• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • যৌথ পরিবারের গল্প বলতে আসছে শঙ্কর রায়ের ছবি 'রাজার কীর্তি' !

যৌথ পরিবারের গল্প বলতে আসছে শঙ্কর রায়ের ছবি 'রাজার কীর্তি' !

পারিবারিক জটিলতা ও সাইবার ক্রাইমের মত বিষয় নিয়ে সাতাশে নভেম্বর হলে মুক্তি পেতে চলেছে রাজার কীর্তি ছবিটি।

পারিবারিক জটিলতা ও সাইবার ক্রাইমের মত বিষয় নিয়ে সাতাশে নভেম্বর হলে মুক্তি পেতে চলেছে রাজার কীর্তি ছবিটি।

পারিবারিক জটিলতা ও সাইবার ক্রাইমের মত বিষয় নিয়ে সাতাশে নভেম্বর হলে মুক্তি পেতে চলেছে রাজার কীর্তি ছবিটি।

  • Share this:

    #কলকাতা:  আজকাল যোথ পরিবার নিয়ে তেমন একটা ছবি হতে দেখা যায় না। অথচ এই যোথ পরিবার নিয়ে এক সময় সব পরিচালকরাই অসাধারণ ছবি বানিয়েছেন। তবে একেবারে হয় না বললেও ভুল বলা হবে। আজকাল কর্ম জীবনের ব্যস্ততায় মানুষের কাছে গুরুত্ব হারাচ্ছে যৌথ পরিবারের কনসেপ্ট। যৌথ পরিবার ও তার বিভিন্ন টানাপোড়েনের গল্প এখন প্রায় দেখাই যায় না। তার মধ্যে শিশু মনস্তত্ব নিয়েও খুব একটা কাজের চল নেই। সেই রকমই এক পরিস্থিতিতে কমলা ফিল্ম প্রোডাকসনের প্রযোজনায় আসতে চলেছে পরিচালক শঙ্কর রায়ের ছবি 'রাজার কীর্তি'। বিভিন্ন ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়, অনন্যা চ্যাটার্জী, রাজেশ শর্মা, পায়েল, অঙ্কুশ, সায়ন। সঙ্গীত পরিচালনায় সৌমিত্র কুন্ডু। কন্ঠশিল্পী হিসাবে রয়েছেন কুমার শানু, রূপঙ্কর, সুজয় ভৌমিক ও চন্দ্রিকা। বিশ্ব পরিবেশনার দায়িত্বে চ্যানেল বি এন্টারটেইনমেন্ট, বজরং আগরওয়াল ও সুকেশ আগরওয়াল। এই ছবির ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে।

    যৌথ পরিবার, শিশু মনস্তত্ব ও সাইবার ক্রাইমকে ঘিরে এই ছবির কাহিনী। ছবির গল্প অনেকটা এরকম, যেখানে দত্ত বাড়ির কর্তা রমেশ চন্দ্র দত্ত ও মায়া দত্তের তিন সন্তান। বড় ছেলে মলয় বিদেশে থাকে। মেজ ছেলে রঞ্জন একটা বড় প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করে। সে তার স্ত্রী পাপড়ি ও তাদের একমাত্র সন্তান রাজাকে নিয়ে বাবার সংসারে থাকে। ছোটছেলে তথাগত একটা অত্যন্ত সামান্য চাকরি করে। ফলে সংসার টানতে চাকরি শেষে টিউশনি পড়াতে হয়। সে তার স্ত্রী রিয়া ও সন্তান ছোটনকে নিয়ে বাবার সংসারেই থাকে। রমেশ বাবুর সহায় সম্পত্তি বলতে নিজের পেনশন ও দোতলা একটা বাড়ি, যা এখনও তার নিজের নামে। বড় ছেলে মলয় বহু আগেই হাত তুলে নিয়েছে যে সে ওই বাড়ির কোনও ভাগ চায় না। মেজ ছেলে রঞ্জনের ইচ্ছা বাড়ি সমান ভাগে ভাগ হোক। কিন্তু ছোট বউ রিয়া তার দিদির বুদ্ধিতে প্ররোচিত হয়ে চায়না বাড়ির ভাগ হোক বরং শ্বশুর তাদের নামে গোটা বাড়িটা করে দিলেই যেন তার শান্তি হয়। এই নিয়ে বাড়িতে নিত্যদিন অশান্তি চলতেই থাকে। এহেন অবস্থায় রমেশ বাবুর মেজ নাতি রাজা যেহেতু কম্পিউটারে নিজের জ্যেঠু মলয়ের মত অসম্ভব দক্ষ, তাই তার কম্পিউটারের নেশা কিছুতেই কমানো যায় না। অথচ একদিন এই কম্পিউটার ঘাঁটতে ঘাঁটতেই সে ঢুকে পড়ে এমন একটা ওয়েবসাইটে যেখানে কলকাতার বিভিন্ন অংশে বম্ব ব্লাস্ট হবে তার একটা নকশা ও তথ্য পায়।

    রাজা তক্ষুণি নিজের বন্ধুদের একটা করে মেল পাঠিয়ে কলকাতায় বম্ব ব্লাস্টের ঘটনাটা সম্পর্কে জানায়। কিন্তু ব্যাপারটা বেশ চাউর হতে রজ্য গোয়েন্দা দপ্তরের এক অনুসন্ধানকারী আধিকারিক ইন্সপেক্টর কামাল রাজার বাড়ি এসে রঞ্জন ও রাকাকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিন্তু রাজা কিছুতেই সেই সাইটটা দেখাতে পারে না। ভুয়ো আতঙ্কবাদী হামলার খবর ছড়ানোর অপরাধে রঞ্জনকে ও রাজাকে গ্রেপ্তারের জন্য মুখিয়ে থাকে পুলিশ কিন্তু তদন্ত চলাকালীন সেই ধরণের কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। এদিকে বাড়িতে রিয়াও ভালো অজুহাত পেয়ে যায় ভাশুর ও জা কে অপমান করে বাড়ি থেকে বের করার। ঘটনার বেগতিক দেখে মলয়ও বিদেশ থেকে চলে আসে দেশে। তদন্তকারী আধিকারিকের সাথে বিস্তর ঝামেলাও হয়। রঞ্জন অফিসে বেরোনো বন্ধ করে দেয়। ওদের বাড়ির গায়ে জঙ্গী আঁতাতের একটা কলঙ্ক লেগে যায়।

    পারিবারিক জটিলতা ও সাইবার ক্রাইমের মত বিষয় নিয়ে সাতাশে নভেম্বর হলে মুক্তি পেতে চলেছে রাজার কীর্তি ছবিটি।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: