‘চাপ লগ্নেই জন্ম আমার’: সৃজিত মুখোপাধ্যায়

‘চাপ লগ্নেই জন্ম আমার’: সৃজিত মুখোপাধ্যায়

ছবি মুক্তি পেয়েছে মাত্র কয়েক দিন। এর মধ্যেই ২ কোটির বেশি ব্যবসা করে ফেলেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘দ্বিতীয় পুরুষ’।

  • Share this:

#কলকাতা: ছবি মুক্তি পেয়েছে মাত্র কয়েক দিন। এর মধ্যেই ২ কোটির বেশি ব্যবসা করে ফেলেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘দ্বিতীয় পুরুষ’। আপাতত কাঠমান্ডুতে ফেলুদা ফেরত-এর শ্যুটিং-এ ব্যস্ত পরিচালক। নিউজ 18-কে ফোনে সাক্ষাৎকার দিলেন সৃজিত।

প্রথমেই অভিনন্দন জানাবো ৷

দেখুন ‘গুমনামি’ এবং ‘মিশর রহস্য’ এর চেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে। তবে ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ কোনও উৎসবের সময় মুক্তি পায়নি। ফেস্টিভ রিলিজ ছাড়া কোনও বাংলা ছবি এতো সফল হওয়া, সত্যি এটা বড় ব্যাপার।

বাংলায় বলিউডের ছবিই বেশি হল পায়। দক্ষিণী কিংবা মহারাষ্ট্রের মতো বাংলায় আঞ্চলিক ছবি বেশি হল পায় না। হলের সংখ্যাও কম। এই অবস্থায় এতোটা ভাল ব্যবসা করা। বিশেষ কোনও ফর্মুলা জানা রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের?

এই ক্ষেত্রে দু’টো বিষয় বলবো। আমরা যাঁরা ছবি বানাই, ঠিক কতোটা বাজেট পাই ছবির এন্ড প্রোডাক্ট দেখে সে সম্পর্কে ধারণা করা মুশকিল। ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ আমি মাত্র বারো দিনে শ্যুট করেছি। খরচ কম করলে লাভের অংশ বেশি হয়। এটা এক দিক। অন্য দিকটা হলো স্যাটেলাইট-এর স্বত্ব বিক্রি করে ছবি বানানোর খরচ উঠে এসেছে। ডিজিটাল বা বক্স অফিস যা ব্যবসা হচ্ছে পুরোটাই লাভ। তাই ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ অর্থের দিক থেকে লাভজনক।

এতটা সফল হবে ছবি সেটা ভেবেছিলেন?

একটা এক্সপেক্টেশন ছিল। তবে এতটা সফল হবে, সেটা ভাবিনি।

তবে ‘২২ শে শ্রাবণ’-এর সিক্যুয়েল বানাচ্ছেন, একটা প্রবল প্রত্যাশা ছিল। নার্ভাস লাগেনি?

চিন্তা ছিল। স্বতন্ত্র গল্প হিসেবে এই ছবির চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেছিলাম। অন্য দিকে দর্শক, প্রযোজক-এরা অনেক দিন ধরেই বলছিলেন ‘২২ শে শ্রাবণ’-এর সিক্যুয়েল বানানোর কথা। আমি মনে করি যাঁরা আমার ছবি দেখেন এবং আমাকে ছবি বানাতে সাহায্য করেন, তাঁদের প্রতি আমার কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। অনেক পরে ঠিক করি এটাকে ‘২২ শে শ্রাবণ’-এর সিক্যুয়েল হিসেবে বানাবো।

আপনি রিভিউ পরেন? একাংশ দর্শকের খারাপও লেগেছে এই ছবি। তাই নিয়ে কী বলবেন?

আমি সব রিভউ পড়ার চেষ্টা করি। খুব পোলারাইসড ভিউ রয়েছে। একাংশের দর্শকের ভাল লাগেনি এই ছবি, আমি জানি। তাঁদের ভাল না লাগার প্রধান কারণ হলো ‘২২ শে শ্রাবণ’-এর সঙ্গে ছবিটার তুলনা করে ফেলছেন তাঁরা। সিক্যুয়েল বলা হচ্ছে জানি তবুও স্বাতন্ত্র ছবি হিসেবে দেখলে ভাল লাগবে। আর অনেকের প্রচুর প্রশ্ন রয়েছে সেটাও জানি। এখনই সে সব-এর উত্তর দিলে গল্পটাই বলে দেওয়া হয়। কয়েকটা দিন আরও কাটুক। সব না হলেও কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি দেব।

এতগুলো জাতীয় পুরস্কার, বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য। চাপ বোধ করেন? আরে চাপ লগ্নেই জন্ম আমার। সেই অটোগ্রাফ-এর সময় থেকে চাপে রয়েছি। নিজেকে সিরিয়াসলি নিই না। এটাই চাপ কাটানোর একমাত্র উপায়।

প্রযোজক নিশ্চয়ই খুব খুশি। ফোন করেছে?

কাঠমন্ডু-তে ফেলুদার শ্যুটিং করছি এখন। প্রযোজকের ফোন পেয়েছি। পিভিআর, আইনক্স-এর কর্তাদের ফোন পেয়েছি। মর্নিং শো-ও হাউজফুল। রজনীকান্তের ছবির ক্ষেত্রে এমনটা হয়। ভাল ছবি লোকে প্রেক্ষাগৃহে এসে দেখেন।

First published: January 28, 2020, 11:59 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर