• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • বাবার পা বাদ গেল, অপারেশনের টাকা জোগাড় করতে ছুটলাম শো করতে: জনি লিভার

বাবার পা বাদ গেল, অপারেশনের টাকা জোগাড় করতে ছুটলাম শো করতে: জনি লিভার

কোটি কোটি মানুষকে হাসানো তাঁর কাজ। তাই কি তিনি বাস্তব জীবনে ট্র্যাজিক হিরো?

কোটি কোটি মানুষকে হাসানো তাঁর কাজ। তাই কি তিনি বাস্তব জীবনে ট্র্যাজিক হিরো?

কোটি কোটি মানুষকে হাসানো তাঁর কাজ। তাই কি তিনি বাস্তব জীবনে ট্র্যাজিক হিরো?

  • Share this:

    শর্মিলা মাইতি

    #মুম্বই: কোটি কোটি মানুষকে হাসানো তাঁর কাজ। তাই কি তিনি বাস্তব জীবনে ট্র্যাজিক হিরো?

    কিন্তু এই পাতাঝরার কাহিনিও লুকিয়ে থাকে হাসি-মশকরার মলাটে। এক সাক্ষাতকারে যা উজাড় করে মেলে ধরা অসম্ভব।
    জমি লিভার। বলিউডের ব্যস্ততম কমেডিয়ান। এক কথায়, বলিউড ছবিতে দুই ধরনের কমেডি হয়। এক, জনি লিভারের কমেডি। দুই জনি লিভার ছাড়া কমেডি।
    কুলি নাম্বার ওয়ান রিমেক গোবিন্দা ও করিশমাকে ছাড়া হতে পারে। কিন্তু জনি লিভারকে ছাড়া অসম্ভব।
    "বাদশা ছবির শুটিং চলছে। বাবার সেই সময় জটিল অপারেশন। ইউনিটকে কিচ্ছু জানাইনি। অভিনয়টা সঠিক করতে হবে। আমার ঘরে হঠাৎ ঢুকলেন শাহরুখ। বললেন, আপনি কেন এত বড় কথাটা আমায় লুকোলেন? দয়া করে বাবার কাছে যান। আমি তাঁকে আশ্বস্ত করলাম, শুটিং সেরেই যাব। চিন্তা করবেন না। কিন্তু শাহরুখের এই কথাগুলো মনে রেখেছিলাম। তার পরদিন, নানাবতী হাসপাতালে বাবার অবস্থা আরও জটিল হল। আমার ভাই টেলিফোন করে কাঁদতে কাঁদতে বলল, "পা-টা কেটে বাদ দিতে হবে বাবার! " আমার সামনে লোক, কাঁদতেও পারছি না। এবার কী করে টাকা জোগাড় করব চিন্তা করছি। ভুলেই গেছি যে আমার শো ছিল কলেজে! ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি চারটে বাজে। কোনও মতে জামাকাপড় আলমারি থেকে বের করে বগলদাবা করে দৌড় লাগালাম। ট্যাক্সি ধরে ট্যাক্সির মধ্যেই চেঞ্জ করে শো করতে গেলাম। " বললেন স্মৃতিমেদুর জনি লিভার।
    ডেভিড ধাওয়ান জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, আপনাকে ছাড়া রিমেক হবে না। "আরে না না! আমি নিমিত্তমাত্র। উনি অনেক বেশি বিনয়ী। বরুণ ধাওয়ানকে ছাড়া, সারাকে ছাড়া রিমেক হত না। আর বরুণকে তো কোন ছোটবেলা থেকে দেখেছি। বাচ্চা ছেলে আসত। আমায় দেখে হাত নাড়ত। ইজ্জত দেয় এখনও।"
    আপনাকে নাকি বেশির ভাগ সময়ে পরিচালকরা স্ক্রিপ্ট দেন না। শুধু সিন বুঝিয়ে দেন। বাকিটা আপনি নিজেই উৎরে দেন? হাসলেন জনি। "আসলে যাঁরা আমায় এই সুযোগ দেন, তাঁরা খুব ডি়মান্ডিং পরিচালক। প্রত্যেকটা সিনে আমার কাছ থেকে কিছু চাই। তাই আমি আমার মতো করে দিই। " হাসলেন তিনি। "বাজিগর ছবিতে যেমন। কিছুই ছিল না স্ক্রিপ্ট!"
    একটু থেমে নিজেই বললেন, "হিন্দুস্তান লিভারের মজদুর ছিলাম। ধরাভিতে থেকে মানুষ হয়েছি। আজ যেটুকু পেয়েছি ঈশ্বরের কৃপা। যখন দেখতাম, বিজনেস ক্লাস টিকিট হচ্ছে আমার জন্য। এত বড় বড় সব লোকের সঙ্গে আলাপ হচ্ছে, যাঁদের চোখে দেখাও এক স্বপ্নপূরণের মতো। তাই নিজেকে বার বার আজও বলি, এত ইজ্জত দিচ্ছেন এঁরা! আমাকেও তো কিছু করে দেখাতে হবে।" বললেন তিনি। চোখের কোণ চিকচিক করে উঠল। দুঃখে। আনন্দে।
    Published by:Akash Misra
    First published: