• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • BOLLYWOOD DILIP KUMAR REIGNED THE SILVER SCREEN WHEN OTHER HEROES SHONE BRIEFLY AND FADED AWAY PBD

Dilip Kumar death: ভারতীয় ছবির 'শক্তি' তিনি, প্রতি ছবিতেই 'নয়া দৌড়'-এর মাইলফলক রচনা করেছিলেন দিলীপ কুমার!

বাস্তবের মহম্মদ ইউসুফ খান (Mohammad Yusuf Khan) কী ভাবে একাধিক ছবিতে শঙ্কর নামে বিখ্যাত হয়ে স্থান পেলেন জনতার মনে, সেই সত্য কেবল লুকিয়ে আছে সেলুলয়

বাস্তবের মহম্মদ ইউসুফ খান (Mohammad Yusuf Khan) কী ভাবে একাধিক ছবিতে শঙ্কর নামে বিখ্যাত হয়ে স্থান পেলেন জনতার মনে, সেই সত্য কেবল লুকিয়ে আছে সেলুলয়

  • Share this:

১৯৯১ সালে পদ্মভূষণ (Padma Bhushan), ২০১৫ সালে পদ্মবিভূষণ (Padma Vibhushan), ২০০০ সাল থেকে ২০০৬ সাস পর্যন্ত রাজ্য সভার সদস্য হিসাবে মনোনীত হওয়া, ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বম্বের শেরিফ পদ- কোনওটাই প্রয়াত দিলীপ কুমারের (Dilp Kumar) মর্যাদার পক্ষে যথেষ্ট নয়, এ যেন সম্মান তাঁর হাতে তুলে দিতে পেরে ভারত সরকারেরই নিজেকে ধন্য মনে করা! যদি ভারতীয় ছবির এই অসীম ক্ষমতাধর অভিনেতার সামর্থ্যের মূল্যায়ণ করতেই হয়, তাহলে বোধহয় একমাত্র যথাযথ পুরস্কার হতে পারে ১৯৯৪ সালে পাওয়া দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার (Dadasaheb Phalke Award)। বাদ দেওয়া যায় না একাধিক ফিল্মফেয়ার (Filmfare) পাওয়ার রেকর্ডও। কেন না, এই দুই ছবির জগতের সঙ্গে যুক্ত। আর এখানেই দিলীপ কুমার স্থান পেয়েছেন ভারতীয় ছবির 'শক্তি' হিসাবে, প্রতি ছবিতেই 'নয়া দৌড়'-এর মাইলফলক রচনা করেছিলেন তিনি! সেই জন্যই তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray)- ভারতীয় ছবির সেরা মেথড অভিনেতা হিসাবে কেবল দিলীপ কুমারের নামই উঠে আসে!

কেরিয়ারের একাধিক ছবিতে এই মেথড এবং জনপ্রিয়তার রেকর্ড গড়েছেন দিলীপ কুমার। ভারতীয় ছবিতে জন্মান্তরের কাহিনি জনপ্রিয় হয়েছিল তাঁর অসামান্য অভিনয়ের গুণেই, ১৯৫৮ সালের মধুমতী (Madhumati) ছবিতে আনন্দ এবং দিবেনের চরিত্রে তাঁর অসামান্য অভিনয় কে ভুলতে পারেন! বলতে দ্বিধা নেই, এই দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের মুন্সিয়ানা বারে বারে উঠে এসেছে ভারতীয় ছবির পর্দায়। ১৯৬৭ সালের রাম অউর শ্যাম (Ram Aur Shyam) ছবির কথাও এই প্রসঙ্গে বলতে হয় বা একেবারে শেষ ছবি ১৯৯৮ সালের কিলা (Qila)! কিন্তু দিলীপ কুমারের অভিনয় নৈপুণ্যে তা একবারের জন্যও ক্লিশে বলে মনে হয় না!

দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের কথা যদি ছেড়েও দেওয়া যায়, তাহলেও বেশ কয়েকটি দিক থেকে ভারতীয় ছবিকে পুষ্ট এবং জনতাকে তুষ্ট করেছেন দিলীপ কুমার। ১৯৫৫ সালে মুক্তি পাওয়া বিমল রায়ের (Bimal Roy) দেবদাস (Devdas) ছবিটিই তার প্রমাণ! এর আগে ১৯৩৫ সালে প্রমথেশ বড়ুয়ার (Pramathesh Barua) পরিচালনায় দেবদাসের রুপোলি পর্দায় আবির্ভাব ঘটে গিয়েছে, সেই চরিত্রে দর্শককে মুগ্ধও করেছেন কে এল সায়গল (K.L. Saigal)। কিন্তু রুপোলি পর্দায় দেবদাসকে যে রকম ভাবে দেখে হালে অভ্যস্ত দর্শক, সেই পথটি তৈরি করে দিয়েছিল দিলীপ কুমারের অভিনয়- আজও এই চরিত্রে তাঁর অভিনয়ের ঘোর কাটিয়ে বেরোতে পারেননি কেউই!

দিলীপ কুমারের অভিনয়ের ঘোরের কথা বললে মুঘল-এ-আজমকেই (Mughal-e-Azam) ছবির কথাই কী বাদ দেওয়া যায়! ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয় কতটা আবেগদৃপ্ত হতে হয়, সে নকশি কাঁথা পর্দায় বুনেছে সেলিম চরিত্রে দিলীপ কুমারের অভিনয়। এই অভিনয়ের দাপট ছিল বলেই শক্তি (Shakti) ছবিতে তর্কাতর্কির দৃশ্য অমিতাভ বচ্চনকে (Amitabh Bachchan) ছাড়াই নিখুঁত ভাবে তুলে দিয়েছিলেন দিলীপ কুমার, পরে রমেশ সিপ্পি (Ramesh Sippy) আলাদা আলাদা দৃশ্য এক ফ্রেমে এডিট করে দেন।

তা বলে ভুলে যাওয়া অন্যায়, এই সব উচ্চবিত্ত চরিত্রে অভিনয়ের মাইলফলক গড়লেও এই দিলীপ কুমারই অনায়াসে হয়ে উঠেছেন ছবিতে খেটে খাওয়া জনতার প্রতিনিধি। তপন সিংহের (Tapan Sinha) সাগিনা মাহাতো (Sagina Mahato)- শুধু এই একটি উদাহরণই যথেষ্ট! তালিকা শুধু দীর্ঘই হবে, আর কিছু নয়! দিলীপ কুমারকে তাই বুঝতে গেলে চোখ রাখতে হবে তাঁর অভিনীত ছবির জগতে, বাস্তবের মহম্মদ ইউসুফ খান (Mohammad Yusuf Khan) কী ভাবে একাধিক ছবিতে শঙ্কর নামে বিখ্যাত হয়ে স্থান পেলেন জনতার মনে, সেই সত্য কেবল লুকিয়ে আছে সেলুলয়েডেই! যা ধ্রুবতারার মতো কেবলই আলো ছড়াবে!

Published by:Pooja Basu
First published: