বিদেশ থেকে আমদানিকৃত দামি চরসের নেশা করতেন সুশান্ত, চাঞ্চল্যকর বয়ান ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর

সুশান্তের প্রাক্তন ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মুস্তাকের চাঞ্চল্যকর দাবি শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়মিত চরসের নেশা করতেন অভিনেতা।

সুশান্তের প্রাক্তন ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মুস্তাকের চাঞ্চল্যকর দাবি শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়মিত চরসের নেশা করতেন অভিনেতা।

  • Share this:

    #মুম্বই: সুশান্ত মামলায় আরও বিপাকে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI)-র পর এবার নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরোর স্ক্যানারে রিয়া। নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্স আইনের আওতায় রিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো সূত্রে জানা গিয়েছে, নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্স আইন, (Narcotic Drugs and Psychotropic Substances Act) ১৯৮৫ অনুযায়ী ২০, ২২, ২৭, ২৯ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে রিয়া এবং তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে।

    এ দিকে, সুশান্তের প্রাক্তন ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মুস্তাকের চাঞ্চল্যকর দাবি শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়মিত চরসের নেশা করতেন অভিনেতা। ইন্ডিয়া টুডে'র এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুস্তাক জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত দামী চরসের নেশা করতেন সুশান্ত। ব্যক্তিগত পার্টি ছাড়াও গাড়িতে যাওয়ার সময় তিনি নেশা করতেন। সুস্তাক জানিয়েছেন, প্রায় ৯ মাস তিনি সুশান্তের সঙ্গে ছিলেন। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ ছেড়ে দেন।

    মুস্তাকের দাবি, সুশান্তের বাড়ির রাঁধুনি থেকে পরিচারক সকলেই তাঁদের বসের জন্য গাঁজা বা চরসের জয়েন্ট বানিয়ে দিত। তাতে নাকি তিনি বহুবার নিষেধও করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁকে বলা হয় , 'এটা সাধারণ মানের কোনও নেশার দ্রব্য নয়, এটা অত্যন্ত দামি, বাইরে থেকে সেগুলো আনা হয়।' এমনকি তাঁকে বলা হয়, গাড়ির মধ্যে যেন কখনও কোনও নমুনা না পড়ে থাকে, সেক্ষেত্রে পুলিশি তল্লাশিতে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে সুশান্তের বাড়ির রাঁধুনি নীরজ দাবি করেছিল, গাঁজার নেশা করতেন সুশান্ত। এমনকি মৃত্যুর দিন কয়েক আগেও তিনি অভিনেতার জন্য সিগারেট বানিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু মৃত্যুর পরে সেই বাক্স একেবারে খালি ছিল।

    এ দিকে, সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে জানা গিয়েছে, ইডির তরফে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় NCB-র আধিকারিকদের জানান হয়, রিয়া মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট রিট্রিভ করে রিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন জনের মাদক নিয়ে কথোপকথনের উঠে এসেছে সেই তথ্য। সেই ড্রাগের ব্যবহার বা কেন তিনি সেই বিষয়ে আলোচনা করেছেন সেই বিষয়ে তদন্ত করুক নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো।  যদিও রিয়ার আইনজীবী সতীশ মানেশিন্ডে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, রিয়া জীবনে কখনও মাদক নেননি। তিনি যে কোনও সময় রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: