করিনা’কে এক সময় নিজের সন্তান বলেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর! কারণ জানলে চমকে যাবেন

করিনা’কে এক সময় নিজের সন্তান বলেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর! কারণ জানলে চমকে যাবেন

ব্যক্তিত্বময়ী শর্মিলার মন জয় করা অত সহজ ছিল না । কিন্তু বেবো খুব সহজেই নিজ-স্বভাব গুণে তা করে ফেলেছিলেন ।

ব্যক্তিত্বময়ী শর্মিলার মন জয় করা অত সহজ ছিল না । কিন্তু বেবো খুব সহজেই নিজ-স্বভাব গুণে তা করে ফেলেছিলেন ।

  • Share this:

    #মুম্বই: পতৌদি ঘরাণার বড় বেগম তিনি । নিজেও স্বপ্রতিভায় প্রতিষ্ঠিত । বাঙালি ঘরের কন্যা শর্মিলা ঠাকুরের বিয়ে হয়েছিল নামজাদা ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদি ওরফে টাইগারের সঙ্গে । তাঁদের তিন ছেলে-মেয়ে । কিন্তু তা সত্ত্বেও করিনা কাপুরকে নিজের পুত্রবধূ শুধু নয়, নিজের সন্তানের স্থানে বসিয়েছিলেন শর্মিলা । ব্যক্তিত্বময়ী শর্মিলার মন জয় করা অত সহজ ছিল না । কিন্তু বেবো খুব সহজেই নিজ-স্বভাব গুণে তা করে ফেলেছিলেন । আর এরপর থেকেই করিনাকে ভালবাসার সঙ্গে সঙ্গে সম্মানও করতেন শর্মিলা। তার পিছনে ছিল একটা বড় কারণ ।

    করিনার টক শো ‘হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট’-এ একবার হট সিটে এসেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর । পুত্রবধূর মুখোমুখি হয়ে তাঁর সম্বন্ধে নিজের ধারণার কথা শেয়ার করেছিলেন তিনি । শর্মিলা বলেছিলেন, যখন টাইগার ভীষণ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি তখন নিয়মিত তাঁকে দেখতে যেতেন করিনা । নিজে বিখ্যাত হয়েও কখনও নিজের দিকে কাউকে আকর্ষিত করতে চাইতেন না । মিডিয়া এই নিয়ে মাতামাতি করুক সেটাও চাইতেন না । বরং সবসময় পরিবারের এক জনের মতো সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করতেন ।

    টাইগার মারা গিয়েছিলেন ২২ সেপ্টেম্বর । করিনার জন্মদিনের ঠিক পরের দিন । কিন্তু যে ভাবে বেবো সে দিন খান পরিবারের সামনে বজ্রকঠিন হয়ে দাঁড়িযেছিলেন তা চিরকাল মনে রেখেছেন তাঁর শাশুড়ি মা শর্মিলা । সে কথাই করিনার চ্যাট শোয়ে এসে তাঁর সঙ্গে ভাগ করে নিযেছিলেন তিনি । সে দিন করিনাও জানিয়েছিলেন, শর্মিলার প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা-সম্মানের জায়গাটা কতটা বাস্তব আর অকৃত্রিম ।

    শ্বশুরবাড়ির সকলের সঙ্গেই করিনার দারুণ সম্পর্ক । সইফের দ্বিতীয় স্ত্রী তিনি । তবু প্রথম পক্ষের ছেলে-মেয়ে, সারা আর ইব্রাহিমকে আপন করে নিয়েছেন করিনা । দুই ননদ সোহা আর সাবার সঙ্গেও তাঁর বন্ডিং দূর্দান্ত । চার বছর আগে প্রথম সন্তান তৈমুর এসেছিল সইফিনার ঘরে । সদ্য তাঁরা দ্বিতীয় পুত্র সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন ।

    Published by:Simli Raha
    First published: