• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • BOLLYWOOD MOHER OF DEEPIKA PADUKONE UNDERSTOOD THAT HER DAUGHTER WAS HAVING SOME MENTAL ISSUE SWD TC

Deepika Padukone: রণবীর কাপুরের জন্য নয়, কাঁদছেন অন্য কারণে! কী ভাবে বুঝতে পেরেছিলেন দীপিকার মা

সব কিছুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি যে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, সে কথা সম্প্রতি এক কনফারেন্সে বেশ স্পষ্ট করেই জানালেন দীপিকা।

সব কিছুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি যে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, সে কথা সম্প্রতি এক কনফারেন্সে বেশ স্পষ্ট করেই জানালেন দীপিকা।

  • Share this:

#মুম্বই: রণবীর কাপুরের (Ranbir Kapoor) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল ২০০৮ সালে। অন্য দিকে, নিজেই জানিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন (Deepika Padukone) যে তিনি ২০১৪ সাল থেকে মানসিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে নায়িকার মানসিক সমস্যার জন্য নিঃসন্দেহেই প্রাক্তনের দিকে আঙুল তোলা যায় না! কিন্তু ভালোবাসার ভাঙন যে একটা বড় বিপর্যয় ডেকে এনেছিল তাঁর মনোজগতে, সব কিছুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি যে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, সে কথা সম্প্রতি এক কনফারেন্সে বেশ স্পষ্ট করেই জানালেন দীপিকা।

নায়িকা এই প্রসঙ্গে তুলে এনেছেন তাঁর মানসিক অবসাদ কী ভাবে ধরা পড়ল সেই প্রসঙ্গ। তিনি জানিয়েছেন যে ২০১৪ সালে একটা সময়ে তাঁর আর কিছুই ভালো লাগত না! কোনও কিছুতেই আর উৎসাহ বোধ করতেন না তিনি। এরকম ভাবেই দিন কাটছিল। এর মাঝে বেঙ্গালুরু থেকে দিনকয়েকের জন্য মুম্বইতে মেয়ের কাছে আসেন উজ্জ্বলা পাড়ুকোন (Ujjala Padukone) এবং প্রকাশ পাড়ুকোন (Prakash Padukone)।

"আমি তাঁদের ফিরে যাওয়ার দিন বসে বসে গোছগাছ দেখছিলাম। আচমকাই থাকতে না পেরে জোরে জোরে কেঁদে উঠি! আর তখনই আমার মায়ের সন্দেহ হয়। মা বুঝতে পেরেছিলেন যে এটা কোনও ছেলের জন্য কান্না নয় বা কাজের জগতের সঙ্গেও এই কান্নার কোনও সম্পর্ক নেই। তখন মা জানতে চান কেন আমি কাঁদছি! আমি কোনও স্পষ্ট উত্তর দিতে পারিনি। এর পরে মা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে নানা প্রশ্ন করেন, বোঝার চেষ্টা করেন যে এগুলোর কোনওটার জন্য কাঁদছি কি না! কিন্তু আমি কোনওটারই গুছিয়ে জবাব দিতে পারিনি। এর পরেই মা বুঝতে পারেন যে আমার মানসিক একটা সমস্যা হচ্ছে", জানিয়েছেন দীপিকা।

সেই সঙ্গে তিনি এটাও জানাতে ভোলেননি যে এই মানসিক অসুখের পর থেকে তাঁর জীবন আমূল বদলে গিয়েছে। আবার যাতে ওই জায়গাটায় ফিরে যেতে না হয়, সে জন্য এখনও তাঁকে রুটিন মাফিক জীবনযাপন করতে হয়। খেতে হয় সময়মতো, ঘুমাতে হয় ঠিক সময়ে, নিজের যত্ন নিতে হয়!

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: