corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘চার মেয়ের পর ছেলে পেতে তিন বছর প্রার্থনা করেছিলাম আমরা’, মুখ খুললেন সুশান্তের বাবা

‘চার মেয়ের পর ছেলে পেতে তিন বছর প্রার্থনা করেছিলাম আমরা’, মুখ খুললেন সুশান্তের বাবা
Photo Courtesy: Sritam Banerjee

একমাত্র ছেলে মৃত্যু শোক তাঁকে যেন পাথর করে দিয়েছিল । এ ক’দিন শুধুই ছেলের ছবিটার সামনে বসে চোখের জল ফেলে গিয়েছেন । অবশেষে মুখ খুললেন তিনি ।

  • Share this:

Photo Courtesy: Sritam Banerjee

#মুম্বই: বড় আদরের আর বাবা-মায়ের অনেক আশার ফসল ছিলেন তিনি । চার দিদির একমাত্র ছোট ভাই, পরিবারের একমাত্র ছেলে...সুশান্ত সিং রাজপুত । পরপর চার বার মেয়ে হওয়ার পর সুশান্তের বাবা-মা একটি ছেলের আশায় তিন বছর ধরে প্রার্থনা করেছিলেন । দেবদেবীর ধামে মানত করেছিলেন । তারপরেই কোলে এসেছিলেন সুশান্ত ।

অভিনেতার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর প্রথম মুখ খুলে এ কথাই বললেন সুশান্তের বাবা কেকে সিং । একমাত্র ছেলে মৃত্যু শোক তাঁকে যেন পাথর করে দিয়েছিল । এ ক’দিন শুধুই ছেলের ছবিটার সামনে বসে চোখের জল ফেলে গিয়েছেন । অবশেষে মুখ খুললেন তিনি ।

আর তাঁর কথায় উঠে এল সুশান্তের মৃত্যু, প্রেম, সম্পর্ক, বিয়ে সবটাই । অঙ্কিতার সঙ্গে ৬ বছরের দীর্ঘ প্রেম ভেঙে গিয়েছিল সুশান্তের । অঙ্কিতা-সুশান্তের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা বারবার স্মৃতিচারণায় বলছেন, তাঁদের সম্পর্ক আজও অটুট থাকলে হয়তো এই দিন দেখতে হত না । অঙ্কিতার সঙ্গে ভাল সম্পর্ক ছিল সুশান্তের দিদিদেরও । সুশান্তের বাবাও এ দিন স্বীকার করেন, অঙ্কিতা তাঁদের পটনার বাড়িতে এসেছিলেন । তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ২০১৬-তে । কিন্তু তার আগেই সবটা শেষ হয়ে যায় ।

সুশান্তকে পাওয়ার জন্যও তাঁরা অনেক প্রার্থনা করেছিলেন । সেই সন্তানের এ ভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওযা যায় না । তবু হৃদয়ে পাথর চাপা দিয়ে, এ দিন কেকে সিং বলেন, ‘যা লেখা থাকে কপালে, সেটাই হয় ।’ তিনি স্বীকার করেন, সুশান্তের উপর কোনও পরিবারিক চাপ ছিল না । কোনওদিন তাঁকে কিছু নিয়ে জোর করা হয়নি । বরাবরই পড়াশোনায় তুখোড় সুশান্ত নিজের ইচ্ছাতেই এই পেশা বেছে নিয়েছিলেন । তাঁর দিদিরাও বলেছেন, অভিনেতা অর্থিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন না ।

তবে কেকে সিং এ দিন বলেন, ছেলের মানসিক অবসাদের কথা তিনি জানতেন না । জানতেন না যে, সুশান্ত ক্লিনিকাল ডিপ্রেশনের চিকিৎসা করাচ্ছেন । মৃত্যুর তিন দিন আগেও রিয়ার সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে কথা হয় ছেলের । সুশান্ত বলেছিলেন, এখন করোনার কারণে বিয়ে করা যাবে না । তারপর একটা ছবি হাতে আছে । সেটা হয়ে গেলে ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ দেখা যাবে । এটাই ছিল সুশান্তের সঙ্গে তাঁর বাবার শেষ কথোপকথন ।

Published by: Simli Raha
First published: June 27, 2020, 10:06 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर