corona virus btn
corona virus btn
Loading

একে একে রহস্য খুলছেন রিয়া! বললেন কীভাবে ইউরোপ ট্রিপের পর বদলে যায় 'উশৃঙ্খল' সুশান্তের জীবন!

একে একে রহস্য খুলছেন রিয়া! বললেন কীভাবে ইউরোপ ট্রিপের পর বদলে যায় 'উশৃঙ্খল' সুশান্তের জীবন!

সব শেষে রিয়ার আক্ষেপ, আমার বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ তোলা হচ্ছে তবে আমরা দম্পতির মতোই বাঁচতাম।

  • Share this:

#মুম্বই: নানান অভিযোগের সম্মুখীন সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রমিকা রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্তের পরিবারও রিয়া ও তাঁর পরিবারের সবার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে। এই মুহূর্তে সিবিআই তদন্তে ব্যস্ত। প্রতিদিনই রিয়ার বিরুদ্ধে উঠে আসছে নতুন নতুন অভিযোগ। যার মধ্যে মাদক সেবন অন্যতম। তবে নিজেকে বাঁচাতে বেশ কিছু বয়ান দিয়েছেন রিয়া, যাতে উঠে আসছে সুশান্তের জীবনযাপনের কিছু গল্পও৷

প্রথমবার একটি বেসরকারি চ্যানেলে মুখ খুলেছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী । সেখানে তিনি বলেন যে, সুশান্ত কী ধরনের জীবনযাপন করতেন এবং তিনি ইঙ্গিত করেন যে সুশান্তের জীবনযাপন ছিল বেশ উশৃঙ্খল!

সুশান্তের টাকা লোপাট করেছে রিয়া, এমনই অভিযোগ করেছে সুশান্তের পরিবার৷ তবে সাক্ষাৎকারে রিয়া জানান যে, সুশান্ত সর্বদা রাজার মতো জীবনযাপন করতেন। রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের আগে সুশান্ত থাইল্যান্ড বেড়াতে গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ৬জন মেয়ের পিছনে ৭০ লক্ষ টাকা উড়িয়েছিলেন! এই তথ্য দেন রিয়া৷

আরও পড়ুন সুশান্তের বাড়ির সামনে রহস্যজনক মহিলা কে? মুখ খুলে বিস্ফোরক মডেল অভিনেত্রী শিবানী...

ইউরোপ ট্রিপের কথাও উল্লেখ করে রিয়া বলেন যে, আমরা যখন ইউরোপে বেড়াতে যাচ্ছিলাম তখন সুশান্ত বলেছিলেন যে ও ফ্লাইটে বসে থাকতে ভয় পায়। তার জন্য, ও একটি ওষুধ নিয়েছিল৷ যার নাম ‘মোডাফিনিল’৷ ফ্লাইটে চড়ার আগে সুশান্ত সেই ওষুধটি খায়৷ ওষুধটি সুশান্তের সঙ্গে সারাক্ষণ থাকত।

এই সাক্ষাত্কারে রিয়া আরও জানান যে, ইউরোপ ট্যুরে কী হয়েছিল?এই সব প্রশ্নের উত্তর দেন রিয়া। তিনি বলেন, আমরা প্যারিসে পৌঁছনোর পর সুশান্ত তিন দিন ঘর থেকে বাইরে আসেননি। এতে আমার কিছুটা মন খারাপ হয়৷ কারণ আমি এই ট্রিপ নিয়ে খুব উত্তেজিত ছিলাম। আমি চেয়েছিলেন ঘুরে বেড়াতে৷ আর ওখানে সুশান্ত নিশ্চিন্তে রাস্তায় ঘুরতে পারত, কোনও সমস্যাও হত না৷

আরও পড়ুন ভাইয়ের বান্ধবীর ড্রাগ নিয়ে মাতামাতি, সুশান্তের দিদি বললেন দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন রিয়া!

তবে সুইৎজারল্যান্ডে পৌঁছে খুশি ছিলেন সুশান্ত৷ তারপরে আমরা ইতালি পৌঁছলাম৷ সেখানে আমাদের ঘরের কাঠামো অদ্ভূত ছিল। তাতে আমি ভয় পেলেও সুশান্ত বলে সব ঠিক রয়েছে৷ তবে তারপর সুশান্ত বলে যে ঘরে কোনও সমস্যা রয়েছে এবং তখন থেকেই সুশান্তের অবস্থা বদলে যায় এবং ঘর ছেড়ে যেতে চান না তিনি। পুরোটাই জানান রিয়া৷

রিয়া জানিয়েছেন যে, ২০১৩ সালে এটি ঘটে। তারপর থেকে শুরু হয় হতাশা৷ যোগাযোগ করা হয়, মনোবিজ্ঞানীর সঙ্গে, যার নাম হরেশ শেঠি৷ তিনিই বলেন ওষুধের কথা।

এই সময়ে, তিনি শৌভিক-সুশান্ত মিলে রিলেটিক্স নামের সংস্থাটি শুরু করেন। রিয়া জানিয়েছিলেন যে, এটি সুশান্তের স্বপ্নের প্রকল্প, এতে আমি, আমার ভাই এবং সুশান্ত তিনজন অংশীদার ছিলাম। সকলের এতে ৩৩-৩৩ শতাংশ টাকা দিতে হয়েছিল৷ সব শেষে রিয়ার আক্ষেপ, আমার বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ তোলা হচ্ছে তবে আমরা দম্পতির মতোই বাঁচতাম।

Published by: Pooja Basu
First published: August 27, 2020, 3:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर