Exclusive: দেব আর আমার মা দারুন বন্ধু, ওরা আমাকে একদম সিরিয়াসলিই নেয় না! : রুক্মিণী

Exclusive: দেব আর আমার মা দারুন বন্ধু, ওরা আমাকে একদম সিরিয়াসলিই নেয় না! : রুক্মিণী

প্রথমবার নিজের কমফর্ট জোনের বাইরে আবিরের সঙ্গে জুটি বাঁধলেন রুক্মিণী মৈত্র।

  • Share this:

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন ২০১৭ সালে। এখনও অবধি ৫টি ছবিতে কাজ করেছেন। সবই দেবের বিপরীতে। এবারে প্রথমবার নিজের কমফর্ট জোনের বাইরে আবিরের সঙ্গে জুটি বাঁধলেন রুক্মিণী মৈত্র। জিতের প্রযোজনায় ‘সুইৎজারল্যান্ড’-এ কাজ করছেন। সত্যি কি টেনশন হচ্ছে নাকি সাবলীল সবটাই? এক্সক্লুসিভ রুক্মিণী মৈত্র নিউজ ১৮ বাংলায়।

প্রথম বার দেবকে ছেরে কাজ করছ। কতটা টেনশন  হচ্ছে?

#রুক্মিণী: অনেস্টলী স্পিকিং আমি সত্যি খুব একটা নার্ভাস নই ৷ তার কারণ আমি আজ তিন বছর ছবি করছি কিন্তু আমি গত দশ বছর ধরে মডলিং করেছি। সেই প্রফেশনালিজমটা আমার আছে। অনেক মেল মডেলের সঙ্গেও কাজ করেছি। তাই খুব একটা প্রবলেম নয় এটা আমার কাছে।

অফারটা কি ভাবে এসেছিল?

রুক্মিণী: এই ছবিটা প্রথম নয়, এর আগেও জিৎ দেবকে বলেছিল আগের দুটো ছবির জন্য। 'বাচ্চা শ্বশুর'আর 'শেষ থেকে শুরু'র জন্যেও আমাকে বলা হয়েছিল কিন্তু আনফর্চুনেটলি আমি এতটাই ব্যস্ত ছিলাম 'কিডন্যাপ' আর 'পাসওয়ার্ড' নিয়ে ডেট দিতে পারিনি। এইটা তৃতীয় বার যে জিতের হাউস থেকে আমাকে যোগাযোগ করা হয়। থার্ড টাইম ইট ওয়াস লাকি ফর বোথ অফ আস।

আবির কি বলছে? কমফর্ট জোন তৈরি হয়েছে?

রুক্মিণী: ও ভীষণ চেষ্টা করে যাতে আমি কমফর্ট ফিল করি। আমি এখনও অতটা ভালো ক্যামেরা বুঝি না সেটা আমাকে সাহায্য করে। আাবির একজন অ্যাকমপ্লিশড অভিনেতা। ও আমাকে সব রকম ভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করে। ওর থেকেও আমার অনেক কিছু শেখার সুযোগ হচ্ছে। আর আবিরের সঙ্গে আমি আগেও একটা মডেলিং আ্যসাইনমেন্ট করেছি। সো এটা আমাদের দ্বিতীয় কাজ।

ফার্স্ট লুক এ দেখা যাচ্ছে তুমি দুই সন্তানের মায়ের চরিত্রে রয়েছ।কেরিয়ারের এই স্টেজ প্রবলেম হলো না এই চরিত্র প্লে করতে?

রুক্মিণী: অনেকে বলেছিল কেরিয়ারের শুরুতেই এই চরিত্রটা করছ? কিন্তু দেখো আমি অলরেডি একটা অ্যালকোহলিকের চরিত্র করেছি , টেররিস্ট,আ্যন্টি হিরো করেছি তাই আমার না ওই ইনহিবিশন্স গুলো নেই। আমার যে চরিত্রটা করতে ভালো লাগে, যেটা করে আমি তৃপ্তি পাবো আমি সেটাই বেছে নিই। আমার কাজটা ১০০ % ঠিক করাটাই আমার কাছে প্রায়োরিটি।

'গোলন্দাজ' আর 'সুইৎজারল্যান্ডের' স্ক্রিপ্ট একসঙ্গে রেখে একটা ছবি পোস্ট হয়েছিল। কতটা কাজ নিয়ে এক্সচেঞ্জ হয় তোমাদের মধ্যে ?

রুক্মিণী: হ্যাঁ দুজনের ছবির লুক এক সঙ্গে বেরিয়েছে,আমাদের দু’জনেরই এটা ভীষণ পসিটিভ একটা সাইন মনে হয়। ইটস লাইক আ জার্নি টুগেদার। উই আর ভেরি গুড ফ্রেন্ডস ফার্স্ট। আমরা কাজ নিয়ে আলোচনা করি অন আ ভেরি পসিটিভ নোট। আমি সত্যি সিনেমার অতো কিছু বুঝি না তাই আমি স্ক্রিপ্ট পেলেই মাকে শোনাই। মা আমাকে বলেন গল্পটা কেমন লাগছে আর দেব তো আমার ফ্রেন্ড ফিলোসফার আ্যন্ড গাইড। ওতো পুরোটাই দেখে। আমার কোনো লজ্জা নেই এটা স্বীকার করতে।

ছবি নিয়ে তোমার মায়ের সঙ্গে দেব আলোচনা করে?

রুক্মিণী: মা আর দেব খুব ভাল বন্ধু।আমি আর দেব যত ভাল বন্ধু তার থেকেও বেশি বন্ধু আমার মা আর দেব আর তাতে আমি মাঝে মধ্যে বেজায় চোটে যাই।ওরাতো আমাকে সিরিয়াসলিই নেয় না।ওরা কত আলোচনা করে যেখানে আমাকে রাখেই না (বলেই জোরে হাসি)আমি অর্ধেক সময়ই বাদ। ওরা আমার ছবি নিয়ে আলোচনা করে না কিন্তু দেবের ছবি নিয়ে ভালো মতন আলোচনা হয়।ছবি নিয়ে কত কি দেব আমার আগে মাকে পাঠিয়ে দেয়।পরে আমাকে। (বলেই জোরে হাসি )

কদিন আগে দেব বিয়ের কার্ড পোস্ট করেছিল? তুমি কি করছিলে সেই সময়?

রুক্মিণী: আমি জানতাম ও এরকম একটা কিছু করতে চলেছে। আমাদের দুজনেরই সেন্স অফ হিউমার সত্যি ভাল। সো আমি যখন শুনলাম যে এরকম হচ্ছে ইট ওয়াস ওকে উইথ মি। উই আর ভেরি রিল্যাক্সড পিপল দ্যাট ওয়ে।

আসল বিয়েটা কবে?

রুক্মিণী: দাঁড়াও সুইৎজারল্যান্ডা আগে যাই তার পরে বিয়ে নিয়ে ভাববো। এইতো সবে ছবি করা শুরু করলাম। বিয়ে এখন অনেক দূর কি বাত। (বলেই আবারও জোরে হাসি )

First published: February 6, 2020, 10:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर