• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • বেবি ফুডের টিনে বহু বছর ছিলাম, বাবা হওয়ার পর আফতাব শিবদাসানির প্রথম ইন্টারভিউ

বেবি ফুডের টিনে বহু বছর ছিলাম, বাবা হওয়ার পর আফতাব শিবদাসানির প্রথম ইন্টারভিউ

'পয়জন 2' । আফতাব শিবদাসানির ডিজিটাল ডেবিউ। কিন্তু ওয়েব সিরিজ 'বিষ' হলে কী হবে, তাঁর জীবন এখন অমৃতে ভরে আছে!

'পয়জন 2' । আফতাব শিবদাসানির ডিজিটাল ডেবিউ। কিন্তু ওয়েব সিরিজ 'বিষ' হলে কী হবে, তাঁর জীবন এখন অমৃতে ভরে আছে!

'পয়জন 2' । আফতাব শিবদাসানির ডিজিটাল ডেবিউ। কিন্তু ওয়েব সিরিজ 'বিষ' হলে কী হবে, তাঁর জীবন এখন অমৃতে ভরে আছে!

  • Share this:
    শর্মিলা মাইতি 
    'পয়জন 2' । আফতাব শিবদাসানির ডিজিটাল ডেবিউ। কিন্তু ওয়েব সিরিজ 'বিষ' হলে কী হবে, তাঁর জীবন এখন অমৃতে ভরে আছে!
    এখন তিনি লন্ডনে। সদ্য বাবা হয়েছেন। ফুটফুটে এক সুন্দরী শিশুকন্যা এসেছে ঘর আলো করে। তাকে নিয়েই ব্যস্ততা। তার মধ্যেই সময় বের করে বসলেন জ়ুম মিটিংয়ে। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা 7.30 ।
    সবে চল্লিশোর্ধ তকমা লেগেছে গায়ে। তবু এখনও 'মস্ত' ছবির সেই একুশ বছরের সুপারহিট নায়কের চেহারায় এতটুকু বদল আসেনি। অসম্ভব হ্যান্ডসাম। ত্বক উজ্জ্বল, চকচকে। আর হাসিটা এখনও মুক্তো ঝরানো।
    কনগ্র্যাচুলেশনস প্রাউড পাপা! এখন রাত জাগছেন অন্য কারণে... হাসলেন আফতাব, "ও এখনও ছোট্ট। আমার স্ত্রী সারা দিন ওকে নিয়ে পড়ে আছেন। রাতটা তাই আমার পালা। আমার মেয়ের হাসি-কান্নাই এখন আমার জীবনের সবকিছু। রাত জেগে দেখি কখন আমার মিষ্টি মেয়েটা কেঁদে ওঠে।"
    আসলে আপনার কেরিয়ারটাও তো চোদ্দ মাস বয়স থেকে শুরু। "তখনকার কথা কিছুই মনে নেই (হাসি) শুধু এটাই বলতে পারি, ফ্যারেক্স বেবি ফুডের টিনে আমার বাচ্চা বয়সে ছবিটা বহু বছর ধরে ছিল। তার পর তিনশোর বেশি কমার্শিয়াল করেছি। বিজ্ঞাপনের মুখ হিসেবে আমি পরিচিত ছিলাম। অমিতাভ বচ্চন স্যরের ছেলেবেলার চরিত্র শাহেনশা, ইনসানিয়ত। তারপর মিস্টার ইন্ডিয়া। কিন্তু সেই ফেজটা তো অন্য। আসল চ্যালেঞ্জ ছিল হিরো হিসেবে ডেবিউ। প্রথম ছবিতেই সুপারহিট নায়ক হয়ে যাওয়া। মনে আছে কলকাতায় এসে দেখলাম আমার জন্য জনস্রোত, পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পড়ছে । বেশ ঘাবড়ে গেলাম। "
    আপনার কেরিয়ারে চড়াই উৎরাই আছে। কখনও মনে হয়েছে যে সাফল্য আর ব্যর্থতা দুটো পিঠ দেখলে তবেই মানুষ হিসেবে সফল হওয়া যায়, " চূড়ান্ত সাফল্য আর চরম ব্যর্থতা, দু'টোর জন্যে প্রস্তুত থাকতে হয়। জীবনের যেকোনও মুহূর্ত থেকেই শিখতে হয় অভিনেতাকে। কসুর সুপারহিট হয়েছিল। কয়া ইয়েহি প্যায়ার হ্যায়, মস্তি সিরিজ সুপারহিট হয়েছিল। কিন্তু তাও মনে হয়, আমার আরও চরিত্র পাওয়ার দরকার ছিল, যা আমার জন্যে প্রোডিউসাররা ভাবতে পারতেন।"
    আপনার সবচেয়ে বড় সাপোর্ট সিস্টেম কী ছিল? "এক কথায়, আমার কোনও সাপোর্ট সিস্টেম ছিল না। আমার মাথার উপরে কারওর হাত ছিল না। তবে হ্যাঁ, আমার লঞ্চপ্যাড খুব বড় ছিল। রামগোপাল ভর্মার ছবি, পাশে উর্মিলা তখন সুপারহিট হিরোইন। এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার থাকতে পারে না একজন অভিনেতার কাছে।
    জীবনটা অনেক বড়,  কিন্তু একজন অভিনেতা সবসময়ে কি একাই থেকে যান? সুশান্ত সিং রাজপুত,  এক হিট ছিল নায়ক চলে গেলেন অকালে, ফরাজ খান এককালের সুপারহিট নায়ক আজ লড়ছেন আইসিইউ তে, চিকিৎসার টাকা নেই... এসব আপনাকে কী শেখায়? "আমরা কি সবাই একা নই? আমি পৃথিবীর বহু প্রান্তে একা ট্রাভেল করেছি। আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার আগে। একা হওয়া মানেই ডিপ্রেশন নয়, একা অনেক ক্ষেত্রেই সোল-সার্চিং এক্সপেরিয়েন্স। নিজের সঙ্গে, নিজের মধ্যে কী আছে তার সন্ধান করা। সুশান্তের সঙ্গে আমার ভালই পরিচয় ছিল। আমরা একসঙ্গে জিমে যেতাম গল্পও হত অনেক। ফিজিক্স নিয়ে এত গভীর আলোচনা তো অন্য কেউ করে না। বেশির ভাগ অভিনেতাই সেল্ফ অবসেসড। এর মৃত্যু  আমার কাছে এখনও শকিং। বিস্ময়কর।" আপনার নতুন প্রোডাকশন হাউসে কী উপহার দিতে চলেছেন? "আমার স্ত্রীর অবদান এখানে সবচেয়ে বেশি। দুজনের পার্টনারশিপে কোম্পানি। অনেক ছবিই পর পর আসবে। তৈরি থাকুন। আপনাকেই বলব।" হাসলেন আফতাব। তৃপ্তির হাসি।
    Published by:Akash Misra
    First published: