বিনোদন

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মামার কাছে মার খেতেন, শরীরে সেলাইয়ের দাগ দেখালেন রাখি 

মামার কাছে মার খেতেন, শরীরে সেলাইয়ের দাগ দেখালেন রাখি 

বিগবসের ঘরে ঢোকার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ছোটবেলার কিছু খারাপ স্মৃতি বিগবসের ঘরে শেয়ার করলেন রাখি।

  • Share this:

#মুম্বই: টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো বিগবস-এর সঙ্গে প্রতিবছরই কোনও না কোনও বিতর্ক জড়িয়ে থাকে। এবারের সিজনে সেই বিতর্কের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে কন্ট্রোভার্সি-র কুইন রাখি সাওয়ান্ত। বিগবসের ঘরে ঢোকার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ছোটবেলার কিছু খারাপ স্মৃতি বিগবসের ঘরে শেয়ার করলেন রাখি।

শোয়ের আর এক প্রতিযোগী রাহুল বৈদ্যকে রাখি জানান, ছোটবেলায় তাঁর মামা মারধর করতেন। বাড়ির গার্ডেন এরিয়াতে বসে রাখি তাঁর শরীরে সেই মারধরের জেরে সেলাইয়ের দাগও দেখান। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "মামা এমন মারধর করত যে সেলাই পড়েছিল, দেখো। তিনি এখন আর বেঁচে নেই।"

ছোটবেলায় খুবই কড়া পরিবেশে বড় হয়েছেন বলে জানান রাখি। তাঁর কথায়, "আমাদের এমনকি ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়ানোরও অনুমতি ছিল না। মহিলারা ভ্রু-প্লাগ পর্যন্ত করতে পারত না। আমরা ওয়্যাক্সিং বা অন্য কিছুই করতে পারতাম না। জানি না কেমন পুরুষ ওরা।"

ছোটবেলায় নাচ করা নিয়েও বহু সমস্যা হয়েছিল বলে জানান তিনি। নাচ করার জন্য মারও খেতে হয়েছিল তাঁকে। আবার এই নাচের জন্যই নাকি বিয়ের সম্বন্ধ এসেও চলে গিয়েছিল।

এসব বলতে বলতেই রাখি কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, "বলিউডে থাকলে মানুষ বলে আমরা চরিত্রহীন। বলিউডে থাকা কি পাপ? নৃত্যশিল্পী হওয়া কি পাপ?"

এর আগের এপিসোডে রাহুল মহাজন রাখি সম্পর্কে একই কথা বলেছিলেন রাহুল বৈদ্য, আরশি খান ও সোনালিকে। তিনি বলেন, রাখি এক সময়ে খুব মারধরের শিকার হয়েছেন।

সম্প্রতি বিগবসের ঘরে একটি বাকবিতণ্ডায় জড়ান রাখি। সেখান থেকে হাতাহাতি পর্যন্ত হয়। রাখি দাবি করেন তিনি আহত হয়েছেন। যদিও এক্সরে করার পরে দেখা গিয়েছে তিনি ভালো আছেন। তবে বিগবস জানিয়েছেন, রাখির নাকের সার্জারিতে কোনও আঘাত লেগেছে কি না তা এমআরআই করে দেখতে হবে। তবে তার জন্য ঘরের বাইরে যেতে হবে তাঁকে এবং তারপর কোয়ারেন্টাইনে থেকে ঘরে ফিরতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে সায় দেননি রাখি। তিনি ঘরে থেকে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Published by: Swaralipi Dasgupta
First published: December 31, 2020, 11:15 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर