• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • বিমানে জায়রা-র ‘শ্লীলতাহানি’র ঘটনায় ভিসতারার কাছে জবাব চাইল মহিলা কমিশন

বিমানে জায়রা-র ‘শ্লীলতাহানি’র ঘটনায় ভিসতারার কাছে জবাব চাইল মহিলা কমিশন

বিমানে জায়রা ওয়াসিমের ‘শ্লীলতাহানি’ ৷ ভিসতারার কাছে জবাব তলব করল জাতীয় মহিলা কমিশন ৷ ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব তলব কমিশনের ৷

বিমানে জায়রা ওয়াসিমের ‘শ্লীলতাহানি’ ৷ ভিসতারার কাছে জবাব তলব করল জাতীয় মহিলা কমিশন ৷ ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব তলব কমিশনের ৷

বিমানে জায়রা ওয়াসিমের ‘শ্লীলতাহানি’ ৷ ভিসতারার কাছে জবাব তলব করল জাতীয় মহিলা কমিশন ৷ ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব তলব কমিশনের ৷

  • Share this:

    #মুম্বই: বিমানে জায়রা ওয়াসিমের ‘শ্লীলতাহানি’ ৷ ভিসতারার কাছে জবাব তলব করল জাতীয় মহিলা কমিশন ৷ ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব তলব কমিশনের ৷

    বিমানে জায়রা ওয়াসিমের ‘শ্লীলতাহানি’ ৷ অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর পকসো আইন ও ৩৫৪ ধারায় মামলা ৷ মামলা রুজু করল মুম্বই পুলিশ ৷ জায়রার হোটেলে যায় মুম্বই পুলিশ হোটেলে জায়রার বয়ান রেকর্ড করে ৷

    বিমানে অভিনেত্রী জায়ারা ওয়াসিমের ‘শ্লীলতাহানি’ ৷ বিমানকর্মীদের তলব ভিসতারা এয়ারলাইন্সের ৷ অভিযুক্ত যাত্রীকে শনাক্ত করেছে বিমান সংস্থা ৷ অভিযুক্ত বিমানের মধ্যে চলাফেরা করছিলেন ৷ কোনও বিমানকর্মী হাঁটাহাঁটি করেননি ৷ বিমান মাঝ আকাশে থাকাকালীন ঘটনা জানাননি জায়রা ৷ মুম্বইতে পৌঁছে বিমানকর্মীরা ঘটনা জানতে পারেন ৷ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ জানাতে বলা হয় ৷ অভিনেত্রী ও তাঁর মা অভিযোগ দায়ের করেননি ৷ তাঁরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে অস্বীকার করেন বিজ্ঞপ্তিতে জানাল ভিসতারা এয়ারলাইন্স ৷

    শনিবার রাতে ভিস্তারার বিমানে দিল্লি থেকে মুম্বই যাচ্ছিলেন জায়রা ওয়াসিম। জায়রার অভিযোগ, বিমানে তাঁর সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করা হয়। অভ্যব আচরণ করেন বিমানের এক যাত্রী ৷ এমনকী, ঘটনার কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। বিমানে জায়রা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সে সময় ওই ব্যক্তি তাঁর গলা চেপে ধরে খারাপ উদ্দেশ্যে তাঁর শরীরে হাত দেওয়ার চেষ্টা করেন। জায়রা জানান, ওই ব্যক্তির ছবি তুলে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু বিমানের অল্প আলোয় তা সম্ভব হয়নি।

    ইনস্টাগ্রামে গোটা ঘটনা শেয়ার করেন জায়রা । ইনস্টাগ্রামে তিনি লেখেন, ‘এটা হতে পারে না। ভয়ঙ্কর। কেউ আমাকে সাহায্য করেননি।’ তাঁর প্রশ্ন, ‘এ ভাবে আপনারা মহিলাদের সুরক্ষা দেন?’

    First published: