• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • রং হারাল রঙ্গকর্মী, সকলের অলক্ষেই চলে গেলেন নাটকের ‘রুদালি’ ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়

রং হারাল রঙ্গকর্মী, সকলের অলক্ষেই চলে গেলেন নাটকের ‘রুদালি’ ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়

আজ, বৃহস্পতিবার সকালে প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাড়িতে মৃত্যু হয় ৭৫ বছর বয়সী নাট্যব্যক্তিত্বের।

আজ, বৃহস্পতিবার সকালে প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাড়িতে মৃত্যু হয় ৭৫ বছর বয়সী নাট্যব্যক্তিত্বের।

আজ, বৃহস্পতিবার সকালে প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাড়িতে মৃত্যু হয় ৭৫ বছর বয়সী নাট্যব্যক্তিত্বের।

  • Share this:

    #কলকাতা: রং হারাল রঙ্গকর্মী। সকলের অলক্ষেই চলে গেলেন নাটকের ‘রুদালি’। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল বিশিষ্ট নাট্যকর্মী ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়ের। ক্যানসার আক্রান্ত ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর ভেঙে পড়েছিলেন। গতকাল ভাইয়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাড়িতে মৃত্যু হয় ৭৫ বছর বয়সী নাট্যব্যক্তিত্বের।

    উষা নেই রঙ্গমঞ্চে ৷ নাটক-অন্ত প্রাণ। নাটকের রুদালি কিন্তু বাস্তবের রুদালি হয়ে বাঁচতে চাননি। সবসময়ে হাসিমুখ। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার আক্রান্ত ছোট ভাইয়েরমৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন। বুধবার ভাইয়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সব শেষ। মাতৃভাষা হিন্দি। কিন্তু বাংলার থিয়েটার জগতে তাঁর অসামান্য কৃতিত্ব। রাজনীতি থেকে সামাজিক সমস্যা। বিভিন্ন বিষয় উঠে আসত তাঁর পরিচালিত নাটকে। ছিলেন সক্রিয় সমাজকর্মী। লকডাউনের শহরে মঞ্চকে চির বিদায় জানিয়ে চলে গেলেন উষা গঙ্গোপাধ্যায়।

    ১৯৪৫ সালে জন্ম কানপুরে। ছোটবেলা কেটেছে সেখানেই। কলকাতায় এসে ভর্তি হন শ্রী শিক্ষায়তন কলেজে। শ্রী শিক্ষায়তন থেকে হিন্দি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ৷ ১৯৭০ সালে ভবানীপুর কলেজে হিন্দি শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন উষা ৷ ওই বছরেই মঞ্চে হাতেখড়ি। সঙ্গীত কলা মন্দিরে শূদ্রক রচিত ‘ মৃচ্ছকটিকম’ অবলম্বনে ‘মিট্টি কি গাড়ি’ নাটকে বসন্তসেনার চরিত্রে অভিনয় করেন ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়। সেই শুরু।

    রাজ্যে হিন্দিতে নাটক মঞ্চস্থ করে সাফল্যের শিখর ছুঁয়েছিলেন উষা গঙ্গোপাধ্যায়। সত্তর- আশির দশকে কলকাতায় হিন্দি থিয়েটারের রূপায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। ১৯৭৬ সালে নিজের নাটকের গ্রুপ রঙ্গকর্মী তৈরি করে ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷ তৃপ্তি মিত্র, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, বিভাস চক্রবর্তী ও মৃণাল সেনের কাছে তালিম নেওয়ার পর ১৯৮০ সালে নিজেই নাট্য পরিচালনা শুরু করেন।

    রুদালি, কোর্ট মার্শাল, অন্তর্যাত্রা, মহাভোজ, হোলি, চন্ডালিকা, কাশিনামা, হিম্মতমাঈ ......একের পর এক মাস্টারস্ট্রোক। ঋতুপর্ণ ঘোষের রেনকোট ফিল্মের স্ক্রিপ্টেও কাজ করেন। সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার থেকে ‘গুড়িয়া ঘর’ নাটকে অভিনয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান। ঝুলিতে অজস্র স্বীকৃতি। স্বাধীনচেতা। সবসময়ে নিজের শর্তে বাঁচতে ভালবাসতেন। লকডাউনের শহরেও চলে গেলেন, সেই নিজের শর্তেই। রেখে গেলেন অজস্র গুণমুগ্ধকে।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: