বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন অমূল্য এক উপহার, ঋষির প্রয়াণ দিবসে মন খুললেন রণবীর

বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন অমূল্য এক উপহার, ঋষির প্রয়াণ দিবসে মন খুললেন রণবীর

বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন অমূল্য এক উপহার; ঋষির প্রয়াণ দিবসে মন খুললেন রণবীর!

প্রবীণ অভিনেতার মৃত্যুর কয়েকমাস পরে রণবীর বলেছিলেন তাঁর বাবার সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।

  • Share this:

#মুম্বই: দেখতে দেখতে গোটা একটা বছর পার। প্রয়াত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা ঋষি কাপুর (Rishi Kapoor)। গত বছর ৩০ এপ্রিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরিসমাপ্তি ঘটেছিল বলিউডের একটা অধ্যায়ের। এক বছর অতিক্রমের পরও সব কিছু স্বাভাবিক নয় কাপুর পরিবারে। ঋষি কাপুরের অনুপস্থিতি তাড়া করে নিয়ে চলেছে তাঁর পরিবারকে।

স্মৃতিবিজড়িত রয়েছে ঘরের প্রতিটি জায়গা। স্বামীর মৃত্যুর পর এখনও যেমন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারেননি নীতু কাপুর (Neetu Kapoor), একই অবস্থা ছেলে রণবীর কাপুরেরও (Ranbir Kapoor)। বাবার মৃত্যুর পর রণবীর কাপুর তাঁদের বাবা-ছেলের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছিলেন। প্রবীণ অভিনেতার মৃত্যুর কয়েকমাস পরে রণবীর বলেছিলেন তাঁর বাবার সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। বাবা এখন তাঁদের মধ্যে নেই এটা তিনি এখনও মেনে নিতে পারেননি।

তাঁর বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে, রণবীর এই প্রবীণ অভিনেতার জীবনী নিয়ে খুল্লমখুল্লা আলোচনা করেন। রণবীর বলেন তাঁর বাবার সঙ্গে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাময় একটি সম্পর্ক ছিল। “আমি আমার মায়ের খুব কাছের। আমি মনে করি আমার বাবা তাঁর বাবার সঙ্গে যে রকম সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন ঠিক তেমনই ছেলে হিসাবে আমার সঙ্গে একই রকম সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।”

রণবীর আরও বলেন তাঁর জীবনে বিশাল বড় একটি ছাপ রেখে গিয়েছেন ঋষি কাপুর এবং রণবীর আজকে যেখানে পৌঁছেছেন সবই তাঁর বাবার জন্য। ঋষি কাপুর তাঁকে এবং তাঁর বোন ঋদ্ধিমা কাপুর সাহনিকে (Riddhima Kapoor Sahani) বুঝিয়েছিলেন সম্পর্কের গুরুত্ব কতটা আর কেমন হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “ঋষি কাপুর অত্যন্ত সুন্দর, এবং পারিবারিক একজন মানুষ ছিলেন।”

রণবীর তাঁর মা নীতু কাপুরের প্রতি তাঁর অত্যন্ত গভীর ভালোবাসার কথা ব্যক্ত করেন। বলেন যে তাঁর বাবা দেখিয়েছিলেন তাঁর মা হচ্ছেন তাঁদের পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু। আর কোনও সমস্যাই তাঁদের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। রণবীর বলেন এই মনোভাবটাই হল তাঁর জীবনের সব থেকে মূল্যবান উপহার যা তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: