ছেলে তাঁর নয়! সোশ্যাল মিডিয়ায় দিব্যি কাটলেন ইমরান হাসমি!

এই ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ডে যে ফোন নম্বর দেওয়া আছে তার মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে।

এই ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ডে যে ফোন নম্বর দেওয়া আছে তার মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে।

  • Share this:

#মুম্বই: হক কথা, ছেলে আছে ইমরান হাসমির (Emraan Hashmi)! বলিউডের এই বিখ্যাত অভিনেতার ছেলের নাম আয়ান হাসমি! আর কুন্দন কুমার? এ জায়গাতে এসেই এক ঝটকায় সব হিসেব গুলিয়ে যায়। কেন না, ইমরান হাসমির ছেলের নাম কুন্দন কুমার হওয়া একটু হলেও অস্বাভাবিক ঘটনা! বিশেষ করে সেই ছেলে যদি হয়ে থাকে কলেজ পড়ুয়া! শুধু তা-ই নয়, ছেলের মায়ের নাম সানি লিওন (Sunny Leone), এটাও ভুলে গেলে চলবে না!

আসলে খবর হল, এই অদ্ভুত আর হাস্যকর ঘটনা ঘটেছে ভীমরাও আম্বেদকর বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ে (Bhim Rao Ambedkar Bihar University)। এক স্নাতক স্তরের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ডের স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেন কর্তৃপক্ষ। যে ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ড, তাঁর নাম হল কুন্দন কুমার। বিহারের মিনপুর জেলার বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ধনরাজ মাহাতো ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। অ্যাডমিট কার্ডের লেখা অনুযায়ী ইমরান হাসমি ও সানি লিওন হলেন উত্তর বিহারের মুজফরনাপুরের (Muzzafarnapur) বাসিন্দা। আর তাঁদেরই বছর কুড়ির ছেলে কলেজে পড়েন।

যেহেতু ইমরান হাসমি বলিউডের (Bollywood) একাধিক ছবিতে অন্তরঙ্গ দৃশ্য, বিশেষ করে চুম্বনদৃশ্যে অভিনয়ের জন্য প্রসিদ্ধ, সে কারণে ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় নায়ককে ট্যাগ করা হতে থাকে। আর তার জেরেই সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে সাফ বার্তা ইমরানের- দিব্যি কাটছেন তিনি, ও ছেলে তাঁর নয়!

https://twitter.com/emraanhashmi/status/1336674613892407296?s=20 https://twitter.com/EHCOBRAMAN/status/1336726335624859649?s=20

কুন্দনের অ্যাডমিট কার্ড দেখে বিস্মিত ও স্তম্ভিত হয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কারণ অন্য বানানে লেখা থাকলেও বাবার নামের জায়গায় লেখা ইমরান হাসমির নাম। স্বভাবতই এই নাম দেখে বলিউড (Bollywood) অভিনেতার কথা মাথায় আসে। প্রাপ্তবয়স্ক ছবি করার জন্য সানি লিওনের নামও সর্বজনবিদিত। তাই মায়ের নামের জায়গায় তাঁর নাম দেখেও চমকে যান অনেকে।

এই স্পর্ধার শেষ এখানে হয়নি। কারণ বাসস্থানের জায়গায় লেখা ছিল চতুর্ভুজ স্থান। বিহারের কুখ্যাত এক পতিতাপল্লী রয়েছে এই অঞ্চলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার তাই জানিয়েছেন যে এই কাণ্ড জেনে-বুঝেই ঘটানো হয়েছে। কেউ একজন বদমায়েশি করে এ সব করেছেন। সম্ভবত যাঁর অ্যাডমিট কার্ড, সেই ছাত্র নিজেই এ সব করেছেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় এই বিষয়ে তদন্ত করবে বলে দাবি তাঁর।!

এই ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ডে যে ফোন নম্বর দেওয়া আছে তার মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, ছাত্রের আধার কার্ড (Aadhaar Card) দেখে তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। খুঁজে পেলেই এই বিষয়ে ছাত্রকে জেরার মুখে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ!

Published by:Pooja Basu
First published: