কেন্দ্র সামলানোর সঙ্গে নতুন ছবিতে অভিনয়, Exclusive ইন্টারভিউ মিমি চক্রবর্তীর

কেন্দ্র সামলানোর সঙ্গে নতুন ছবিতে অভিনয়, Exclusive ইন্টারভিউ মিমি চক্রবর্তীর

নতুন ছবি ড্রাকুলা স্যারের হাত ধরে সেলুলয়িডে ফিরলেন সাংসদ মিমি

  • Share this:

#কলকাতা: তিনি মিমি চক্রবর্তী।এতদিন আপনি তাঁকে যে ভাবেই চিনে থাকুন না কেন এখন তো তাঁর নামের সঙ্গে জুড়েছে ভারী ডেসিগনেশন। তিনি এখন সাংসদ। এক বছর ব্রেক নিয়েছিলেন নিজের অভিনয়ে থেকে। কিন্তু এবারে আবারও কাজে ফেরা। নতুন ছবি ড্রাকুলা স্যারের হাত ধরে সেলুলয়িডে ফিরলেন সাংসদ মিমি।কতটা চ্যালেঞ্জ দুট দায়িত্ব পালন করা?সেই নিয়েই এক্সক্লুসিভ মিমি নিউজ ১৮ বাংলাতে।

সময় বার করতে পারছো? তুমি তো এখন সাংঘাতিক ব্যস্ত থাকো। মিমি: আমি বলব ইউ আর নেবার টু বিজি। যদি ম্যানেজ করতে পারো তাহলে বিজিনেসের মধ্যেও অনেক কিছু সামলানো যায় যেটা এখন আমি করছি...তো আমি সেটাই বলবো সবই সম্ভব হয়। স্ট্রেসটা একটু বেশি পরে বটে,কিন্তু হয়ে যায়।

কেমন ফিলিং হচ্ছে বলতো এতদিন বাদে নিজের ভালোবাসার কাছে আবার ফিরে আশা মানে ক্যামেরার সামনে...এটা কি খুব থ্রিলিং? মিমি: থ্রিলিং বলব না।বলব অনেকদিন পরে বাড়ি ফেরা। তুমি যদি অনেক দিন বিদেশে থাকো তার পরে বাড়ি ফিরে যদি মাকে বলো একটু আলু ভাতে আর ঘি খাবো এটা ঠিক সেরকমই আনন্দ। এটা কমফর্ট জোনের মতন। এখানে তুমি সবাই কে চেনো,কাজটা ভালো করে জানো। কি করে বেটার করতে হবে জানো,তাই এটা তো সত্যি ভালোলাগার জায়গা। আজ আমি যা তা তো এটার জন্যই। সাংসদ পরে হয়েছি কিন্তু আমি আগে অভিনেত্রী ছিলাম আছি। এটাতো কেউ আমার থেকে কেড়ে নিতে পারবেনা। সো ইটস আ গ্রেট ফিলিং।

এই ছবিটাই বেছে নিলে কেন?এর আগেও নিশ্চই অনেক অফার এসেছে? মিমি: হ্যাঁ এর আগেও অনেক অফার এসেছে কিন্তু আমি নিজের সময় নিচ্ছিলাম।আমি মনি- দাকে বলেছিলাম আমি এক বছরের একটা ব্রেক নিচ্ছি আর সময় মতন শুরু করতে চাই।তার মাঝে আমার মিউজিক ভিডিও গুলো ও রিলিজ করার ছিল। তো তার পরে ঝখন ড্রাকুলা স্যার এর স্ক্রিপ্ট পড়লাম আমার বেশ ভালো লাগলো আর হ্যাঁ বলে দিলাম.

সাংসদ হওয়ার পরে তোমার এবং নুসরাতের ব্যাপোক পরিচিতি বেড়েছে।বম্বে ইন্ডাস্ট্রির এখন সবাই চেনে...সাংসদ হওয়ার পরে কোনও অফার এলো নাকি? মিমি: না সাংসদ হওয়ার পরে বলে নয় এর আগেও আমার কাছে অফার এসেছিলো কিন্তু আমি সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করছি।অফার আসতে থাকাটাই একটা ভালো লক্ষণ।মনের মতন কিছু হলেই নিশ্চই করবো।

অন্য পরিচালকরা চাইছেনা তুমি তাদের ও ছবি করো? মিমি: হ্যাঁ এই ছবিটা করার আগেও অনেক অফার এসেছে আর এখনো আসছে।মাঝে তো এরকম ও লোকের মুখে শুনেছি যে মিমি নাকি কাজ ছেড়ে দিয়েছে।আমি তো হেসে ক্ষুণ...মিমি কখনোই অভিনয়টা ছাড়তে পারবেনা আ্যটলিস্ট।তবে হ্যাঁ ঈশ্বরের অনেক কৃপা এখনো আমার কাছে বেশে ভালো ভালো অফার আছে আর তাই এবছরে অনেক গুলো ছবিতে আমাকে দেখা যাবে।

কতটা চাপের হচ্ছে সব কিছু সামলানো? মিমি: এটা শত হেক্টিক হলেও কিন্তু আমাকে ম্যানেজ করতে হচ্ছে...আমার কেন্দ্রটা বেশ বড় যে কারণে আমাকে পাটুলির অফিসে বেশ ভালো রকম টাইম দিতে হয়।আমি দিন বেছে নিই যখন সারাদিন আমি কেন্দ্রের কাজ করি।ভাঙর, সোনারপুর, ক্যানিং এর আগে বর্ডার লাইন ও আছে তো এটা বিশাল দায়িত্ব।কেন্দ্রের কাজ ঠিক ঠাক হচ্ছে কিনা সেটাও আমাকে মনিটরিং করতে হয়।ফোনেও সার্ভেইলেন্স আছে।সুতরাং কারা আসছেন যাচ্ছেন সেই ডিটেলস ও থাকে আমার কাছে।মানুষের সঙ্গে বসতে হয় কথা বলতে হয়। এই যে বললাম সবটাই হেকটিক তবে অসম্ভব নয়।আমি সবটাই ভালো মতন ম্যানেজ করে নিই।

First published: February 3, 2020, 9:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर