁর চিন্তাভাবনা শেয়ার করে সুরজ কুমার বলেছেন “আমরা আনন্দিত যে ছবিটি অবশেষে ভারত জুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে এবং তাও গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। আমরা সত্যিই ভাগ্যবান যে পাবলোর মত একজনকে নেতৃত্বে পেয়েছিলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম ভূমিকায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ভিক্টর ছাড়া আর কেউ নেই”।

    আরও পড়ুন- বাঁচবে কোন কোন সিনেমা? বিশ্বের বৃহত্তম চলচ্চিত্র পুনরুদ্ধার প্রকল্প শুরু ভারতে, বরাদ্দ ৩৬৩ কোটি!

    ছবিটি সম্বন্ধে বলতে গিয়ে ভিক্টর বলেছেন, “ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো রবি ঠাকুর সম্পর্কে যা ভাবতেন তা নিয়ে চলচ্চিত্রটি, এবং আমি এবং আপনি গুরুদেব সম্বন্ধে যা ভাবি তা নিয়ে নয়। আমার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আমাকে বুঝতে হয়েছিলো যে একজন মহিলা এবং একজন বুদ্ধিজীবি হিসেবে তিনি তাঁর জন্য কতটা অনুভব করেছিলেন। যখন তাঁরা সাক্ষাৎ করেছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিলো পরস্পরের অর্ধেক, কিন্তু তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে অন্যকিছু ছিলো। অবশ্যই, ভিক্টোরিয়াই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন”।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    পরবর্তী খবর