অনুষ্কাকে প্রেম নিবেদনে বিরাটকে গান গেয়ে সাহায্য ধোনির! ভিডিও ভাইরাল

দমফাটা হাসির এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশাল মিডিয়ায়।

দমফাটা হাসির এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশাল মিডিয়ায়।

  • Share this:

#মুম্বই: কিশোর কুমারের  গলায় মেরে সামনে ওয়ালি খিড়কি মে গানটি ষাটের দশকে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছিল। পড়োসন (Padosan) ২০২১ সালে সেই গান ফিরল একটু নতুন আঙ্গিকে। কিশোর কুমার ও সুনীল দত্তের (Sunil Dutt) জায়গায় বসানো হয়েছে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও এম এস ধোনির (MS Dhoni) মুখ। আর সায়রা বানুর (Saira Banu) জায়গায় অনুষ্কা শর্মা (Anushka Sharma)। দমফাটা হাসির এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশাল মিডিয়ায়।

রাহুল দেব বর্মণের (Rahul Dev Burman) সুরে সমৃদ্ধ এই সিনেমার এই আইকনিক গান আজও স্মরণীয়। আর এই গানেই ধোনি ও কোহলিকে দারুণ ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভিডিওটি দেখলে মনে হয়, Deepfake টেকনোলজিকে এক আলাদা মাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভিডিওর প্রথমে ধোনিকে গান গাইতে দেখা গিয়েছে। তার পর দেখা গিয়েছে যে গানে গলা মেলাচ্ছেন কোহলি। ভিডিওটিতে গান গেয়ে সায়রা বানু অর্থাৎ ফেক অনুষ্কাকে ইমপ্রেস করার চেষ্টা করছেন কোহলি। তবে মজার বিষয়টি হল হেয়ার স্টাইল। সিনেমায় অভিনেতাদের যে হেয়ার স্টাইল ছিল, সেই একই হেয়ার স্টাইল রাখা হয়েছে ফেক ধোনি ও কোহলির মুখে।

ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি। ট্যুইটার (Twitter) , ইনস্টাগ্রাম (Instagram), ফেসবুক (Facebook) থেকে শুরু করে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় তা শেয়ার করেছেন ফ্যানেরা। প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে। ভিডিওটি যিনি তৈরি করেছেন, তাঁর উদ্দেশ্যে এক ইউটিউব (YouTube) ইউজার লিখেছেন, আমি জানি না আপনি কে, কী ভাবে এই ভিডিও তৈরি করেছেন, সেটাও জানতে চাইব না। তবে এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এই প্রশংসা ভাষায় প্রকাশ করে যাবে না। আর এক ব্যবহারকারী একধাপ এগিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। ভিডিও ক্লিপে যুজবেন্দ্র চহাল (Yuzvendra Chahal), যশপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah) ও হার্দিক পাণ্ড্যের (Hardik Pandya) মুখ জোড়ার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রয়োজনে চতুরনার গানের উপরেও একটি ক্লিপ বানানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে মেহমুদের (Mehmood) জায়গায় ক্রিস লিনের (Chris Lynn) মুখ জুড়ে দেওয়া যেতে পারে।

নেটিজেনদের একাংশ আবার এই ভিডিও প্রস্তুতকারীর কাছ থেকে টিউশন চেয়েছেন। অনেকে লিখেছেন, যদি ক্রিকেটাররা এই ভিডিও দেখেন, তা হলে তাঁদের কী প্রতিক্রিয়া হবে? এ নিয়েও বিস্তর মজা চলেছে।

প্রসঙ্গত, এই ভিডিওর পিছনে রয়েছে ডিপফেক (Deepfake)। এটি একটি সিন্থেটিক মিডিয়া টেকনোলজি। সাধারণত মেশিন লার্নিং ও আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ব্যবহার করে অরিজিনাল ভিডিওর মুখগুলির জায়গায় অন্য যে কোনও মুখ বসানো যায়। সম্প্রতি দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এটি। এই সূত্রে অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটরও লাইম লাইটে উঠে এসেছেন।

Published by:Piya Banerjee
First published: