Home /News /entertainment /
Exclusive: যে কাজটাই করি না কেন, আগে সেই কাজে দক্ষ হতে হবে: জীতু কমল

Exclusive: যে কাজটাই করি না কেন, আগে সেই কাজে দক্ষ হতে হবে: জীতু কমল

সন্দীপবাবু ফোন করে বললেন, ‘‘মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে আমি যেন বাবাকে দেখছি।’’

  • Share this:

    #কলকাতা: আগামিকাল মুক্তি পাচ্ছে অনীক দত্তর 'অপরাজিত',   ছবি মুক্তির আগে নিউজ ১৮ বাংলার সঙ্গে অকপট আড্ডায় 'পর্দার সত্যজিৎ' ওরফে জীতু কমল

    আজ তো প্রোমোশন নিয়ে খুব ব্যস্ত আপনি। রেসপন্স কেমন?

    একটু ব্যস্ত। দারুণ রেসপন্স পাচ্ছি। সত্যজিৎ রায়ের চরিত্র বলে কথা, তার ওপর অনীক দত্ত, হাসান দা ( ফিরদৌসুল হাসান) । যেখানেই যাচ্ছি সবার মধ্যে দারুণ উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। আগামিকাল ছবি মুক্তি। টেনশন কীভাবে সামলাচ্ছেন অপরাজিত রায়? আমার গলা শুনে কি মনে হচ্ছে আমি টেনশনে আছি.. যখন টেনশন করার সময় ছিল মানে প্রথম দিকে সত্যিই খুব টেনশন হয়েছে। এখন তো যা কাজ করার হয়ে গিয়েছে এখন আমি রিল্যাক্সড।

    আইকনিক চরিত্রে অভিনয় করেছেন আপনি যা সফলও হতে পারে আবার চূড়ান্ত ব্যর্থও । এই ভাবনাটা কখনও হয়েছিল?

    সফলতা বা বিফলতা দুটো শব্দই আমার কাছে ম্যাটার করে না। আমার কাছে মূল বিষয় ছিল মন দিয়ে কাজ করা, ও নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকা। ছোট-বড় যে কাজই করি না কেন মন দিয়ে কাজ করাটাই আমার কাছে বেশি গুরুত্ব পায়। য়ে চরিত্রে অভনয় করত গেলে প্রথম দিন হাটু কাঁপে, জানতে হবে সেই চরিত্রের গভীরতা আছে। এই কাজটা করে আমি খুব আনন্দ পেয়েছি। জানেন কাল যখন আমায় সন্দীপবাবু ফোন করে বললেন, ‘‘মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে আমি যেন বাবাকে দেখছি।’’ তখন আমার অনুভূতিটা আমি বলে বোঝাতে পারব না। এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে বলুন তো।

    একটু ফিরে দেখা যাক। আয়নায় যখন অপরাজিত রায়ের লুকে প্রথম দেখেন নিজেকে কেমন ছিল সেই অনুভূতি?

    আমি মেসমেরাইজড হয়ে গিয়েছিলাম। অবাক হয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। নিজেকে প্রশ্ন করছিলাম এটা কি আমি! একটা ঘটনার কথা বলি, অনীকদা আমাকে কিছু ফটোগ্রাফ পাঠিয়েছিলেন , আমি জানতে চেয়েছিলাম সত্যজিৎ রায়ের ছবি আবার আমায় পাঠালে কেন, অনীকদা বলেছিলেন, ইডিয়ট এটা তুমি। আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না।

    ছবি দেখে কী বললেন শ্যাম বেনেগাল?

    উনি আমাকে একটা কথাই বলেছেন ‘‘অভিনয় ছেড়ো না’’। বাকি কথা অনীকদাকে বলেছেন।

    জানতে চাননি উনি কী বললেন?

    উনি ছবি নিয়ে অনেক কথা বলছিলেন। বেনেগাল স্যরের ছবি নিয়ে এত কথা বলাটাই আমার কাছে থ্রিলিং।

    জিতু কমল কি অপরাজিত রায়ের মত পরিচালনায় আসতে চান?

    আমার কর্মজীবন শুরু স্টেজে। তখন স্টেজে লাইট করতাম। ক্যামেরার পিছনে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার আছে। পরিচালক হওয়ার স্বপ্ন আমাক অনেক দিনের।

    তাহলে আগামিদিনে আপনাকে পরিচালকের ভূমিকায় পাওয়া যাবেনা?

    আমি এখনও সিওর নই। এই ছবি করতে গিয়ে আমার একটা শিক্ষা হয়েছে। যে কাজটাই করি না কেন আগে সেই কাজে আমাকে দক্ষ হতে হবে। আমার তো এখনও বেবিস্টেপ হয়নি। কী করে এখনই বড় পরিকল্পনা করব।

    অপরাজিত রায় ফলুদা চরিত্রের অফার পেলে কী করবেন?

    খুব কমপ্লিকেটেড প্রশ্ন। বছর দেড়েক আগেও আমি জানতাম না আমার কাছে এই চরিত্রের অফার আসবে। ফেলুদা তো অভিনেতা ছেড়ে দিন আপামর বাঙালির কাছে স্বপ্নের চরিত্র। আমার কাছে যদি এই চরিত্রের অফার আসে আমি জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব।

    SYAMASRI SAHA

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    Tags: Jeetu Kamal

    পরবর্তী খবর