• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • BOLLYWOOD ENFORCEMENT DIRECTORATE SUMMONS JAYA SAHA WHOSE WHATSAPP CHAT WITH RHEA CHAKRRABARTY GIVS DRUG ANGLE IN SUDHANT SINGH RAJPUT MURDER CASE AKD

"চায়ে চার ফোঁটা মিশিয়ে দিও ওটা", রিয়াকে বলেছিলেন, ইডির শমন সেই জয়া শা-কে

সুশান্তের পরিবার ও অনুরাগীরা সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, বিষপ্রয়োগ করে খুন করা হয়েছে অভিনেতাকে। সত্যিই কি তাই ? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার পর সুশান্তের ভিসেরা রিপোর্ট পরীক্ষা করে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয় দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস AIIMS-এর বিশেষজ্ঞ দলকে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি সিবিআই-কে ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিয়েছে AIIMS সেখানে সাফ জানানো হয়েছে, অভিনেতার উপর বিষপ্রয়োগের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

অনেকেই মনে করছে, মাদক নিয়ে তাঁর এবং রিয়ার কথোপকথন, সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে নতুন দিক খুলবে।

  • Share this:

    #মুম্বই: মাদক বিষয়ে সুশান্ত-প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে নিয়মিত কথাবার্তা চালাতেন। মঙ্গলবারই সেই তথ্য় সামনে আসে। এবার সেই জয়া শাকে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অনেকেই মনে করছে, মাদক নিয়ে তাঁর এবং রিয়ার কথোপকথন, সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে নতুন দিক খুলবে।

    ঠিক কী কথা হয়েছিল রিয়া এবং জয়ার? দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর রিয়াকে জয়া লেখেন, "চারটে ড্রপ দিয়ে দাও কফি বা চায়ে বা জলে। ওকে ওটা চুমুক দিয়ে খেতে দাও। তিরিশ চল্লিশ মিনিট যেতে দাও, দেখতে পাবে কিক।" রিয়া উত্তরে থ্যাংক ইউ বলেন জয়াকে।

    অন্য দিকে, রিয়ার সঙ্গে মিরান্ডা সুশি নামক এক জনের কথা হয় ২০২০সালের ১৭ এপ্রিল। দেখা যায় মিরান্ডা রিয়াকে লিখেছন, "হাই রিয়া, আমাদের জিনিসটা একদম শেষ হয়ে গিয়েছে।"  তিনি আরও লেখেন, তিনি যার কাছ থেকে ওই বস্তুটি নিয়েছিলেন তা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তার কাছে শুধুই মারিজুয়ানা জাতীয় নেশাদ্রব্য রয়েছে।

    অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, বড় ধরনের একটি মাদক চক্রের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন রিয়া। এদিকে সুশান্তের মারিজুয়ানা সেবনের কথাও প্রকাশ্যে এসেছে সম্প্রতি। অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করতে চাইছেন। প্রশ্ন করছেন, মাদক অধিক সেবনেই কি সুশান্তের এই পরিণতি? প্রশ্ন উঠছে, মারিজুয়ানা ছাড়াও আর কী কী নেশায় যুক্ত ছিলেন সুশান্ত-রিয়া? তাকে কী দেওয়ার কথা বলেছিলেন জয়া? সুশান্তের অজান্তেই কি তাঁকে কোনও নেশাবস্তু দেওয়া হয়েছিল?

    এই বিষয়ে সিবিআই-এর নজর ঘোরাতে চায় সুশান্তের পরিবারও। তবে রিয়ার আইনজীবী এসব তত্ত্বকে উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, যে কোনও মুহূর্তে তাঁর কৌসুলি রক্তপরীক্ষার জন্য তৈরি।

    উল্লেখ্য সুশান্ত মামলায় বর্তমানে একই সঙ্গে তদন্ত করছে সিবিআই, ইডি এবং নার্কোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো।

    Published by:Arka Deb
    First published: