corona virus btn
corona virus btn
Loading

মৃত্যুর আগেই জানিয়েছিলাম ছেলের জীবন বিপন্ন!ভিডিও প্রকাশ করে সুশান্তের বাবার কাতর আর্তি

মৃত্যুর আগেই জানিয়েছিলাম ছেলের জীবন বিপন্ন!ভিডিও প্রকাশ করে সুশান্তের বাবার কাতর আর্তি

সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কেকে সিং একটি ভিডিও প্রকাশ করলেন৷ নিজের করা এই ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন যে, ২৫ ফেব্রুয়ারিই তিনি মুম্বই পুলিশকে জানিয়েছিলেন ছেলের বিপদ আসন্ন৷

  • Share this:

#মুম্বই: সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে অনেক জলঘোলা চলছে৷ কেটে গিয়েছে অনেকগুলো দিনও৷ আদৌ তাঁর মৃত্যুর পিছনে কোনও রহস্য রয়েছে কিনা তা বোঝা যাচ্ছে না৷ তবে পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সুশান্তের মৃত্যুর পিছনে রয়েছে গভীর রহস্য৷ কারণ সুশান্তের যা মনোবল বা যে ধরনের মানুষ ছিলেন সুশান্ত, তাতে তাঁর পক্ষে এত সহজে মৃত্যু বরণ করা সম্ভব নয়৷ তাই তাঁর মৃত্যুর পিছনে ছিল কোনও ষড়যন্ত্র এবং মানসিক ভাবে চাপ৷ ইতিমধ্যেই সুশান্তের বান্ধবীর রিয়ার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠে এসেছে৷

আরও পড়ুন মা-ভাই কেউ নেই,জমজমাট রাখি আর কোনও দিন হবে না! সুশান্তকে হারিয়ে পুরনো ছবি পোস্ট দিদির

শুধু লিখিত অভিযোগ নয়, এবার তাঁর বাবা প্রকাশ করলেন একটি ভিডিও৷ তিনি বললেন, '২৫ ফেব্রুয়ারিই আমি মুম্বই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলাম ছেলের বিপদ আসন্ন৷ এরপর ১৪ জুন ঘটে গেল সেই মর্মান্তিক ঘটনা৷ আমার ছেলে মারা গেল৷ এরপর মুম্বই পুলিশকে ফের আমার আগের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে অনুরোধ করেছিলাম৷ কিন্তু ৪০ দিন কেটে গেল৷ মুত্যু নিয়ে কোনও তদন্ত এগোল না৷ তাই আমি পটনায় অভিযোগ দায়ের করলাম'৷

রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সুশান্তের বাবা৷ দিন দিন বেড়ে চলেছে রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা৷ উঠে আসেছে নতুন নতুন তথ্য৷ সুশান্তের কেরিয়ার ধ্বংস করা থেকে, তাঁর টাকা আত্মস্যাৎ করা, তাঁকে পরিবারে থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া, সুশান্তের সমস্ত বিষয়ে নজরদারি, তাঁকে কড়া ডোজের ওষুধ খাওয়ানো, মানসিক অবসাদগ্রস্থ প্রতিপন্ন করা, হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে । উঠেছে কালা জাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিকের অভিযোগও । বেশ কয়েক মাস আগে সুশান্তের দিদি মিতু রাজপুতকে নাকি এমনই জানিয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেতার বাড়ির পরিচারক।

সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে অভিযোগ দায়ের করার পরই উঠে পড়ে লেগেছে বিহার পুলিশ৷ সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মুম্বইয়ে তদন্তের জন্য গিয়েছে একটি বিহার পুলিশের একটি তদন্তকারী দল। কিন্তু তাঁরা যাওয়ার পর থেকেই অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। বিহার পুলিশের তদন্তকারী দল মুম্বই পৌঁছনোর পর থেকেই অভিযোগ উঠছে, তদন্তে তাঁদের সাহায্য করছে না মুম্বই পুলিশ। অভিযোগ আরও মারাত্মক। বিহার পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে বিহার পুলিশের সিনিয়র আধিকারিক তথা পটনার পুলিশ সুপার বিনয় তিওয়ারি মুম্বই পৌঁছনোর পরেই তাঁকে জোর করে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছে বৃহনমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)। এমনকী, তাঁর হাতে কোয়ারেন্টাইনের স্ট্যাম্প দেওয়ার পর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে।

Published by: Pooja Basu
First published: August 3, 2020, 10:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर