• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • BOLLYWOOD KEY MAKER REVEALS HE WAS TOLD TO STOP WORK IF THERE WAS SOUND FROM INSIDE SR

ভিতর থেকে কোনও আওয়াজ এলেই লক ভাঙা বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল চাবিওয়ালাকে!

দরজা ভাঙার পর দরজা খুলতে গেলে নিষেধ করা হয়েছিল চাবিওয়ালাকে । তাঁকে বলা হয় টাকা নিয়ে চলে যেতে । তারপর ২ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে বিদায় করা হয় ।

দরজা ভাঙার পর দরজা খুলতে গেলে নিষেধ করা হয়েছিল চাবিওয়ালাকে । তাঁকে বলা হয় টাকা নিয়ে চলে যেতে । তারপর ২ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে বিদায় করা হয় ।

  • Share this:

    #‌মুম্বই:‌ সুশান্ত সিং রাজপুত ১৪ জুন কোনও এক অজ্ঞাত কারণেই ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তাঁর দেহ উদ্ধার করার জন্য ঘরের দরজা ভাঙতে হয় বলেও জানায় পুলিশ। কিন্তু কে দরজা ভাঙলেন?‌ তিনি দরজা ভেঙেই কী দেখলেন, সেসব এখনও রহস্যের আড়ালেই রয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন আগে সামনে এসেছেন সেই চাবিওয়ালা, যিনি বলেছেন, সুশান্তের ঘর বন্ধ থাকায় তাঁকে ডেকে এনেছিলেন সুশান্তের বন্ধুরা। যাতে চাবি খুলে দরজার ওপারে থাকা সুশান্তকে উদ্ধার করা যায়। সেই চাবিওয়ালার সঙ্গেই কথা বলে একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যম। সেখানেই সে দিনের ঘটনার বড় পর্দাফাঁস করেন ওই চাবিওয়ালা।

    সংবাদ মাধ্যমে চাবিওয়ালা রফিক জানিয়েছেন, ১৪ জুন বেলা ১টা নাগাদ তাঁর কাছে ফোনটি এসেছিল । ফোন করেছিলেন সিদ্ধার্থ পাঠানি । তিনি আমাকে লকের ছবি পাঠান । লকটি কম্পিউটারাইজড ছিল । সেটা খুলতে গেলে ঘণ্টা খানেক সময় লাগত । তাই লক ভাঙতে বলা হয় রফিককে । পাশাপাশি এও বলা হয়, ঘরের ভিতর থেকে কোনওরকম আওয়াজ এলেই যেন লক ভাঙা বন্ধ করে দেওয়া হয় ।

    কিন্তু দরজা ভাঙার পর দরজা খুলতে গেলে নিষেধ করা হয়েছিল রফিককে । তাঁকে বলা হয় টাকা নিয়ে চলে যেতে । তাঁর হাতে ২০০০ টাকাও দেওয়া হয় । কিন্তু ঘরের মধ্যে কী আছে, তা দেখতে দেওয়া হয়নি তাঁকে ।

    তার মানে দাঁড়ায়, ওই চাবিওয়ালাও দেখেননি সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ। সরাসরি একমাত্র সিদ্ধার্থ ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ দেখেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। যতক্ষণে সুশান্তের দিদি এসে পৌঁছেছেন, ততক্ষণে দেহ নামানো হয়ে গিয়েছে। তাই সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

    Published by:Simli Raha
    First published: