Sohini Sarkar : পাকদণ্ডীর বুনো ফলের স্বাদ থেকে খরস্রোতা ঝোরা, প্রেমিকের সঙ্গে পাহাড়ি ছুটিতে পূর্ণ নায়িকার মনের ঝাঁপি

সোহিনী সরকার, ছবি-ফেসবুক

এ বার মনের বিশেষ মানুষের সঙ্গে ছুটিতে পাহাড়িয়া প্রকৃতিকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করলেন সোহিনী সরকার (Sohini Sarkar) ৷

  • Share this:

    কলকাতা :  পাহাড়ে তিনি আগেও এসেছেন ৷ তবে এ বার মনের বিশেষ মানুষের সঙ্গে ছুটিতে পাহাড়িয়া প্রকৃতিকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করলেন সোহিনী সরকার (Sohini Sarkar) ৷ তাঁর ভাল লাগা, বিস্ময়-সহ আবেগের বেশ কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেছেন সামাজিক মাধ্যমে ৷

    কখনও খরস্রোতার পাশে শুধুই প্রকৃতি আর সোহিনী ৷ কখনও বা পাকদণ্ডী বেয়ে যেতে যেতে মেঘের সঙ্গে দেখা ৷ দেখা হল চেনা ফলের সঙ্গেও ৷ সেই ফলের তিনি নাম জানেন না ৷ কুলজাতীয় সেই ফল গাছভরে হয়েছিল পাহাড়ি পথের পাশে ৷ ব্যাকপ্যাক, কাঁধে ক্যামেরা নিয়ে চলতে চলতেই থমকে গেলেন সোহিনী ৷ ছোট ছোট ফলগুলি পেড়ে খেলেন ৷ ভিডিয়ো শেয়ার করে জানালেন টক মিষ্টি স্বাদের ফলগুলি খুবই উপাদেয় ৷ সোহিনী বলেছেন, পাহাড়ে তিনি আগেও দেখেছেন এই ফলগুলো ৷ কিন্তু তাদের স্বাদ যে এত সুন্দর, তিনি জানতেন না ৷

    আরও এক রকমের ফলের কথা মনে পড়ছে তাঁর ৷ দেখতে এবং খেতে স্ট্রবেরির মতো ৷ কিন্তু এ বার তাদের খুঁজে পেলেন না তিনি ৷ তাদের দেখা না পেলেও এ বারের পাহাড় অবসর সোহিনীর কাছে খুব স্পেশাল ৷

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, গত দুমাস ধরে তিনি প্রেমিক রণজয়ের সঙ্গে পাহাড়ে ছুটি কাটালেন ৷ কালিম্পংয়ের তিনদূরে গ্রামে নিভৃতে সময় যাপন করলেন সোহিনী-রণজয় ৷ গুটিকয়েক গ্রামবাসী পরিবার আর এই যুগল ৷ গ্রামেই এক বাড়ি ভাড়া করে ছিলেন তাঁরা ৷ নাগরিক জীবন থেকে দূরে পাহাড় আর প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে গেলেন তাঁরা ৷

    বুনো, পাহাড়ি ফল পাড়তে গিয়ে সোহিনীর অভিজ্ঞতা, প্রকৃতির সব ভাল জিনিসেই কাঁটা দেওয়া থাকে ৷ যেমন ছিল নাম-না-জানা এই ঝোপজাতীয় গাছেও ৷ ঠিক তেমনই সব ছুটিরও শেষ থাকে ৷ পাহাড়ি অবসর কাটিয়ে আবার কাজের জগতে ফিরছেন সোহিনী-রণজয় ৷ সঙ্গে, নিভৃত অবসরের একরাশ চিরসবুজ স্মৃতি ৷

    ‘রূপকথা নয়’, ‘ফড়িং’, ‘ওপেন টী বায়োস্কোপ’, ‘রাজকাহিনি’, ‘ব্যোমকেশ পর্ব’, ‘দুর্গা সহায়’, ‘ব্যোমকেশ গোত্র’-সহ আরও অনেক ছবির অন্যতম মুখ সোহিনীকে এ বার দেখা যাবে অভিমন্যু দত্তর ছবি ‘অনন্ত’-এ ৷ তাঁর বিপরীতে অভিনয় করবেন ঋত্বিক চক্রবর্তী ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: