প্লাস্টিক সার্জারির বিপদ! দু'টি সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় প্রিয়াঙ্কাকে!

প্লাস্টিক সার্জারির বিপদ! দু'টি সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় প্রিয়াঙ্কাকে!
৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে প্রিয়াঙ্কার আত্মজীবনী আনফিনিশড। বইতে নিজের ছোটবেলা থেকে শুরু করে, সিনে-জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি।

৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে প্রিয়াঙ্কার আত্মজীবনী আনফিনিশড। বইতে নিজের ছোটবেলা থেকে শুরু করে, সিনে-জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি।

  • Share this:

#মুম্বই: বলিউড স্টার হয়ে ওঠার আগে পেরোতে হয়েছে অনেক বাধা। ২০০২ সালে তামিল সিনেমায় ডেবিউ। সেখান থেকে আজ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী। কিন্তু বারবার নানা সমস্যা পড়তে হয়েছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাসকে (Priyanka Chopra Jonas)। সদ্য প্রকাশিত হওয়া আত্মজীবনী আনফিনিশড (Unfinished)-এ উঠে এল সেই সব কথা। সেই সূত্রে জানা গিয়েছে, প্লাস্টিক সার্জারির জন্য কেরিয়ারের শুরুর দিকে দু'টি সিনেমা থেকে বাদ পড়েন তিনি। পলিপেকটমি সার্জারির জন্য প্রিয়াঙ্কার নাকের আকারে পরিবর্তন এসেছিল। কিন্তু তা নিয়ে একাধিক গুজব রটে যায়। তাঁর মুখের আদল বদলে গিয়েছে বলে চারদিকে খবর ছড়াতে থাকে। আর এর জেরেই দু'টি সিনেমা থেকে বাদ পড়তে হয় প্রিয়াঙ্কাকে।

নিজের জীবনের টানাপোড়েন খোদাই করা এই বইতে ডেবিউ সিনেমা নিয়েও নানা কথা বলেছেন প্রিয়াঙ্কা। প্রথম তাঁকে হামরাজ (Humraaz) সিনেমায় কাস্ট করা হয়েছিল। কিন্তু বেশ কয়েকটি কারণে সেই ছবি করা হয়ে ওঠেনি। শেষমেশ সেই বছরই অর্থাৎ ২০০২ সালে তামিল সিনেমা থামিজান (Thamizhan)-এর মধ্য দিয়ে সিনেমা জগতে ডেবিউ করেন তিনি। এর পর ২০০৩ সালে বলিউডে ডেবিউ করেন প্রিয়াঙ্কা। দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অফ আ স্পাইয়ের (The Hero: Love Story of a Spyঃ চরিত্রে সেকেন্ড ফিমেল লিডে দেখা যায় তাঁকে। তবে প্রথম সিনেমা হিসেবে তামিল ছবি থামিজান নিয়ে বেশ স্বচ্ছন্দ বোধ করেন তিনি। এই সিনেমায় বিজয়ের (Vijay) বিপরীতে দেখা যায় তাঁকে।

৩৮ বছর বয়সী প্রিয়াঙ্কার কথায়, তামিল সিনেমা দিয়ে ডেবিউ করলেও, বেশ স্বস্তি ছিল। কারণ থামিজানের সেটে তিনি আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিলেন। এই সিনেমার সেটে তাঁর প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে তেমন কোনও কথা হয়নি। তাঁর মুখে যে কোনও পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়েও কেউ সে ভাবে কথা বলেনি। পুরো টিম বড্ড সাপোর্টিভ ছিল। সহ-অভিনেতা বিজয়েরও প্রশংসা করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজয় একজন গিফ্টেড অ্যাক্টর। ফ্যানেদের সঙ্গে তিনি যে ভাবে মেশেন, তাঁর যে স্টারডম তা কখনও ভুলবেন না প্রিয়াঙ্কা। বলি-অভিনেত্রীর কথায়, শ্যুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফ্যানেদের অটোগ্রাফ দিতেন বিজয়। সেখান থেকে বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। এমনকি কোয়ানটিকোর (Quantico) শ্যুটিংয়ের সময় লাঞ্চের ফাঁকে ফ্যানেদের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাতেন প্রিয়াঙ্কা।


বইতে একটি জায়গায় প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, সিনে ইন্ডাস্ট্রির এক পরিচালক না কি তাঁকে ব্রেস্ট, হিপ ও জ' সার্জারির কথা বলেছিলেন। এই কথা শোনার পর খানিকটা অবসাদে চলে গিয়েছিলেন তিনি। মানসিক ভাবে বেশ সমস্যা হয়েছিল। তবে পরের দিকে তা কাটিয়ে ওঠেন।

৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে প্রিয়াঙ্কার আত্মজীবনী আনফিনিশড। বইতে নিজের ছোটবেলা থেকে শুরু করে, সিনে-জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি। নিজের বিয়ে, ক্যানসারে আক্রান্ত বাবাকে হারানো, বলিউড থেকে হলিউডের দিকে এগোনোর যাত্রা থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে বিশদে আলোচনা করেছেন তিনি।

Published by:Piya Banerjee
First published: