‘উপযুক্ত পাত্রী থাকলে মায়ের কাছে ছবি পাঠান ’: সাহেব ভট্টাচার্য

‘উপযুক্ত পাত্রী থাকলে মায়ের কাছে ছবি পাঠান ’: সাহেব ভট্টাচার্য

শ্রাবন্তীর সঙ্গে জুটি বেঁধে নতুন উড়ান শুরু করছেন সাহেব ভট্টাচার্য। নতুন বছরে কাজ, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একান্ত আলাপচারিতায় সাহেব।

  • Share this:

২০২০ তে পা দিলেন ৷ শেষ ১০ বছরের দিকে তাকিয়ে কেমন লাগছে ?

সাহেব : ১০ বছর আগেই সম্ভবত প্রথম বড় পর্দায় কাজ শুরু করেছিলাম। সন্দীপ রায়ের পরিচালনায় গোরস্থানে সাবধানে টপসের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলাম। এই ১০ বছরের জার্নি তা সত্যি মনে রাখার মতো । সমৃদ্ধ হয়েছি দারুণ ভাবে। অনেক সুযোগ পেয়েছি, হারিয়েছি। নতুন বন্ধু পেয়েছি, কাছের বন্ধু হারিয়েছি।

এই জার্নি র তিনটে টার্নিং পয়েন্ট কি হতে পারে ?

সাহেব : প্রথম টার্নিং পয়েন্ট গানের রিয়্যালিটি শো তে সঞ্চালনা করা, এর পরে পরেই খেলার শো তেও সঞ্চালনা করা।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত অবশ্যই ফেলুদার ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তোপসে হওয়ার সুযোগ পাওয়া।

তৃতীয় টার্নিং পয়েন্ট এখনও আসেনি । আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই সেটা বাস্তবায়িত হবে, তখন জানাবো নিশ্চিত।

সাহেব তোমার বরাবরই একটা অভিযোগ ছিল তোমায় সেভাবে কাজে লাগানো হয় না , এবার শ্রাবন্তীর সঙ্গে প্রথম জুটি বেঁধে কাজের প্রস্তাব...

সাহেব: আমাদের অভিনেতা হিসেবে সুযোগ দেওয়ার কাজ পরিচালকদের। ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ট্রেন্ড আছে চেনা জুটি বা চেনা মুখদের নিয়েই হতে বন্ধ কাজ করা। কেনো বুঝতে পারি না। পরিচালকরা যতটা আমাদের চ্যালেঞ্জ করবেন ততটাই আমরা সেটা নিয়ে এগোতে পারব। সাহেবকে নিয়ে বানিজ্যিক ছবি করব ব শ্রাবন্তীকে নিয়ে অফ বিট ছবি করব এমন ভাবনা ভাবতে হবে পরিচালককে। তবে নতুন পরিচালকরা ট্রেন্ডটা অনেকটাই পাল্টে ফেলেছেন। বাংলা ছবির নাটক নায়িকাদের সাম্প্রতিক ছবির তালিকা দেখলেই তা বোঝা যাবে । তাই পরিচালকরা এই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে লুফে নেব নি:সন্দেহে।

সাহেব একটা সময় ক্রিকেটার হতে চাইতে, অভিনয় বেছে নেওয়ায় কোনও আক্ষেপ নেই ?

সাহেব : একদমই না। জুনিয়র লেভেলে অনেক দূর অবধি খেলেছি তাও মনে করি অভিনেতা হওয়ারই কথা ছিল আমার। ফুটবলার হয়নি বলে বরং আরও খুশি হয়েছি। ভালো খেললে বলতো বাবা সুব্রত ভট্টাচার্য, আর খারাপ খেললে বলত জামাই বাবু এত বড় ফুটবলার আর আমি কি করছি।

তাই যা হয়েছে ভালই হয়েছে। অভিনেতা হিসেবে মানুষের যে ভালোবাসা পাই সেটা কে উপেক্ষা করি কি করে। পারিশ্রমিক তো দরকার নিশ্চয় তবে ভালোবাসার কোনও তুলনা হয় না ।

উড়ান নিয়ে কতটা আশাবাদী?

সাহেব : ছবিটার মধ্যে একটা পোয়েটিক ব্যাপার আছে। পরিচালক ত্রিদিব বর্মন প্রথম ছবি তে বেশ ভালো কাজ করেছেন বলে মনে করি। আমার রোমিত চরিত্রটাও মানুষের ভালো লাগবে।

 নতুন বছরে কোনও লক্ষ্য স্থির করেছ ?

সাহেব: অভিনেতা হিসেবে আরো ভালো ভালো কাজ করতে চাই। বিশেষ করে বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ করতে চাই। ওয়েব, থিয়েটার, সিনেমা করছি। আশা করি অন্য ভাষায় কাজ করব এবার।

মা অবশ্য রেসুলিউশন ঠিক করে নিয়েছে। উঠেপড়ে লেগেছে আমার বিয়ে দিতে। বন্ধুরাও পিছনে পড়ে আছে। এলিজিবল পাত্রী থাকলে মায়ের কাছে ছবি পাঠিয়ে দেবেন।

First published: 10:23:44 PM Jan 16, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर