Home /News /entertainment /
সুশান্তের বন্ধ ঘরে তালা ভাঙার পর কী হয়েছিল?‌ এতদিন পর বললেন চাবিওয়ালা

সুশান্তের বন্ধ ঘরে তালা ভাঙার পর কী হয়েছিল?‌ এতদিন পর বললেন চাবিওয়ালা

গাঁজার নেশা করতেন সুশান্ত সিং রাজপুত ৷ সিবিআইকে জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন প্রয়াত অভিনেতার রাঁধুনি নীরজ সিং ৷ সুশান্তের জন্য গাঁজা পোরা সিগারেট বানিয়ে রাখত সে ৷ কিন্তু মৃত্যুর দিন সুশান্তের ঘর থেকে পাওয়া সেই সিগারেটের প্যাকেট দেখে নাকি চমকে উঠেছিলেন তিনি ৷

গাঁজার নেশা করতেন সুশান্ত সিং রাজপুত ৷ সিবিআইকে জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন প্রয়াত অভিনেতার রাঁধুনি নীরজ সিং ৷ সুশান্তের জন্য গাঁজা পোরা সিগারেট বানিয়ে রাখত সে ৷ কিন্তু মৃত্যুর দিন সুশান্তের ঘর থেকে পাওয়া সেই সিগারেটের প্যাকেট দেখে নাকি চমকে উঠেছিলেন তিনি ৷

এদিকে সুশান্ত সিং রাজপুত আর সারা আলি খানের সম্পর্ক নিয়ে নানারকম তথ্য উঠে আসছে।

  • Share this:

    #‌মুম্বই:‌সুশান্ত সিং রাজপুত ১৪ জুন কোনও এক অজ্ঞাত কারণেই ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তাঁর দেহ উদ্ধার করার জন্য ঘরের দরজা ভাঙতে হয় বলেও জানায় পুলিশ। কিন্তু কে দরজা ভাঙলেন?‌ তিনি দরজা ভেঙেই কী দেখলেন, সেসব এখনও রহস্যের আড়ালেই রয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন আগে সামনে এসেছেন সেই চাবিওয়ালা, যিনি বলেছেন, সুশান্তের ঘর বন্ধ থাকায় তাঁকে ডেকে এনেছিলেন সুশান্তের বন্ধুরা। যাতে চাবি খুলে দরজার ওপারে থাকা সুশান্তকে উদ্ধার করা যায়। সেই চাবিওয়ালার সঙ্গেই কথা বলে একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যম। সেখানেই সেদিনের ঘটনার বড় পর্দাফাঁস করেন ওই চাবিওয়ালা।

    তিনি জানিয়েছেন, সুশান্তের ঘরের লক ভাঙার জন্য মোট ২ হাজার টাকায় তাঁর সঙ্গে রফা হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ডেকে এনে লক খোলানো হলেও সেদিন দরজার লক খোলার পরেই তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন বাকিরা। কেউ তাঁর সামনে দরজা খুলতে চাননি। এমনকি সিদ্ধার্থ পাঠানিও দরজা খোলেননি। টাকা দিতে তাঁকে দ্রুত বিদেয় করে দেওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা। তার মানে দাঁড়ায়, ওই চাবিওয়ালাও দেখেননি সুশান্তের দেহ। সরাসরি একমাত্র সিদ্ধার্থ ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ দেখেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। যতক্ষণে সুশান্তের দিদি এসে পৌঁছেছেন, ততক্ষণে দেহ নামানো হয়ে গিয়েছে। তাই সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

    এদিকে সুশান্ত সিং রাজপুত আর সারা আলি খানের সম্পর্ক নিয়ে নানারকম তথ্য উঠে আসছে। কঙ্গনা রানাওয়াত দাবি করেছেন, সুশান্তের সঙ্গে সারা ব্রেক আপ করে দিয়েছিলেন ছবি ফ্লপ করার পরেই। সুশান্তের সঙ্গে সারার একরকমের ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো সারা সুশান্তকে একা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এছাড়াও সেদিন, অর্থাৎ ১৪ জুনের ঘটনা নিয়ে সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার অঙ্কিত আচার্য প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, কেউ ওই দিন সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে সুশান্তের খোঁজ কেন নিতে যায়নি। কেউ ভাবেননি, এই সময়ে একা একা ঘরে সুশান্ত কী করছেন?‌’‌ তাঁর বয়ানও যে যথেষ্ট শক্তিশালী প্রশ্ন তুলে দিয়েছে, সেটা বলাই যায়।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published:

    Tags: Sushant Singh Rajput death Case

    পরবর্তী খবর