• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • GOSSIP DIRECTORS USED TO CALL ME IN THEIR ROOM AND LOCK IT EXPLOSIVE QUOTE FROM RAKHI SAWANT PBD

স্বল্পবসনা সেক্সি ইমেজের রাখিও কাঁদছেন পুরনো কথা ভেবে,কারণ তাকেও ঘরে আটকে রেখে পরিচালক যা করেছিলেন...

রাখি নিজে যথেষ্ট সাহসী৷ বোল্ড অবতারে তাকে দেখেই অভ্যস্ত সকলে৷ সেক্সি ইমেজ নিয়ে চলা রাখিকে নিয়ে অনেকেই অনেক বিরূপ মত পোষণ করেন৷

রাখি নিজে যথেষ্ট সাহসী৷ বোল্ড অবতারে তাকে দেখেই অভ্যস্ত সকলে৷ সেক্সি ইমেজ নিয়ে চলা রাখিকে নিয়ে অনেকেই অনেক বিরূপ মত পোষণ করেন৷

  • Share this:

    #মুম্বই: মিটু মুভমেন্ট শুরু হয়েছে অনেকদিন৷ অনেক পরিচালক, প্রযোজকের নাম উঠে অসেছে তাতে৷ কখনও অভিযোগ এনেছেন কোনও অভিনেত্রী বা অন্য মহিলা কর্মী৷ এবার সেই দলে সামিল হলেন রাখি সাওয়ান্ত৷ তিনি নিজেই শোনালেন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা৷ তিনি জানালেন যে কেরিয়ারের প্রথমদিকে পরিচালকেরা তাকে ঘরে ঢেকে দরজা বন্ধ করে দিতেন৷ নিজের ৪১ তম জন্মদিনের পর এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের সঙ্গে তার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই আইটেম গার্ল৷

    রাখি নিজে যথেষ্ট সাহসী৷ বোল্ড অবতারে তাকে দেখেই অভ্যস্ত সকলে৷ সেক্সি ইমেজ নিয়ে চলা রাখিকে নিয়ে অনেকেই অনেক বিরূপ মত পোষণ করেন৷ অনেক সময়ই নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য বিদ্রুপের স্বীকার হন৷ তাকে নিয়ে ব্যাঙ্গও কম হয় না৷ কিন্তু সেই রাখিই আজ কাঁদছেন৷ তিনি বলছেন যে একসময় তার পরিবার খুবই গরিব ছিল৷ তার মা হাসপাতালের পরিচারিকার কাজ করতেন৷ সেখান থেকে লড়াই করে তার উঠে আসা৷

    আরও পড়ুনবহুদিন ছেড়েছেন অভিনয়, এখন কেমন দেখতে হয়েছেন সুপারহিট নায়িকা মিঠু মুখোপাধ্যায়?

    বলিউডের কাজ করার অদম্য ইচ্ছা থেকেই হিন্দি ছবির জগতে পা দেওয়া৷ কিন্তু তিনি বলছেন যে তার নাম ছিল নীরু ভেদা৷ সেই নাম তাকে পাল্টাতে হয়েছে৷ তিনি বলেছেন যে শুরুর দিনগুলোয়ে কোনও রকম শ্যুটের পর পরিচালক তাকে ডাকতেন এবং কায়দা করে বন্ধ করে দিতেন সেই ঘরের দরজা৷ কিন্তু তিনি নিজেই স্পষ্ট করেছেন যে কোনও পরিচালকের দয়ায় নয়, তিনি যতটুকু খ্যাতি পেয়েছেন তা নিজের কাজের জন্য৷ রাখির এই বয়ানের পর আরও একবার সামনে চলে এল বলিউডের কালোদিক৷

    এখন রাখি বিবাহিত৷ নিজেই ঘটা করে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন৷ মোটা করে সিঁদুর পরেন তিনি৷ তবে কোনওভাবেই নিজের স্বামীকে সামনে আনেন না৷ তিনি জানিয়েছেন যে তার স্বামী খুবই লাজুক৷ তাই ক্যামেরার সামনে আসতে চান না৷

    First published: