corona virus btn
corona virus btn
Loading

"মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আমি যথেষ্ট চিন্তিত !"- রুদ্রনীল ঘোষ

বাড়িতে বলতে গেলে একাই থাকেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। একজন আছেন যিনি সবটা সামলান। বাকি পরিবারের সদস্য বলতে আর কেউই নেই টালিগঞ্জে রুদ্রর ফ্ল্যাটে। কিভাবে দিন গুজরান তাঁর? খোঁজ নিলাম আমরা।

  • Share this:

#কলকাতা: বাড়িতে বলতে গেলে একাই থাকেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। একজন আছেন যিনি সবটা সামলান। বাকি পরিবারের সদস্য বলতে আর কেউই নেই টালিগঞ্জে রুদ্রর ফ্ল্যাটে। কিভাবে দিন গুজরান তাঁর? খোঁজ নিলাম আমরা।

একাই তো থাকেন এই মস্ত ফ্ল্যাটে..... কী করেন সারাদিন?

রুদ্রনীল: বিশেষ কিছু না। সকালে উঠে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে খবরের চ্যানেলে একটু চোখ রাখা। তার পরে, কয়েকটা জিনিস যেগুলো পারি, যেমন ছবি আঁকা বা লেখালিখি করা সেগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকি। কারণ এই সময়টা মানুষর মনোরঞ্জনের আর কোনও পথ নেই। তাই আমাদের ক্রিয়েটিভিটির মাধ্যমে তাঁদের যদি মনটা অল্পও ভালো করা যায় সেটাও অনেক।

ইনস্টাগ্রামে ছবি দেখলাম আপনি হাতে খুন্তি ধরে। রান্নাটাও কি ভাল পারো?

রুদ্রনীল: হ্যাঁ, রান্নাটা আমি ভালোই পারি। শুধু শুক্তোটা পারিনা কারণ কোনোদিন ট্রাই করিনি আর পোস্ত দিয়ে যে রান্নাগুলো হয় সেগুলো কোনোদিন মন দিয়ে দেখিনি তাই পারিনা। বাকি সবই পারি। ডাল,ভাত, মাছ, মাংস নানা রকমের ডালনা সবটাই জানি। ভাজা তো ডেফিনিটলি পারি।

এই সময় কী তাহলে বাঙালির পাঁচ রকমের আইটেমই হচ্ছে বাড়িতে?

রুদ্রনীল: নানা সেটা এখন সত্যি হচ্ছেনা। আমি এমনিতে সিম্পল খাবারই বেশি পছন্দ করি। যেমন ভাত, ডাল একটা কোনও শাক ভাজা বা অন্য কেনও বাজা,একটা কোনও মাছের পদ বা ডিম এই খাচ্ছি। শুধু মাছের রেসিপি বা ডিমের রেসিপিটা চেঞ্জ হচ্ছে।

আমাদের চ্যানেলে আপনি মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বেশ কিছু চিন্তার কথা বলেছেন...

রুদ্রনীল: আসলে দেখো আমার সত্যি মনে হয়ে যে মানুষটার কথায় সব মানুষ ভরসা করেন বা যার কথা শোনেন তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি টিভিতে দেখেছি তিনি নিজে সব মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন। মাস্ক পরে থাকলেও আমার মনে হয়ে তাঁর এখন যা বয়স সেখানে আমার একটাই চিন্তা হচ্ছে যে ওনার না কিছু হয়ে যায়।আমি জানি ওনার মানসিক জোর ভীষণ বেশি। কিন্তু ওনার প্রতি কনসার্ন থেকেই বলছি যারা ওনার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লেভেলের বা ওনার দলের যারা আরেকটু কম বয়সের ভরসা যোগ্য ব্যক্তি রয়েছেন তাদের ফ্রন্ট লাইনে আনা উচিত বলে আমি মনে করি।কারণ উনি তো কাজ থামাবেন না। কিন্তু উনি যদি সাত দিনের জন্যেও রেস্টে চলে যান তাহলে সব কিছু হয়তো থমকে যাবে। আমার মা হলেও আমি বারন করতাম।

আপনি তো বেশ অনেকটাই অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন দেখলাম.....

রুদ্রনীল: হ্যাঁ আমার মনে হয় এই সময় আমাদের যতটা সম্ভব সাহায্য করা উচিত।এটা ভেতর থেকে যে কোনও কারুরই করা উচিত।আর আমি যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি পোস্ট করেছি সেটা নিজের প্রচারের জন্য নয় বরং এটা যাতে একটা ইনস্পিরেশনের কাজ করে সেই কথা ভেবেই ছবিটা পোস্ট করা।

পরম, কাঞ্চন যীশু। আপনারা খুব ভিডিও কলে কথা বলছেন?

রুদ্রনীল:কি গল্প চলছে এতো.... আমার সবাই একটাই আলোচনা করি কিরকম ভাবে সারাটা দিন কাটালাম.(বলে জোরে হাসি)যেমন পরম গিটার বাজাচ্ছে কিন্তু সামনে শ্রোতা না পেয়ে, তাঁর যে বাড়িতে সব দেখাশোনা করেন, সেই দিদির তিন মাসের শিশু, সেই তখন ওর শ্রোতা। ওদিকে কাঞ্চনকে দেখতে হয়ে গেছে কোরিয়ান ছবির বৃদ্ধ ভিলেনের মতন। আবার কার কটা সাদা চুল বা দাড়ি দেখা যাচ্ছে সেই নিয়েও কথা হচ্ছে। এখন তো আবার কালার করার উপায়ও নেই। আমিই রোজ ক্লিন শেভ থাকছি বলে প্রচুর গালাগালি খাচ্ছি। কিন্তু হ্যাঁ সব কিছুর পরেও সবার কিন্তু একটা চিন্তা রয়েছেই। এই বিপদ থেকে কবে আমরা মুক্তি পাবো।

এখন কি মনে হচ্ছে বিয়েটা করে নিলে ভাল হতো? রুদ্রনীল: নানা এরকম একদমই ভাবছিনা। তার কারণ দিনের পাঁচ- ছ ঘন্টা বাদ দিলে, আমি একা সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করি। আমি নিজের বাড়িটা খুবই ভালোবাসি।অনেক বন্ধু আসে আড্ডা মারতে কিন্তু সেটা এখন ভার্চুয়াল আড্ডাতে পরিনত হয়েছে।( বলেই বেশ খানিকটা চুপ রুদ্রনীল)।

কী বলবেন সাধারণ মানুষকে?

রুদ্রনীল:নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে আপনাকে হয়তো খানিকের জন্য বেরোতেই হবে। কিন্তু বাজারের ব্যাগ ঝুলিয়ে প্লিস গল্পটা করবেন না। আপনি নিজেও বিপদে পড়বেন অন্যকেও বিপদে ফেলবেন।

First published: April 6, 2020, 6:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर