corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর দেখা দুর্যোগ

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর দেখা দুর্যোগ

সুদূর সিঙ্গাপুরে বসে রয়েছেন তিনি। শিকড় এই বাংলার। বাপের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি কলকাতাতেই। সংবাদমাধ্যমে খবর দেখে দুশ্চিন্তায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এই ঝড় মনে করিয়ে দিল পুরনো কিছু স্মৃতি। নিউজ 18 বাংলার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নায়িকা।

  • Share this:

#সিঙ্গাপুর: সুদূর সিঙ্গাপুরে বসে রয়েছেন তিনি। শিকড় এই বাংলার। বাপের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি কলকাতাতেই। সংবাদমাধ্যমে খবর দেখে দুশ্চিন্তায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এই ঝড় মনে করিয়ে দিল পুরনো কিছু স্মৃতি। নিউজ 18 বাংলার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নায়িকা। আমফানের মতো দুর্যোগ ঋতুপর্ণা কখনো দেখেননি। এই ঝড় তাঁর পুরনো কিছু স্মৃতি উসকে দিল। ২০১১ সালে তিনি তখন অন্তস্বত্তা, স্বামী সিঙ্গাপুরে। সেখানকার হাসপাতালে বাচ্চা হওয়ার কথা। সেদিন সিঙ্গাপুরে যাচ্ছিলেন ঋতুপর্ণা। হালকা বৃষ্টি পড়ছে। গাড়িতে বিমানবন্দর। একাই ফ্লাইটে ওঠেন। তারপরই বেড়ে যায় বৃষ্টি, ঝড় ওঠে। বিদ্যুৎ চমকানো শুরু হয়। ঋতুপর্ণা বললেন, ‘বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। প্লেন বিদ্যুৎ চিড়ে এগোচ্ছে। মনে হচ্ছিলো আগুনের ফুলকি বেরোচ্ছে। আমি প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিলাম। সেদিনের কথা মনে পড়লে এখনও গায়ে কাঁটা দেয়। ক্রমাগত মনে হচ্ছিলো আমার বাচ্চাটা ঠিক থাকবে তো? ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করছিলাম, আমার বাচ্চাকে বাঁচিয়ে রেখো। তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। অনেকক্ষণ পর সব স্বাভাবিক হয়। ঝড় উঠলেই আমার এই ঘটনাটা মনে পড়ে।’

নায়িকা আরও বললেন, ‘একবার খুব ঝড়ে আটকে গিয়েছিলাম টোরেন্টো শহরে। আমার শো ছিল। সেদিনই ফেরার কথা। শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি, সাইক্লোন। গোটা টোরেন্টো শহর অন্ধকার। ইলেকট্রিসিটি বন্ধ। প্রাণ হাতে করে গাড়ি চালিয়ে এক বন্ধু আমাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেয়। সেই জার্নিটা আমি ভুলবো না। লাগেজ নিতে পারিনি। পুরো ভিজে গিয়েছিলাম। কোনও ভাবে আমাকে প্লেনে তুলে দেওয়া হয়েছিল। একটু হলে ফ্লাইট মিস করতাম। দু’মাস পর বাড়িতে লাগেজ আসে।’ তবে তাঁর অভিজ্ঞতা এমন কিছু নয়। বাংলার মানুষ বুধবার যা দেখেছেন, তার কাছে নগন্য। ঋতুপর্ণার কথায়, ‘আমি খুব চিন্তিত এরকম একটা মহামারীর মধ্যে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বহু মানুষের জীবনের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে চলেছে তার ওপর আবার এই সাইক্লোন। ২০২০-তে আর কী বাকি আছে সেটাই ভাবছি। আমি দূরে আছি। কিন্তু প্রত্যেকটা মুহূর্তের খবর নিচ্ছি, খবর পাচ্ছি। আমার মায়ের বাড়ির জানালার কাঁচ সব ভেঙে গিয়েছে। শ্বশুরবাড়িতে ইলেকট্রিসিটি নেই। বড় মাপের ক্ষতি হয়ে গিয়েছে সকলের। পথবাসীদের কথা ভাবতে পারছি না।’ প্রকৃতি যেন শান্ত হয়। আমরা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারি, এমনটাই প্রার্থনা করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

Published by: Akash Misra
First published: May 21, 2020, 10:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर