মেক-আপ রুমে ঝামেলা ! রাগের চোটে শ্রুতি দাসের চুল কেটে দিতে গেলেন সহ অভিনেত্রী !

মেক-আপ রুমে ঝামেলা ! রাগের চোটে শ্রুতি দাসের চুল কেটে দিতে গেলেন সহ অভিনেত্রী !
সম্প্রতি 'দেশের মাটি'র মেক-আপ রুম থেকে একটি মজার ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি।

সম্প্রতি 'দেশের মাটি'র মেক-আপ রুম থেকে একটি মজার ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি।

  • Share this:

    #কলকাতা: কাটোয়া থেকে কলকাতায় এসেছিলেন পড়াশোনা করতে। সেই সঙ্গে মডেলিং ছিল স্বপ্ন। কিন্তু কে জানত প্রথম অডিশনেই মিলে যাবে অভিনয়ের সুযোগ। এমটাই ঘটেছিল অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের সঙ্গে। 'ত্রিনয়নী' ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে যান তিনি। কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর দক্ষ অভিনয় জয় করে নেয় সকলের মন। এই সিরিয়ালটি শেষ হয়ে গেলেও মানুষ মনে রেখেছেন ত্রিনয়নীকে। তাঁর অভিনয় ভোলেননি। এর কয়েক মাস পর তাঁকে ফের অভিনয় করতে দেখা যায় শ্রুতিকে। 'দেশের মাটি' ধারাবাহিকে একটি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই ফের জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি।

    শ্রুতির গায়ের রঙ একটু চাপা। এর জন্য এক সময় তাঁর প্রেমিক তাঁকে কথা শুনিয়েছিলেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্রি নন শ্রুতি। মুখের ওপর জবাব দিয়ে সে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে নিজেকে প্রমান করেছেন নায়িকা। রঙে নয় মানুষের বিচার হয় দক্ষতায়। মাথা ভর্তি লম্বা ঘন চুলের শ্রুতি রাতের ঘুম ওড়াতে পারেন যে কোনও কারও। শ্রুতি সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ অ্যাক্টিভ। নানা রকম কিছু পোস্ট করতে দেখা যায় তাঁকে। কখনও গান গাইছেন, আবার কখনও নাচের ভিডিও পোস্ট করছেন।

    সম্প্রতি 'দেশের মাটি'র মেক-আপ রুম থেকে একটি মজার ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। সহ অভিনেত্রী শম্পা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন তিনি। সেখানে শ্রুতি বলছেন, আমার চুলটা খুব বড় কেটে ফেলি? শম্পা বলছেন, হ্যাঁ কেটে ফেল। তারপরেই শ্রুতি বলছেন তাহলে বেনুনি করবো কি করে? এত কষ্ট করে চুলটা বড় করলাম কেটে ফেলবো?' এবার শম্পা বলছেন, তাহলে কাটিস না। এই হ্যাঁ, না করতে করতেই বিরক্ত হয়ে যান শম্পা। একটা কাঁচি বার করে প্রায় এক প্রকার জোর করেই কেটে ফেলতে চান শ্রুতির চুল। যদিও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পায় চুল। এই মজার ভিডিওটি ইনস্টাতে শেয়ার করেছেন শ্রুতি। আজকাল এই ধরণের মজার ভিডিও সব অভিনেত্রীরাই তৈরি করছেন এবং শেয়ার করছেন। সোশ্যাল মিডিয়া আসার পর থেকেই এই ভিডিওর চল বেড়েছে। তবে ভিডিওটি বেশ মজার।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: