কাজ বন্ধ বলিউডে, খুব শীঘ্রই কি বাহারিনে নিজের বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাচ্ছেন জ্যাকলিন?

বাহরিনে ফিরে গিয়ে মেয়ের নিরাপত্তা চিন্তায় উদ্বিগ্ন হচ্ছেন অভিনেত্রীর মা-বাবা।

বাহরিনে ফিরে গিয়ে মেয়ের নিরাপত্তা চিন্তায় উদ্বিগ্ন হচ্ছেন অভিনেত্রীর মা-বাবা।

  • Share this:

#মুম্বই: ২০২০ সালের শেষ থেকে চলতি বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত একাধিক ছবির শ্যুটিংয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ (Jacqueline Fernandez)। তালিকায় রয়েছে ভূত পুলিশ (Bhoot Police), সার্কাস (Cirkus) এবং বচ্চন পাণ্ডের (Bachchan Pandey) মতো ছবি। তিনি অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) এবং নুসরত ভারুচ্চার (Nushrratt Bharuccha) সঙ্গে ‘রাম সেতু’ (Ram Setu) ছবির শ্যুটিংও করেছেন। যেখানে প্রাক্তন এবং কিছু ক্রু সদস্য করোনায় আক্রান্ত হন। অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মতো জ্যাকলিনের জীবনের এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে এই মারণ ভাইরাস করোনা।

জ্যাকলিনের কথায়, “আমি মনে করি ২০২০ সালে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সবাইকে হতবাক করেছিল। এই সময়টিতে, যখন আমরা দ্বিতীয় তরঙ্গের জন্য প্রস্তুত ছিলাম, বিপদগ্রস্তদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করার জন্য প্রচুর মানুষ বেরিয়ে আসেন।” অভিনেত্রী এখন একেবারে তাঁর নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন। ছবির শ্যুটিং বন্ধ থাকায়, এখন অভিনেত্রী এই করোনাভাইরাসের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর সেবায় নিজেকে নিযুক্ত করেছেন। বিভিন্নভাবে তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

তবে অভিনেত্রী এখানে সামাজিক কাজে নিজেকে নিযুক্ত করলেও বাহরিনে ফিরে গিয়ে মেয়ের নিরাপত্তা চিন্তায় উদ্বিগ্ন হচ্ছেন অভিনেত্রীর মা-বাবা। তিনি বলেন, “শ্রীলঙ্কা থাকা আমার বন্ধুরা এবং বাহরিনে থাকা আমার বাবা-মা ভারতের পরিস্থিতির খবর দেখে আতঙ্কিত হচ্ছেন। আমার বাবা-মা মরিয়া ভাবে চান যে আমি বাহরিনে তাঁদের সঙ্গে থাকি। এমনকি আমার কাকা এবং কাকাতো ভাইরা তাঁদের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে আমাকে থাকতে বলছেন। তবে যাই হোক, আমি এখানেই থাকতে চাই এবং মানুষের জন্য যে কাজ করছি তা চালিয়ে যেতে চাই।”

প্রসঙ্গত, রুপোলি পর্দায় জ্যাকলিনের রূপের ছটা যেন বাড়িয়ে তোলে সহস্র অনুরাগীর হৃদস্পন্দন। কিন্তু করোনার জেরে লকডাউনে বলিউডের শ্রীলঙ্কার সুন্দরী অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছে একেবারে অন্য রূপে। অতিমারীকালে মানুষের সাহায্য করতে পথে নেমেছেন এই সুন্দরী অভিনেত্রী। এই করোনাকালে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে ১ লক্ষ মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন অভিনেত্রী। এ ছাড়াও মুম্বই পুলিশকে মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের মতো পণ্যের জোগান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী। এমনকি এই সঙ্কটের মুহূর্তে মানুষের সেবার স্বার্থে ‘ইয়োলো’ (ইউ অনলি লিভ ওয়ানস) নামে নিজের একটি সংস্থাও তৈরি করেছেন জ্যাকলিন। অভিনেত্রীর এই কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নেটিজনেরা।

Published by:Simli Raha
First published: