Home /News /entertainment /
Pallavi Dey Death: পল্লবীর মৃত্যু ফিরিয়ে দিল সুশান্তের স্মৃতি! 'আয় আরও বেঁধে বেঁধে থাকি' আজ শুধুই জীবনের বার্তা টলিপাড়ায়

Pallavi Dey Death: পল্লবীর মৃত্যু ফিরিয়ে দিল সুশান্তের স্মৃতি! 'আয় আরও বেঁধে বেঁধে থাকি' আজ শুধুই জীবনের বার্তা টলিপাড়ায়

Pallavi Dey Death: কেন চলে যায় মানুষ? কার প্রতি হতাশা? পৃথিবীর প্রতি? চারপাশের প্রতি, পারিপার্শ্বিকতার প্রতি? নাকি নিজের প্রতি৷ পল্লবীর দের মৃত্যু দু বছর আগের স্মৃতি উসকে দিল আবারও৷

  • Share this:

কলকাতা: ২০২০, ১৪ জুন৷ অতিমারি পেরিয়ে সবে আবার সুস্থ হচ্ছে বিনোদন জগৎ৷ কিন্তু সেই গতিও থেমে গিয়েছিল হঠাৎ৷ চমকে গিয়েছিলেন শিল্পীরা, থমকে গিয়েছিলেন অগুণতি দর্শক৷ এমনই এক সকালে খবর এসেছিল সুশান্ত সিং রাজপুত নেই৷ নেই মানে কোথাও নেই৷  জীবনের একটা ছোট্ট অধ্যয়ে দাঁড়ি টেনে দিয়েছিলেন তিনি৷ আর সামনে রেখে গিয়েছিলেন 'মানসিক অবসাদ' নামের দুটি বেশ ভারী শব্দ৷

২০২২, ১৫ মে৷ ঝড়ের বেগে ধাবমান বিনোদন জগৎ থেমে গিয়েছিল আরও একবার, এক লহমায়৷ কতটা বিষাদ জমা হলে মানুষ আত্মহত্যার মতো চরমতম সিদ্ধান্ত নিতে পারে৷ কেন চলে যায় মানুষ? কার প্রতি হতাশা? পৃথিবীর প্রতি? চারপাশের প্রতি, পারিপার্শ্বিকতার প্রতি? নাকি নিজের প্রতি৷ পল্লবীর দের মৃত্যু দু বছর আগের স্মৃতি উসকে দিল আবারও৷

 পল্লবী দে৷ বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ৷ জীবন প্রাচুর্যে ভরপুর একটা মেয়ে৷ হয়তো মুহূর্তে বাঁচতেই বিশ্বাসী ছিলেন৷ ছোট ছোট কত না মুহূর্ত ধরে রেখেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে৷ একের পর এক আদরমাখা অ্যালবাম! বন্ধুর সঙ্গে, প্রেমিকের সঙ্গে, পরিবারের সঙ্গে, সহকর্মীদের সঙ্গে৷ এক সেকেন্ডের জন্য হাসিছাড়া দেখা যায়নি তাঁকে৷ তাহলে কেন? কেন এমন একটা সিদ্ধান্ত?

আরও পড়ুন: দুর্গা পিতুরি লেন পর্যবেক্ষণ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা, কী বললেন তাঁরা?

টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি৷ যারা বার বার একটা কথাই বলেছে- 'আয় আরও বেঁধে বেঁধে থাকি৷' পল্লবী দে-র মৃত্যুর খবর মেনে নিতে পারছে না টেলি জগতের কেউ৷ যে কোনও সমস্যাতেই মৃত্যুর পথ বেছে নেওয়া ঠিক নয়৷ উচিৎ সাহায্যের হাত খোঁজা, এমনটাই বলছে টলিউড৷

সাহায্যের হাত বাড়িয়েদিয়েছেন ছোট ও বড় পর্দার অভিনেতারা৷ অভিনেতা শ্রুতি দাস তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, তিনি আছেন৷ যে কোনও কারও যে কোনও সমস্যায় তিনি পাশে থাকবেন৷ কিন্তু এভাবে যেন নিজেকে শেষ করে না দেন৷ তাঁর পোস্টে নিজেদের ক্লান্তি, হতাশার কথা জানিয়েছেন অনেকে৷ প্রত্যেকের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন শ্রুতি৷

একই কথা বলতে চেয়েছেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়৷  তিনিও লিখেছেন, চলো না সব্বাই মিলে ভাল থাকি৷ জয়জিতের বোনই ছিলেন পল্লবী৷  প্রথম ধারাবাহিক রেশম ঝাঁপি থেকে তাঁদের আলাপ৷

অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন বলেন, "এই মৃত্যুর কারণ তো আমরা কেউই জানি না৷ তবে এটুকু জানি, আত্মহত্যার আগের মুহূর্তে মানুষ গোটা  পৃথিবীকে প্রত্যাখ্যান করেন৷ তবে কারও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যকাউন্ট মানবচরিত্রের প্রতিফলন হতে পারে না৷ কারণ আমরা গোটা পৃথিবীর কাছে নিজেকে ভাল দেখাতে চাই৷ অথচ নিজেরা ভাঙতে ভাঙতে শেষ হয়ে যাই৷" এই মৃত্যুর কারণ যদি অবসাদ হয়, তাহলে সেই অবসাদের কারণ কী? গুলশানারা  জানান, "আমাদের এই জগৎটা তো রঙিন৷ তাই কোথাও আরও রঙিন হওয়ার, নিজেকে নিয়ে প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকার, যে পরিচিতি তৈরি হয়েছে, তা বজায় রাখার যে প্রাণান্তকর চেষ্টা, যে দেখনদারি, তা অবসাদের কারণ তো বটেই৷ আর এই সমস্যার সমাধান আছে অনেক গভীরে৷ খালি মনে হচ্ছে, ইশ! যদি কথা বলতে পারতাম মেয়েটার সঙ্গে, তাহলে হয়তো আটকাতে পারতাম৷"

"ফড়িংয়ের ডানাতেও এ জীবন দেয় ডাক,

বেঁচে থাক সব্বাই, হাতে হাত রাখা থাক"

সাড়া দেওয়ার জন্য সবাই আছে, মৃত্যু কেবল মিথ্যে হোক...

Published by:Rachana Majumder
First published:

Tags: Pallavi dey

পরবর্তী খবর