একের পর এক হিন্দি গান, নেটদুনিয়া মাতাচ্ছে বাংলার মেয়ে চাঁদমনি

জুদাইয়া বে-এর রেকর্ডিংয়ে চাঁদমনি।

শ্যাম হাঁসদা ছাড়াও চাঁদমনির পাশে আছেন বহু মানুষ। নেটদুনিয়ায় গত কয়েক মাসে বারবার মুখে মুখে ফিরেছে তার গাওয়া ও হামসফর গানটি।

  • Share this:

    #হুগলি: বয়স ১৫। হুগলি জেলার একরত্তি মেয়ে চাঁদমনি হেমব্রম এখন হিন্দি গানের দুনিয়া কাঁপাচ্ছে। সম্প্রতি সুরকার অ্যায়সান আদ্রির জুদাইয়া বে গানটিও রেকর্ড করে শিরোনামে চাঁদমনি। লকডাউনের মধ্যে সুরকার পঞ্জাব থেকে কলকাতায় এসে রেকর্ড করেছে এই গান। গানটির টিজারও লঞ্চ করেছে সম্প্রতি।

    চূঁচূড়ার পাণ্ডুয়া থানার প্রত্যন্ত গ্রাম মুল্টি। সেখানেই থাকেন চাঁদমণি। বাবা মারা গিয়েছে বহু আগেই। মা দিনমজুরি করে। নেই কোনও তথাকথিত গানের ট্রেনিং। লড়াই করে বাঁচা চাঁদমনির একমাত্র অবলম্বন ছিল এফএম রেডিও। সেখানেই শুনে শুনে সে একের পর এক গান তোলে। তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় লকডাউন।

    গত  ৬ মে নেহা কক্করের গাওয়া গান ও হামসফর গেয়েছিল চাঁদমনি। সেই সময়ে গ্রামে ত্রাণের কাজে আসা এক শিক্ষক শ্যাম হাঁসদার কল্যাণে সেই গান পৌঁছয় দুর্গাপুরের বাসিন্দা চিরঞ্জিৎ ধীবরের কাছে। এই পোস্ট ভাইরাল হতেই চাঁদমনিকে ডেকে নেন সুরকার অ্যায়সান। কিন্তু লকডাউনে সে ভিনরাজ্যে পারি দেবে কী করে! অ্যায়সান আদ্রি ঝুঁকি নিয়ে নিজেই কলকাতা চলে আসেন তার গান রেকর্ড করতে। জুদাইয়া বে গানটি লিখেছেন আরবান স্বরাজ।

    শ্যাম হাঁসদা ছাড়াও চাঁদমনির পাশে আছেন বহু মানুষ। নেটদুনিয়ায় গত কয়েক মাসে বারবার ভাইরাল হয়েছে তার গাওয়া ও হামসফর গানটি। রবীন্দ্রজয়ন্তীর উদযাপনের ভিড়েও তার গান আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। একেকটি ভিডিওতে দর্শকের সংখ্যা ১ লক্ষেরও বেশি। অনেকে তাকে জুনিয়ক নেহা কক্করও বলতে শুরু করেছে। চাঁদমনির একটাই আশা. পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তার গান ভাত তুলে দেবে পরিবারের মুখে। মায়ের ভাগ্যটুকু ফিরবে।

    Published by:Arka Deb
    First published: