• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • BOLLYWOOD WHEN SANJAY DUTT JOKED WITH POLICEMAN ARRESTING HIM JUST SO DAD SUNIL DUTT WOULD NOT CRY I FELT SO PROUD TC RC

Sanjay Dutt Birthday: সঞ্জয় দত্তের গ্রেফতারের সময় বাবা সুনীল দত্ত বলেছিলেন, 'আমার গর্ব হয়েছিল ছেলের জন্য'!

সঞ্জয় দত্তের গ্রেফতারের সময় বাবা সুনীল দত্ত বলেছিলেন, 'আমার গর্ব হয়েছিল ছেলের জন্য'!

একাধিক বিতর্কের মাঝে যদিও এমন কিছু ঘটনা আছে, যা বড় বড় ঘটনার মাঝে হারিয়ে গিয়েছে (Sanjay Dutt Birthday)।

  • Share this:

#মুম্বই: সকলের জীবনেই ওঠাপড়া থাকে। কারও বেশি, কারও কম। আমাদের আশেপাশে সারাদিন হাজার হাজার মানুষের দিন কেমন যাচ্ছে, তারা কেমন আছে, আমরা জানি না। কিন্তু সেলেবদের পান থেকে চুন খসলেই তা হেডলাইন হয়ে যায়। সেই হেডলাইন আর সংবাদজগতের সুবাদেই আজ সঞ্জয় দত্তের (Sanjay Dutt) জীবন, বিতর্ক, অসুস্থতা সবটাই ওপেন বুকের মতো সকলের জানা। এই একাধিক বিতর্কের মাঝে যদিও এমন কিছু ঘটনা আছে, যা বড় বড় ঘটনার মাঝে হারিয়ে গিয়েছে। আজ তাঁর ৬২তম জন্মদিন, এমনই এক ছোট্ট ঘটনা শেয়ার করে নেওয়া যাক।

সঞ্জয় দত্তের বায়োপিকের দৌলতে তাঁর জীবনকাহিনী আজ অনেকেরই জানা। খুব অল্প বয়সে মাদকাসক্ত হওয়া থেকে মাতৃবিয়োগ, মাঝে নেশামুক্তির লড়াই ও জঙ্গী যোগে জেল- সবটাই বিরাট বিতর্কের। এই সব কিছুর মাঝেই সেসময় তাঁর সঙ্গে বাবা সুনীল দত্তের (Sunil Dutt) সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। ছেলের জন্য বাবাকেও অনেক সময় একাধিক তকমা দেওয়া হয়। ছেলের জন্য বাবার নামেও রটে গুজব। সে সব এখন অতীত, শুধু থেকে গিয়েছে ছোট ছোট স্মৃতি।

সিমি গারেওয়ালের (Simi Garewalঃ এক টক শোতে কথা বলার সময় এমনই ছোট্ট ঘটনার স্মৃতি চারণা করেছিলেন সুনীল দত্ত। উঠে এসেছিল বাবা- সম্পর্কের এক অন্যদিক।

১৯৯৩ সালে জঙ্গী যোগের অভিযোগে যখন সঞ্জুকে জেলে নিয়ে যাওয়া হয়, সে সময় স্বাভাবিক ভাবেই আর পাঁচটা বাবার মতো ভিতর থেকে ভেঙে পড়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতাও। কিন্তু ছেলের এই অবস্থা দেখে বাবা যাতে কোনও মতেই সকলের সামনে কেঁদে না ফেলেন, তার জন্য পুলিশের সঙ্গে খানিকটা মজা করেছিলেন সঞ্জু। হাতে হাতকড়া পরানোর সময় তিনি পুলিশকে বলেছিলেন- "এবার তো পরাও হাতকড়া"। আর বাবার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, "এটা ওদের রোজকার কাজ বাবা"।

ঘটনাটি বুঝতে পেরে তিনি স্বভাবতই গর্ববোধ করেন। সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিষয়ে সুনীল দত্ত বলেছিলেন, "আমার মনে পড়ে সেই দিনের কথা। যখন ওর জামিন নাকচ হয়ে যায় আর ওকে জেলে যেতে হয়। পুলিশ ওকে হাতকড়া পরাচ্ছিল। সেই দিন প্রথমবারের জন্য আমার মনে হয়েছিল, আমি যা করেছি দেশের জন্য তা সবটাই ব্যর্থ। বাবা হিসেবে এটাই দেখতে হয়েছিল আমায়। আমি স্বাভাবিক ভাবেই একটু আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি এসব দেখে। কিন্তু নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করছিলাম, কারণ ভেঙে পড়লে ওর উপর তার প্রভাব পড়ত। ও দেখত বাবা ভেঙে পড়েছে। ঠিক সে সময় ও আমার সামনে এসে বলেছিল, বাবা এটা ওদের রুটিন। চলো পুলিশ! হাতকড়া পরাও। সেই সময় সত্য়িই গর্ব হয়েছিল আমার ছেলের জন্য।" সাক্ষাৎকারটি ছিল ১৯৯৭ সালের। ১৯৯৫-তে সঞ্জয় মুক্তি পেয়েছিলেন জেল থেকে।

পরে প্রায় ৯ বছর পর যখন তাঁকে এই ক্লিপিংটি দেখানো হয়, তখন অভিনেতা বলেন, "আমি বাবার চোখ দেখে বুঝতে পেরেছিলাম, বাবা কেঁদে ফেলবে। আমি চাইনি সকলের সামনে, বিশেষ করে বাবাকে যাঁরা তাঁদের অনুপ্রেরণা ভাবেন, তাঁদের সামনে বাবা ভেঙে পড়ুক। বাবার জন্য সেই দিন এটা আমাকে করতে হয়েছিল।"

সঞ্জয় এই কেসে ২০১৪ সালে ফের জেলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পান। স্বাভাবিক জীবনে ফিরেই চুটিয়ে কাজ শুরু করেছেন তিনি আগের মতো।

Published by:Raima Chakraborty
First published: