টাকা বাঁচানোই মূল লক্ষ্য, বাড়িতে পরার জামা কোথা থেকে কেনেন সারা?

টাকা বাঁচানোই মূল লক্ষ্য, বাড়িতে পরার জামা কোথা থেকে কেনেন সারা?
সম্প্রতি এক ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে ব্র্যান্ড ফ্যাসিনেশন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানালেন, একেবারেই ব্র্যান্ড নিয়ে সচেতন নন ?

সম্প্রতি এক ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে ব্র্যান্ড ফ্যাসিনেশন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানালেন, একেবারেই ব্র্যান্ড নিয়ে সচেতন নন ?

  • Share this:

    #মুম্বই: নিজে বলিউডে জায়গা করেছেন অনেক দিন হল। তাঁর ইন্টারভিউ থেকে চ্যাট শো, সবই ভীষণ প্রাণোচ্ছ্বল হয়। খুবই সহজ, সরল ভাবে সব কিছুর উত্তর দেন নবাগতাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সারা আলি খান (Sara Ali Khan)। কিন্তু নামের পাশে এখনও রয়েছে স্টার কিডের তকমা। ফলে ইন্ডাস্ট্রির আর পাঁচটা স্ট্রাগল করা অভিনেতা-অভিনেত্রীর মতো তাঁকে স্ট্রাগল করতে হয়নি বলেই শোনা যায়। এদিকে বাকি স্টার কিডদের মতো লাইফস্টাইল ও পোশাক নিয়েও যে তিনিও যথেষ্টই নাক উঁচু হবেন সেটাই স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়!

    কিন্তু সম্প্রতি এক ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে ব্র্যান্ড ফ্যাসিনেশন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানালেন, একেবারেই ব্র্যান্ড নিয়ে সচেতন নন তিনি। কোনও নির্দিষ্ট পোশাকের নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডই তাঁর লাগবে, এমন কোনও ব্যাপার তাঁর মধ্যে নেই। সারা বলেন, খুব সাধারণ জামা-কাপড়ও আমার ভালো লাগে। আমি সাধারণ জামা-কাপড়েই খুশি হই।

    তাহলে সাধারণ জামা কোনও মল থেকে কিনতেই পছন্দ করেন অভিনেত্রী? এমন ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে তিনি জানান, পাবলিক মার্কেট থেকেও জামা কেনেন মাঝেমধ্যেই। উদাহরণ দিয়ে জানান, সরোজিনী নগরের জামাও তাঁর ওয়ারড্রবে রয়েছে।


    Elle India-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ২৫ বছর বয়সী সারা বলেন, আমি যখন বড় হই তখন অনেকটাই মোটা ছিলাম। তাই আমার মধ্যে একটি সেন্স তৈরি হয়। আমার কখনওই যায় আসে না কে কী বলল তাতে বা কে আমাকে মোটা বলল বা রোগা বলল। আমি মোটা ছিলাম যখন তখনও আনন্দে ছিলাম। এখনও আছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি সত্যিই সত্যিই খুব সাধারণ ও একদম ঘরোয়া মানুষ। মন থেকে তো সব সময়েই। আর সেটার সঙ্গেই হয় তো মানুষ মিল খুঁজে পায়। আমি খুব বেশি টাকা খরচা করতে পছন্দ করি না। আমার একেবারেই ব্র্যান্ড নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। যে ব্র্যান্ডগুলি আমার মাসের আয়ের থেকেও বেশি, সেগুলির চেয়ে সরোজিনী নগরের জুতি বা সালওয়ার-কামিজ অনেক ভালো।

    শুধু নিজের লাইফস্টাইল বা ব্র্যান্ড নিয়েই নয়। সারা অতিমারী নিয়েও ওই সাক্ষাৎকারে অনেক মন্তব্য করেন। জানান, লকডাউনে বহু জিনিস শিখেছেন তিনি। বলেন, আমি শিখেছি, আমার কাছে যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা উচিৎ কারণ অনেকের কাছে এটা নেই। তাই বাড়িতে ডাল-ভাত খাওয়া বা চা-কফি খাওয়াই তাঁর কাছে অনেকটা পাওয়া!

    First published: