• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • মাত্র ৪ দিনেই একশো কোটির ঘরে পদ্মাবত !

মাত্র ৪ দিনেই একশো কোটির ঘরে পদ্মাবত !

Film Stills

Film Stills

কথা ছিল ডিসেম্বরেই বক্স অফিসে মুক্তি পাবে সঞ্জয়লীলা বনশালির ছবি ‘পদ্মাবত’ ৷

  • Share this:

    #মুম্বই: কথা ছিল ডিসেম্বরেই বক্স অফিসে মুক্তি পাবে সঞ্জয়লীলা বনশালির ছবি ‘পদ্মাবত’ ৷ কিন্তু রাজস্থানের করণি সেনার চোখ রাঙানি, লাগাতার বিক্ষোভ ও সেন্সর বোর্ডের গেঁড়োতে ছবির মুক্তি পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি ৷ তবে পদ্মাবতী থেকে নাম বদলে পদ্মাবতী, সেন্সর বোর্ডের নানা শর্ত ৷ এমনকী, ছবি মুক্তির দিনও দেশের নানা কোণা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পদ্মাবতের জেরে ৷ বহু রাজ্যেই হল মালিকেরা সাহস করেননি ছবিটি দেখানোর ৷ ভাঙা হয়েছে প্রচুর সিনেমা হলও ৷

    তবে এত কিছু সত্ত্বেও বক্স অফিসে তুমুল ঝড় তুলছে দীপিকা, রণবীর ও শাহিদের পদ্মাবত ৷ দর্শকদের সঙ্গে সঙ্গে সমালোচকরাও প্রশংসায় পঞ্চমুখ এই ছবি নিয়ে ৷ অনেকের মতে, এই ছবি রাজপুতদের বীরগাথা, অসম্মান নয় ! আর সেই কথাই যেন ফুটে উঠল বক্স অফিসেও ৷ মাত্র ৪ দিনেই ১০০ কোটির ব্যবসা করে ফেলল বনশালির রূপকথা ‘পদ্মাবত’ ৷

    অন্যদিকে পদ্মাবত ছবির শেষদৃশ্য নিয়ে মন্তব্য করে ইন্টারনেটে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর ৷

    শব্দের বাণে বনশালিকে বিঁধলেন বলিউড নায়িকা স্বরা ভাস্কর ! পদ্মাবতীর শেষ দৃশ্যকে কঠোর সমালোচনা করলেন স্বরা ৷ ‘দ্য ওয়্যার’ পোর্টালে লিখলেন বনশালিকে খোলা চিঠি৷

    স্বরা ভাস্করের কথায়, ‘পদ্মাবতের শেষ দৃশ্য অর্থাৎ জহরের দৃশ্য দেখে আমি আঁতকে উঠেছি ৷ এখনও সিনেমার পর্দায় কীভাবে মেয়েদেরকে মানুষ নয়, মেয়ে মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয় ৷ যে মেয়ে মানুষ শুধুই যোনিযুক্ত ! যার অন্যকোনও অবয়ব থাকতে নেই ৷ আমি জানি আমাদের সংস্কৃতিতে, ইতিহাসে সতীপ্রথা, জহরব্রত ছিল ৷ আর সে দৃশ্যকে বরাবরাই সিনেপরিচালকরা আবেগপূর্ণভাবে দেখাতে পিছপা হতেন না ৷ আরও বেশি দৃষ্টিনন্দন করে তোলেন ৷ আর এ ব্যাপারে তো বনশালি বিশেষ পটু ! ’

    স্বরা লেখেন, ‘আপনার ছবির শেষটা দেখে খুব অস্বস্তি হচ্ছিল। যেখানে এক জন অন্তঃসত্ত্বা এবং একটি বাচ্চা মেয়ে আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছেন। আপনার মনে রাখা উচিত ছিল পাওয়ার অব সিনেমা কী! দর্শককে এই দৃশ্য আবেগতাড়িত করলেও আমার মনে হয়, কোনও ক্রিটিক ছাড়া এমন দৃশ্য দেখানো সেই ঘটনাতে মহত্ব আরোপ ছাড়া আর কিছু নয়। জহর বা সতীর সমর্থন ছাড়া এটা আর কী বা হতে পারে ! সতী-জহরের সমর্থকরা একজন নারীকে মেরে ফেলতে চায় কারণ তাঁর যৌনাঙ্গের পুরুষ মালিকটি আর নেই। দুটো ক্ষেত্রেই চেষ্টা এবং ভাবনাটা হল, মেয়েদের শুধু যৌনাঙ্গে অস্তিত্বেই আটকে রাখা ৷’

    First published: