• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • টানা সাড়ে ৫ঘণ্টা এনসিবি-র জেরার পর মুক্তি পেলেন দীপিকা, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে নায়িকার ফোন

টানা সাড়ে ৫ঘণ্টা এনসিবি-র জেরার পর মুক্তি পেলেন দীপিকা, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে নায়িকার ফোন

(Image: Viral Bhayani)

(Image: Viral Bhayani)

শনিবার টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা এনসিবি-র জেরার পর ডিআরডিও গেস্ট হাউজ থেকে ছাড়া পেলেন বলিউডের 'পদ্মাবতী' দীপিকা পাড়ুকোন

  • Share this:

    #মুম্বই: শনিবার টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা এনসিবি-র জেরার পর ডিআরডিও গেস্ট হাউজ থেকে ছাড়া পেলেন বলিউডের 'পদ্মাবতী' দীপিকা পাড়ুকোন। মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এদিন দীপিকাকে তলব করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো।

    এনসিবি সূত্রে জানা যায়, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দীপিকার ফোন। প্রসঙ্গত, এই ফোন থেকেই ২০১৭ সালে ট্যালেন্ট ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশের সঙ্গে মাদক নিয়ে চ্যাট করেছিলেন দীপিকা। সিবিআই আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর ফোন খতিয়ে দেখা হবে।

    সূত্রের খবর, দীপিকার জেরা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি, তাঁর জন্য এনসিবি একটি প্রশ্নের তালিকা তৈরি করেছিল, আজকের জিজ্ঞাসাবাদে সমস্ত প্রশ্ন করা যায়নি। তবে আপাতত এখনই দীপিকাকে আর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না। পরবর্তীতে তদন্তের খাতিরে প্রয়োজন হলে তাঁকে ফের তলব করা হবে।

    এনসিবি’র জেরার মুখে ড্রাগ চ্যাটের কথা স্বীকার করে নেন দীপিকা পাড়ুকোন । তবে মাদক সেবনের কথা তিনি স্বীকার করেননি বলে জানা গিয়েছে । সূত্রের খবর, দীপিকার ট্যালেন্ট ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশের সঙ্গে নায়িকার যে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ্যে এসেছিল সেখানে ‘ডি’ নামের ব্যক্তি যে দীপিকাই তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন ‘পদ্মাবতী’ । তবে এর সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন, মাদক সেবন তিনি করেননি ।

    আগেই জানা গিয়েছিল, ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন ছিলেন দীপিকা  নিজে। সেখানে ড্রাগস নিয়েই কথাবার্তা হত । সেই গ্রুপে ছিলেন করিশ্মা ও সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার জয়া সাহাও । সেই গ্রুপে মাদক সংক্রান্ত কথা বললেও মাদক গ্রহণ করেননি বলেই দাবি  নায়িকার।

    অন্যদিকে, এনসিবি’র অন্য একটি দফতরে এদিন জেরা করা হয়  শ্রদ্ধা কাপুর এবং সারা আলি খানকে । সেখানেও ড্রাগ নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন শ্রদ্ধা ও সারা । তাঁরা জানিয়েছেন, সুশান্তের লোনাভলার ফার্ম হাউজে তাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সেখানে ড্রাগস পার্টিও হয়েছিল, কিন্তু তাঁরা মাদক সেবন করেননি ।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: