corona virus btn
corona virus btn
Loading

Exclusive-মা দুর্গারূপে মিমি চক্রবর্তী, অফার পেয়ে কেমন ছিল ফিলিংটা? মিমি যা জানালেন...

Exclusive-মা দুর্গারূপে মিমি চক্রবর্তী, অফার পেয়ে কেমন ছিল ফিলিংটা? মিমি যা জানালেন...

এই প্রথম মহালয়া'তে মহিষাসুরমর্দিনী পর্বে দুর্গা রূপে দেখা যাবে অভিনেতা সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে।

  • Share this:

#কলকাতা: এই প্রথম মহালয়া'তে মহিষাসুরমর্দিনী পর্বে দুর্গা রূপে দেখা যাবে অভিনেতা সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে। একটি বেসরকারি চ্যানেলের জন্য এই শ্যুটিং করতে গিয়ে কেমন ছিল মা দুর্গা হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা।নিউস ১৮ বাংলার সঙ্গে শেয়ার করলেন মিমি নিজেই।

মিমি থেকে মা দূর্গা হয়ে উঠতে হবে। যখন অফার এলো ফিলিংটা কেমন ছিল? আগেও অনেকবার অফার এসেছিল। করিনি কারণ এটার সঙ্গে বাঙালির একটা সাংঘাতিক সেনটিমেন্ট জড়িয়ে থাকে।একটা বিশাল প্রেশারও থাকে। মানে কতটা পারবো বা পারবোনা সেইটা একটা বিশাল চাপ । তবে এইবার আমাদের পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় আমাকে পুরো বিষয়টা বোঝালেন যেটা শুনে বুঝলাম এটা একটা দারুন জিনিস হতে চলেছে। কেরিওগ্রাফার বল,ভারী শাড়ি বা গয়না বল, প্রচুর স্টান্স বল,হার্নেস আার রোপের ব্যবহার বল,সব মিলিয়ে একটা লাইফ টাইম এক্সপিরিয়েন্স বলতে পারো।
কতটা এক্সাইটমেন্ট কাজ করছিল শ্যুটিংয়ের দিন? আামার এমনিতেই শ্যুটিং থাকলে আগের দিন রাতে ঘুম হয় না। আমার আগে যারা এই পর্ব শুট করেছেন তাঁরা এতটাই ভাল সেটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে যায়।এই শ্যুটের আগের দিনও বেশ একটা চাপা টেনশন বা এক্সাইটমেন্ট বল কাজ করছিল। আগে লুক সেট হয়েছিল কিন্তু শ্যুটের দিন সকাল থেকেই উঠে ভাবছিলাম সব যাতে ঠিক করে করতে পারি। সকাল ৬টা থেকে শ্যুটিং ছিল।আমি জানি না এর পরে আবার করব কিনা কিন্তু এই বছর আমার অভিজ্ঞতা  খুবই ভাল।  আশা করি মায়ের আশীর্বাদে সবার ভাল লাগবে। ছোটবেলায় হেমা মালিনী'জির দূর্গার সেই দারুন পারফরমেন্স দেখে বড় হওয়া। সেটা কী একবারও মাথায় এসেছিল? হেমা মালিনী'জির এপিসোড  আগে তো ডেফিনিটলি ছোটবেলায় দেখেছিলাম। এবারে শ্যুট করার আগে অবশ্য দেখিনি।তবে আমার আগে এই চ্যানেলে যারা  দুর্গা সেজেছিলেন তাঁদের পারফরম্যান্স গুলো আমি একবার করে দেখে  নিয়েছিলাম। কতটা প্র্যাকটিস করতে হয়েছিল? প্র্যাটিস মেক্স আ ম্যান পারফেক্ট। যত প্র্যাকটিস করবে তত ভালো হবে।স্টান্স করতে আমার এমনিতেই বেশ ভাল লাগে।ইন্ডাস্ট্রির সবাই সেটা জানেন। তো এটাই বলব আমি আমার ১০০% দিয়ে কাজটা করেছি। এখানে প্রচুর স্টান্স করতেও হয়েছে আমাকে। আশা করি সবার ভাল লাগবে। এবারের পুজোটা অন্য পুজোর থেকে একেবারেই আলাদা। কী ভাবে ভাবছো এই বারের পুজোটা? আমি এখনও কিছুই ভেবে উঠতে পারিনি কারণ চারিদিকে যা চলছে মন একেবারেই ভালো নেই।কত মানুষ মারা গেছেন, কত লোকের চাকরি চলে গেছে। সব মিলিয়েই এই বারের বিষয়টা একেবারেই আলাদা। আমার তো পুজোর আগমণী-টাই দারুণ লাগে। কবে কাশ ফুল শিউলি ফুল ফুটবে। কিন্তু এবারে সবই আলাদা।সবার জীবনটাই একটা সংশয়ের মধ্যে রয়েছে।এটাই বলব এবারের পুজোতে  সেই মন ভাল করে দেওয়ার ব্যাপারটা প্রায় কাজ করছে না বললেই চলে। নিজের কেন্দ্রের মানুষের জন্য ঠিক কী করবে ঠিক করছ এই অবস্থায়? আমি এক্ষুনি কাউকে কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে চাইছি না। আমাদের যে টাকা বরাদ্দ থাকে সেটা পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। আমরা নিজেরাই অনেকটা সাহায্য করছি। আমাদের DM, স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বাস্থ দপ্তর সব রকমের সাহায্য করছেন। পশুদের জন্যও আমার একটা NGO আছে সেটাও আমাকে দেখতে হয়। সব মিলিয়ে এইভাবেই মানুষের জন্য যতটা সম্ভব করে যাচ্ছি। ছোটবেলার পুজোর নস্টালজিয়া কতটা কাজ করে? মনে পরে সেই দিনগুলোর কথা? জলপাইগুরিতে পুজোর সময় বেশ ঠান্ডা পরে যেত। নবমীর দিন আমরা সব্বাই ভাই বনেরা দারুন সেজেগুজে  ঠাকুর দেখতে বেরতাম। অনেক রাত অবধি ঠাকুর দেখা হত।আইসক্রিম খাওয়া, রোল, চিপ্স সব চলত দেদার।আমাদের ওখানে খুব ভাল চিকেন কাটলেট পাওয়া যেত।সেটাও খাওয়া হত। দারুন মজা করতাম।আরেকটু ছোট বয়সে বন্দুক দিয়ে ক্যাপ ফাটানো হত।ওটার আবার অন্য মজা ছিল। এই জিনিসগুলো সত্যি মিস করি। এবারে ঠিক কী করবে পুজোতে? দেখ আমি কোনওদিনই পুজো ওপেনিং ছাড়া খুব একটা প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখিনি।বাকি বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে বা বন্ধু বান্ধবের সঙ্গেই সময় কাটে আমার। এইবারটা কী হবে সত্যি সেটা বলা মুশকিল। যদি বলি নতুন কিছু যদি কিনতে হয় সেটা কী কিনবে এবারে পুজোয়? আমার সত্যি কিছু চাই না।শুধু এই রোগের ভ্যাকসিনটা বেরিয়ে যাক আমি সেটাই চাইব। এটাই প্রার্থনা করব, যাদের দুবেলা ঠিক করে খাবার জুটছে না তাদের মা ভালো করুন। যারা অসুস্থ রয়েছেন তাড়াতারি সুস্থ হয়ে উঠুন। আমাকে ভগবান সব দিয়েছেন আমি আার কিছুই চাইনা। হাতে এখন কী কী ছবি রয়েছে? এই বছর আমার চার থেকে পাঁচটা ছবি করার কথা ছিল কিন্তু সব কটাই এই পরিস্থিতিতে সম্ভব নয় বলে শ্যুটিং করা যায়নি। 'sos কলকাতা' আমরা শ্যুট করেছি কারণ ওটা অনেকটাই ইন্ডোর ছিল। লকডাউনের মধ্যেই কন্সেপচুয়ালাইজ করা হয়েছে। সব ছবি তো আর সে ভাবে হবে না। তো দেখা যাক কী হয়। গোটাটাই পরিস্থিতির ওপরে নির্ভর করছে। 'ড্রাকুলা স্যার' ছবিটা হয়ে তো পরে রয়েছে... হ্যাঁ সাংসদ হওয়ার পরে ওটা আমার প্রথম ছবি। রিলিজ করা সম্ভব হয়নি। আমার প্রযোজক মহেন্দ্রো সোনির সঙ্গে কথা হচ্ছিল ঠিক এই বিষয়টা নিয়েই। এটা এমন একটা ছবি যেটা বড় পর্দায় বেশি ভাল লাগবে। দেখা যাক কবে সব সম্ভব হয়। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে কী বলবে? দেখ পুজোতে অল্প বিস্তর আমরা সবাই চাইব বেরোতে আর মায়ের দর্শন করতে। খানিকটা গাড়িতে,বা পাড়ার প্যান্ডেলে।তবে মাস্ক পড়া বা দূরত্ব বজায় রাখাটা আমাদের মেনে চলতেই হবে।এটা আামাদের সকলের দায়িত্ব বলেই আমি মনে করি।
Published by: Akash Misra
First published: August 25, 2020, 8:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर