corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনায় বিপদ সিওপিডি রোগীদের, ডাক্তারদের কথা মেনে চলুন পরামর্শ দীপঙ্কর -দোলনের

করোনায় বিপদ সিওপিডি রোগীদের, ডাক্তারদের কথা মেনে চলুন পরামর্শ দীপঙ্কর -দোলনের

করোনায় বিপদ বাড়তে পারে সিওপিডি রোগীদের। বিভিন্ন দেশের সিওপিডি বা শ্বাসকষ্টতে ভোগা রোগীরা সংকটজনক অবস্থায় রয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনায় বিপদ বাড়তে পারে সিওপিডি রোগীদের। বিভিন্ন দেশের সিওপিডি বা শ্বাসকষ্টতে ভোগা রোগীরা সংকটজনক অবস্থায় রয়েছে। ভারতবর্ষে সেই পরিস্থিতি তৈরি না হলেও এধরনের রোগীদের সাবধান থাকা জরুরি বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। বিভিন্ন ক্রনিক রোগে যারা ভুগছেন এই সময় তারা সতর্ক ও সাবধান থাকুন এমনটাই মত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। পালমোনোলজিস্ট এজি ঘোষাল এর মতে, অন্যান্য ভাইরাসের এর তুলনায় করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ শীলতা অনেক বেশি। তাই সিওপিডি বা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ এ আক্রান্ত রোগীদের করোনায় সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এই রোগীদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ হলে তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি । ‌‌চিকিৎসক শিবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এর তথ্য অনুযায়ী ভারতবর্ষে প্রতিদিন গড়ে ২৮ হাজার লোক মারা যায়। এর মধ্যে ৯ শতাংশ শ্বাসকষ্টজনিত বা পালমোনারি ডিজিজে মারা যায়। এর সঙ্গে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে এই সংখ্যাটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। চিকিৎসক রাজেশ প্রামানিক জানিয়েছেন, যাদের সিওপিডি আছে তারা যেন নিয়ম করে ইনহেলার নেন। লক ডাউনের সময় কোনও ভাবেই বাড়ির বাইরে না বেরোনো এবং নিয়মিত ওষুধ খাওয়া ও বাড়ির কেউ যদি জ্বর সর্দি কাশিতে ভোগে তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ‌

বেশ কিছু বছর ধরেই সিওপিডি তে ভুগছেন অভিনেতা দীপঙ্কর দে । সিওপিডি সমস্যায় বার দুয়েক হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন তিনি। তাই তাঁকে নিয়ে একটু হলেও চিন্তায় রয়েছেন স্ত্রী দোলন রায়। দোলন জানিয়েছেন ডায়াবেটিসসহ যে সমস্ত রোগে সংক্রমনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তার প্রায় বেশির ভাগটাই রয়েছে দীপঙ্কর দের। তাই যত টা সম্ভব সাবধানে থাকছেন তারা। তবে অযথা আতঙ্কিত ও হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। দীপঙ্কর দে নিজেও জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন, বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলছেন। সিওপিডি আক্রান্ত বাকিদের ও সাধারণ মানুষকেও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা।‌‌

পালমোনোলজিস্ট এজি ঘোষাল জানিয়েছেন, সিওপিডি মূলত ক্রনিক ধূমপায়ীদের অসুখ। যদিও এতে পরিবেশ দূষণ বা পেশাগত বাধ্যবাধ্যকতা অনেকটাই মাত্রা যোগ করে। সাধারণত ৪০ বছরের নিচে খুব একটা সিওপিডি ডায়াগনোসিস হয় না। ভারতের মোট জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কোন না কোন সময় অ্যালার্জি বা শ্বাসকষ্টে ভোগে। সিওপিডি ধুমপায়ীদের ক্ষেত্রে ধরলে তা ২.৫ থেকে ৫ শতাংশ। চিন্তার বিষয় চিকিৎসাবিজ্ঞানে উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য অনেক রোগে মৃত্যুর হার কমলেও সিওপিডিতে মৃত্যুর হার ক্রমশ বেড়েছে। আর এই তথ্যই চিন্তায় ফেলেছে বাংলা ব্যান্ড ক্যাকটাসের ফ্রন্ট ম্যান সিধুকে। বহু বছর ধরেই নিয়মিত ধূমপান করছেন তিনি। লকডাউন অনেকটাই ছেদ ফেলেছে সেই কুঅভ্যাসে। প্রথম প্রথম স্টকে থাকা সিগারেট দিয়ে কাজ চালালেও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আশায় বাধ্য হয়েই ধূমপান না করেই কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। আর এটাকে পজিটিভ ভাবেই দেখছেন সিধু। সিওপিডির ফ্যামিলি হিস্ট্রি থাকায় সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। তাই তাঁর পরামর্শ লকডাউন এ ধূমপানের নেশায় নয়, ডুবে থাকুন গান, কবিতা ,ছবি আঁকা, সিনেমা দেখা, বা নিজেদের ভালোলাগা যে কোনো ও ক্রিয়েটিভ নেশায় ।‌ ‌‌

Published by: Akash Misra
First published: April 20, 2020, 9:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर