খুবই দুঃখজনক! ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কাজ করে অনুশোচনায় প্রিয়ঙ্কা চোপড়া

খুবই দুঃখজনক! ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কাজ করে অনুশোচনায় প্রিয়ঙ্কা চোপড়া
এক সময়ে ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনও করেছেন প্রিয়ঙ্কা। ভারতে এই ধরনের ক্রিম এনডোর্স করার অভিজ্ঞতা সম্প্রতি মেরি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে শেয়ার করলেন তিনি।

এক সময়ে ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনও করেছেন প্রিয়ঙ্কা। ভারতে এই ধরনের ক্রিম এনডোর্স করার অভিজ্ঞতা সম্প্রতি মেরি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে শেয়ার করলেন তিনি।

  • Share this:

    #নিউ ইয়র্ক: যে কোনও বিষয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করে বলতে কখনও পিছপা হননি অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। সমাজে যে বিষয়গুলি নিয়ে মানুষের মধ্যে ট্যাবু রয়েছে সেগুলি নিয়ে সরাসরি কথা বলেছেন তিনি। কেরিয়ারের শুরুর দিকে গায়ের রঙের জন্য নানা রকম তির্যক মন্তব্য শুনতে হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে সেই সব কথা তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

    এক সময়ে ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনও করেছেন প্রিয়ঙ্কা। ভারতে এই ধরনের ক্রিম এনডোর্স করার অভিজ্ঞতা সম্প্রতি মেরি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে শেয়ার করলেন তিনি। এই ক্রিমের বিজ্ঞাপনে থাকায় তাঁকে নিয়ে প্রচুর রসিকতাও হয়েছে বলে জানান প্রিয়ঙ্কা। তবে গায়ের রং ফর্সা করার ক্রিম এনডোর্স করার জন্য অনুশোচনা হয় বলেও জানান তিনি।

    প্রিয়ঙ্কা জানিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ফেয়ারনেস ক্রিমের বাজার সবসময়েই খুব উর্ধ্বমুখী থেকেছে। তাঁর কথায়, "এটা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তখন বিশ্বাস করতাম গায়ের রং কালো হওয়ার মধ্যে কোনও সৌন্দর্য নেই। মুখে ট্যালকম পাউডার মাখানো হতো। আমার জন্য এটি সত্যিই খুব দুঃখজনক।"


    গায়ের রঙের জন্যই স্কুলে তাঁকে নিয়ে মশকরা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলছেন, হাইস্কুলে বাচ্চারা আমার পিছনে কেন লাগত সেটাও ভালো করে জানত না। কিন্তু ওরা মনে করত ওরা আমার চেয়ে কোনও ভাবে বেশি শক্তিশালী।

    অভিনেত্রী জানিয়েছেন, গায়ের রঙের জন্য তাঁকে নিয়ে তখন অন্য মেয়েরা হাসাহাসি করত। প্রিয়ঙ্কা এই বিষয়ে বলেছেন, "ওরা বলত, ব্রাউনি তোমার নিজের দেশে ফিরে যাও। যে হাতিতে চেপে এসেছে, সেটায়ে চেপেই ফিরে যাও।" এর জন্য স্কুলের মনোবিদের কাছেও গিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু তাতে কিছু লাভ হয়নি বলে জানান তিনি।

    পরে অভিনয় জগতে গায়ের রং ফর্সা করার ক্রিমের বিজ্ঞাপনেও অংশ নিয়েছেন তিনি। আর সেই আজ তিনি অনুতপ্ত। কারণ আজ প্রিয়ঙ্কা বিশ্বাস করেন, নিজের গায়ের রং নিয়ে প্রত্যেকেরই খুশি থাকা উচিত। প্রত্যেকেরই উচিত গায়ের রং নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগা।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: