corona virus btn
corona virus btn
Loading

'সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করলেন', কেন এই শিরোনাম লেখা অনুচিত

'সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করলেন', কেন এই শিরোনাম লেখা অনুচিত
সুশান্ত সিং রাজপুতের ম্যানেজার তাঁর ফোনের পাসওয়ার্ড জানতেন৷ ফোন খোলার পর দেখা যায়, শনিবার রাত তিনটে নাগাদ বন্ধু এবং অভিনেতা মহেশ শেট্টিকে ফোন করেছিলেন সুশান্ত৷ কিন্তু সেই ফোন ধরতে পারেননি মহেশ৷ পরের দিন বেলা বারোটা নাগাদ তিনি সুশান্তকে ফোন করেন৷ কিন্ত ততক্ষণে সব শেষ৷

আরও একবার প্রমাণ হচ্ছে, ২০২০ তে দাঁড়িয়েও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার পরিসর নেই।

  • Share this:

তিনি ছিলেন। বহুজনের মনজুড়ে ছিলেন। ১৪ জুন থেকে নেই হয়ে গেলেন। আত্মীয় বন্ধুদের স্তব্ধ করে চলে গেলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। সকাল দশটাতেও ফলের রস খেয়েছেন। পরিচারক ডাকাডাকি করায় আর দরজা খোলেননি। ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁর দেহ। সুশান্তের মৃত্যু দু'টি দিককে তুলে আনছে। আরও একবার প্রমাণ হচ্ছে, ২০২০ তে দাঁড়িয়েও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার পরিসর নেই। এর পাশাপাশি সংবাদ শিরোনাম দেখাচ্ছে আমাদের সহানুভূতিশীলতার অভাব।

কিন্তু কী ভাবে লেখা হবে এই ধরনের প্রতিবেদন। তার কি কোনও পূর্বলিখিত গাইডলাইন রয়েছে? না নেই। তবে ভুলটা কোথায় ধরিয়ে দিলেন সুইসাইড অ্যাওয়ার্নেস ভয়েসেস অফ এডুকেশানের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডান রেইডেনবার্গ।

তাঁর কথায়, "এই ধরনের ক্ষেত্রে 'কমিটেড' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এইভাবেই একজন আত্মহত্যাকারীকে সমাজের অন্যান্যদের থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়। কেউ হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলে কিন্তু লেখা হয় না এই ধরনের শব্দ।"

'দ্যা মাইটি' নামক সংবাদমাধ্যম বলছে, কমিটিং সুইসাইড বা আত্মহত্যা করলেন কথাটি লেখা কারণ, আত্মঘাত নানাবিধ মানসিক অসুখের ফলাফল। কেউ স্বেচ্ছায় এই কাজ করেন না।

কী ভাবে এই ধরনের বিষয়গুলি সংবেদনশীল ভাবে সমাজের সামনে আনা যায়, এই বিষয়ে হু এর নির্দেশিকায় চোখ বোলানো যাক-

  • আত্মহত্যার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ নাই দেওয়া উচিত।
  • যেখানে এই আত্মহত্যা হয়েছে, সেই জায়গার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ অন্যের মনে চাপ তৈরি করে।
  • কোনও তারকার মৃত্যুর ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।
  • যাঁরা এই ধরনের প্রতিবেদন লেখেন, তাঁরাও প্রভাবিত হতে পারেন, কাজেই সতর্কতা অবলনম্বন জরুরি।
Published by: Arka Deb
First published: June 15, 2020, 1:20 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर