Sonu Sood: প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে করোনাকালের মসিহাকেও, সোশ্যালে স্পষ্ট জবাব দিলেন সোনু সুদ

ফাইল ছবি।

সোনুকেও সমালোচনার শিকার হতে হলো। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নিজের মহৎ উদ্দেশ্যর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে হলো।

  • Share this:
    #মুম্বই: করোনার (Corona) প্রথম ঢেউ থেকে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন অভিনেতা সোনু সুদ (Sonu Sood)। সেই সোনুকেও সমালোচনার শিকার হতে হলো। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নিজের মহৎ উদ্দেশ্যর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে হলো। ওড়িশার গঞ্জম এর জেলা প্রশাসক দাবি করেন, সোনু সুদ হাসপাতালের বেডের ব্যবস্থা করে দিয়ে কৃতিত্ব চাইছেন। কিন্তু জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সোনুর ফাউন্ডেশন যোগাযোগই করেনি। এর উত্তর সোনুও স্পষ্ট করেই দেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    সোনু জানান, তিনি কখনওই দাবি করেননি যে তাঁর ফাউন্ডেশন জেলাপ্রশাসনের যোগাযোগ করেছিল। তিনি নিজে থেকেই একজনের প্রয়োজন বুঝে বেডের ব্যবস্থা করে দিলেন। নিজের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে কিছু স্ক্রিনশটও শেয়ার করেছেন অভিনেতা। সেখানে কথপোকথনে দেখা যাচ্ছে একজনের অক্সিজন বেডের খুব প্রয়োজন।

    সোমবার গঞ্জম জেলার প্রশাসকের টুইটার হ্যান্ডল থেকে একটি পোস্টে বলা হয়, "সোনু সুদের ফাউন্ডেশন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। রোগীকে হোম আইসোলেশনে থাকতে বলেছি। কোনও বেডের সমস্যা নেই।"

    এর উত্তরে সোনুও স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন যে তিনি কখনওই দাবি করেননি যে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনও ব্যবস্থা হয়নি এবং তিনি একা ব্যবস্থা করে দিয়ে বিষয়টির কৃতিত্ব অর্জন করছেন এমনও তাঁর উদ্দেশ্য নয়। সোনুর কথায়, "আমরা একবারও দাবি করিনি যে আপনার কাছে আমরা আবেদন করেছিলাম। একজন মানুষের প্রয়োজন হয়েছিল। তিনি আমাদের জানান আর আমরা তাঁকে বেডের ব্যবস্থা করে দিই। আপনার সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সঙ্গে অ্যাটাচ করে দিলাম। আপনার অফিস খুব ভালো কাজ করছে এবং আপনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন আমরাও তাঁকে সাহায্য করেছি। আপনাকে ব্যক্তিটির যোগাযোগ পাঠালাম। জয় হিন্দ।"

    তবে এই প্রথম নয়। বিগত কয়েকদিন সোনুর উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছে নেট দুনিয়ায়। মানুষের সাহায্য করার পরেও ট্রোলড হতে হচ্ছে তাঁকে। সোনু এক সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছিলেন, "আমার উদ্দেশ্য নিয়ে যারা সন্দেহ করছে তাদের আমি যুক্তি দিয়ে বোঝাতে যাব না। তাদের রক্তেই নেতিবাচক আচরণ রয়েছে। এটা তাদের দোষ নয়। এগুলি ট্রোল মাত্র। এদের আসলে শিরদাঁড়া নেই। শুধু মানুষের নজর কাড়তে এগুলি করে।"

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: