Kareena Kapoor Khan: 'মায়ের উপার্জনেই বড় হয়েছি, কাপুর পরিবারের টাকায় নয়', বোমা ফাটালেন করিনা

করিনা কাপুর সাফ জানিয়েছিলেন যে তাঁর এবং দিদি করিশমার বড় হওয়ার নেপথ্যে বাবা রণধীরের কোনও অবদান নেই।

করিনা কাপুর সাফ জানিয়েছিলেন যে তাঁর এবং দিদি করিশমার বড় হওয়ার নেপথ্যে বাবা রণধীরের কোনও অবদান নেই।

  • Share this:

#মুম্বই: সিদ্ধিমা কাপুর (Siddhima Kapoor)! ঋষি কাপুরের (Rishi Kapoor) বড় মেয়ের জন্মের কিছু দিনের মধ্যেই জন্ম হয় রণধীর কাপুরের (Randhir Kapoor) ছোট মেয়ের। তাই রাজ কাপুর (Raj Kapoor) ঋষির মেয়ের নাম ঋদ্ধিমা আর রণধীরের ছোট মেয়ের নাম সিদ্ধিমা রেখেছিলেন গণেশের দুই স্ত্রী নামে! পরে ববিতা কাপুর (Babita Kapoor) পছন্দ না হওয়ায় মেয়ের নাম বদলে দেন! একজন মায়ের ইচ্ছামতো মেয়ের নাম রাখার অধিকার আছে বইকি, কিন্তু আদতে এই ঘটনা যে রণধীর আর ববিতার দাম্পত্যের ফাটলের দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, সে ঘটনা স্পষ্ট হল করিনা কাপুর খানের (Kareena Kapoor Khan) এক বিবৃতি থেকে।

করিনা মুম্বই মিররকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে রণধীর কোনও দিন তাঁর এবং বড় মেয়ে করিশমা কাপুরের (Karisma Kapoor) জন্য একটা পয়সাও খরচ করেননি! স্মৃতি খুঁড়ে যে কথা তুলে এনেছেন করিনা, তা মোটেও সুখদায়ক নয়। কিন্তু করিনা মুখ খুলতে দ্বিধা করেননি। তিনি সাফ জানিয়েছিলেন যে তাঁর এবং দিদি করিশমার বড় হওয়ার নেপথ্যে বাবা রণধীরের কোনও অবদান নেই। তাঁরা যে সুন্দর ভাবে বড় হয়ে উঠেছেন, বলিউডে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন, এর নেপথ্যে কাপুর পরিবারেরও কোনও ভূমিকা নেই। কেন না, কাপুর পরিবারও তাঁদের জন্য কোনও দিন রণধীরের মতোই একটাও পয়সা খরচ করেননি!

নায়িকা জানিয়েছেন যে ববিতা সম্পূর্ণ নিজের উপার্জনে মেয়েদের এবং সংসারের খরচ চালিয়েছেন। তাঁর রিয়েল এস্টেটের বিজনেস ছিল, সঙ্গে ছিল আরও ছোটখাটো কিছু বিজনেস। এই সব নিয়েই তিনি দিন-রাত ব্যস্ত থাকতেন! করিশমা যত দিন না বলিউডে প্রথম সারির নায়িকা হিসেবে নিজের জায়গা করে নে, তত দিন পর্যন্ত তাঁদের সংসার আর্থিক স্বাচ্ছল্যের মুখ দেখেনি বলেই দাবি করেছেন করিনা! পাশাপাশি তিনি এটাও বলতে ভোলেননি যে বাবার সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্নই হয়ে গিয়েছিল!

প্রসঙ্গত, ববিতা এবং রণধীরের বিয়ে হয়েছিল ১৯৭১ সালে। ১৯৮৮ সালে স্ত্রী আর দুই মেয়েকে ফেলে নিজের পৈতৃক বাড়িতে মা-বাবার কাছে ফিরে যান রণধীর। এখন অবশ্য স্ত্রী এবং মেয়েদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জোড়া লেগেছে। কিছু দিন আগের এক সাক্ষাৎকারে এটাও রণধীর জানিয়েছেন যে তিনি চেম্বুরের পৈতৃক বাড়ি এবার বিক্রি করে দিতে চান, যাতে মেয়েদের এবং স্ত্রীর কাছাকাছি থাকা যায়।

Published by:Shubhagata Dey
First published: