বিপাকে কঙ্গনা ! মুম্বই পুলিশকে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল বান্দ্রা আদালত

মুম্বই পুলিশকে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এবং তাঁর বোন রঙ্গোলির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল অন্ধেরি আদালত

মুম্বই পুলিশকে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এবং তাঁর বোন রঙ্গোলির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল অন্ধেরি আদালত

  • Share this:

    #মুম্বই: মুম্বই পুলিশকে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এবং তাঁর বোন রঙ্গোলির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল অন্ধেরি আদালত। পেশায় অ্যাডভোকেট কাসিফ খান অন্ধেরি আদালতে রঙ্গোলি এবং কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। বান্দ্রা আদালতের পর এদিন অন্ধেরি আদালত মুম্বই পুলিশকে কঙ্গনা রানাওয়াত এবং তাঁর বোন রঙ্গোলি চন্দেলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল।

    অন্ধেরি আদালতে আইনজীবী কাসিফ খান কঙ্গনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইটের মাধ্যমে দুটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ তৈরির অভিযোগ এনেছিলেন। পাশাপাশি কাসিফ খান এও অভিযোগ করেন, কঙ্গনা ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়, আইন এবং অনুমোদিত সরকারি সংস্থাকে সম্মান করেন না এবং আইন-আদালতকেও উপহাস করেছেন। কাসিফ খান অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ এ, ১২৪ এ, ১৫ 15 এ, ১৫৩ বি, ২৯৫ এ, ২৯৮, এবং ৫০৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন। সঙ্গে প্রমাণ স্বরূপ কঙ্গনা ও রঙ্গোলির বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও আদালতে পেশ করেন। বৃহস্পতিবার অন্ধেরি আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

    জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলা কৃষি বিল নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন কঙ্গনা রানাওয়াত। কৃষি বিলের প্রতিবাদে পঞ্জাবে বিক্ষোভ দেখানো কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের তুলনা করেন অভিনেত্রী। 'মনিকার্ণিকা' তারকার এহেন মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় ওঠে! কর্ণাটকেও কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। স্থানীয় আদালতের নির্দেশের পর তুমাকুরু থানায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়! ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ১০৮ (কুকর্মে উৎসাহ), ১৫৩ এ ( সম্প্রদায়ের উপর শত্রুতামূলক মনোভাব) ও ৫০৪ ধারা ( শান্তি লংঘনের প্রচেষ্টা)-য় মামলা দায়ের হয়। আইনজীবী এল রমেশ নাইকের মামলার ভিত্তিতে Tumakuru Judicial Magistrate First Class (JMFC) কোর্ট ৯ অক্টোবর পুলিশকে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেয়।

    'কৃষিপণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন বিল' এবং 'কৃষিপণ্যের দামে সুরক্ষা ও কৃষক ক্ষমতায়ন এবং চুক্তি সংক্রান্ত বিল' পাশ হওয়ার পর হিন্দি, ইংরেজি এবং পঞ্জাবিতে ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দুই বিলেই কৃষক স্বার্থ-রক্ষার আশ্বাস দেওয়া হয়। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা MSP নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইটটি শেয়ার করে হিন্দিতে পোস্ট করেন কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর কথায়, 'প্রধানমন্ত্রীজি কেউ ঘুমিয়ে থাকলে জাগানো যায়। কারও বুঝতে সমস্যা হলে বোঝানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু, ঘুমানোর অভিনয় বা অবুঝ হওয়ার অভিনয় করলে, তাদের কীভাবে বোঝাবেন? এরা ওই সন্ত্রাসী, যারা CAA-র কারণে একজনের নাগরিকত্ব না যাওয়া সত্ত্বেও ওই ইস্যুতে রক্তের নদী সৃষ্টি করেছিল।'

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: