ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ ফারুকির বিরুদ্ধে! হাইকোর্টেও খারিজ হল জামিনের আবেদন

ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ ফারুকির বিরুদ্ধে! হাইকোর্টেও খারিজ হল জামিনের আবেদন
হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার হন কৌতুকশিল্পী মুনাওয়ার ফারুকি। নিম্ন আদালতের পরে হাইকোর্টেও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল।

হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার হন কৌতুকশিল্পী মুনাওয়ার ফারুকি। নিম্ন আদালতের পরে হাইকোর্টেও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল।

  • Share this:
    #ভোপাল: মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টেও কৌতুকশিল্পী মুনাওয়ার ফারুকির জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল বৃহস্পতিবার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হিন্দু দেবদেবীদের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন।

    হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে গত ১ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশের মোনোরে ক্যাফে থেকে আটক করা হয় ফারুকিকে। এর পর দিন অর্থাৎ ২ জানুয়ারি তাঁকে গ্রেফতার করে ইন্দোর পুলিশ। ২৯ বছরের মুনাওয়ার ও তাঁর চার সঙ্গীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ইন্দোরের বিজেপি বিধায়ক মালিনী গৌরের ছেলে একলব্য গৌর।

    ইন্দোরে একটি শোয়ে হিন্দু দেবদেবীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে মুনাওয়ারের বিরুদ্ধে। এছাড়াও করোনা বিধি লঙ্ঘণ করার অভিযোগও রয়েছে মুনাওয়ার ফারুকি ও তাঁর চার সঙ্গীর বিরুদ্ধে। যদিও হিন্দু দেবদেবীদের অপমান করার কোনও প্রমাণ ফারুকির বিরুদ্ধে নেই বলে জানিয়েছেন ইন্দোরের টাউন ইনস্পেক্টর কমলেশ শর্মা। শোয়ের আয়োজক হিসেবে তাঁরে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


    ফারুকির আইনজীবী জামিনের জন্য দুটি আবেদন করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত দুটি আবেদনই খারিজ হয়ে গিয়েছে। প্রথম আবেদনটি স্টেট হাইকোর্টে করা হয়েছিল। বিচারপতি রোহিত আরিয়া এই আবেদন খারিজ করে বলেন, "অন্যদের ধর্মীয় ভাবাবেগের অযথা সুবিধা নিচ্ছেন কেন? নিজের ব্যবসার জন্য এটা আপনি কী ভাবে করতে পারেন?"

    অন্যদিকে অভিযোগে একলব্য গৌর জানিয়েছেন, ফারুকি আগেও ধারাবাহিক ভাবে এই কাজ করেছেন এবং হিন্দু দেবদেবীদের উদ্দেশে মানহানিকর মশকরা করে থাকেন। তিনি বলছেন, "আমি যখন মুনাওয়ারের শোয়ের ব্যাপারে শুনি টিকিট কাটি দেখতে যাওয়ার জন্য। আশানুরূপ হিন্দু দেবদেবীদের ও অপমান করছিল এবং গোধরা কাণ্ডের প্রসঙ্গে অমিত শাহকে নিয়েও মশকরা করে।"

    এর আগে মধ্যপ্রদেশের নিম্ন আদালতে ফারুকির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয় গত ৫ জানুয়ারি। কিন্তু ১৩ জানুয়ারি ইন্দোর পুলিশ জানায় যে সত্যিই কোনও প্রামাণ্য তথ্য নেই ফারুকির বিরুদ্ধে। তবুও তিনি ফারুকির গ্রেফতারির পক্ষেই কথা বলেন। ১৪ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করে। কিন্তু সেই আবেদনও খারিজ হয়ে গেল।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    লেটেস্ট খবর