যেন 'ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি'! বডি শেমিংয়ের শিকার হয়েছিলেন এই বলি অভিনেত্রী, ছাড় পাননি 'ষ্টার কিড' হয়েও!

যেন 'ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি'! বডি শেমিংয়ের শিকার হয়েছিলেন এই বলি অভিনেত্রী, ছাড় পাননি 'ষ্টার কিড' হয়েও!

"পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে নিজেকে নিয়ে অসম্ভব লজ্জায় ভুগতাম আমি। আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন চাঙ্কি-কন্যা।

"পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে নিজেকে নিয়ে অসম্ভব লজ্জায় ভুগতাম আমি। আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন চাঙ্কি-কন্যা।

  • Share this:

    #মুম্বই : বলিউডে এখন মি টু মুভমেন্টের মতোই কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে বডি শেমিংয়ের গল্প। এমনই এক অভিজ্ঞতা এবার প্রকাশ্যে আনলেন সদ্য টিনসেল টাউনে পা রাখা তারকা সন্তান, অনন্যা পাণ্ডে। জানা গেল বডি শেমিংয়ের মতো কুরুচিকর প্রবণতা থেকে রেহাই পাননি বলিউড অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডের মেয়ে অনন্যাও। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সেই ট্রলিং এর প্রসঙ্গে মুখ খোলেন নবাগতা নায়িকা।

    তখনও সিনেমা জগতে পা রাখেননি অনন্যা। বেশিরভাগ সময়ই বেরোতেন বাবা-মা চাঙ্কি ও ভাবনা পাণ্ডের সঙ্গে। রোগা-পাতলা চেহারার অনন্যাকে হের গড়ন নিয়ে প্রায়ই 'বুলি'র শিকার হতে হতো সেই দিনগুলিতে। ছিপছিপে চেহারার অনন্যাকে এমনকি 'ছেলেদের মতো দেখতে', 'ফ্ল্যাট স্ক্রিন' ইত্যাদি মন্তব্যও শুনতে হয়েছে তাঁর রোগা চেহারার জন্য। সাক্ষাৎকারে সেইসব দিনের কথা মনে করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অনন্যা। তিনি ও বলেন, "পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে নিজেকে নিয়ে অসম্ভব লজ্জায় ভুগতাম আমি। আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছিল বড় হওয়ার সেই বছরগুলিতে। আজও ভুলতে পারি না সেই দিনগুলো!"

    মাত্র ২০ বছর বয়সে করণ জোহরের ' Student of the year 2 '-তে ডেব্যু করার পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে বার বার ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছে চাঙ্কি-তনয়াকে। তবে অনন্যার দাবি এই ধরণের বুলিংয়ের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার 'ট্রিক্স'টা এতদিনে শিখে ফেলেছেন তিনি। ২০১৯-এ 'অনলাইন বুলিং' সামলানোর জন্য ডিজিটাল উদ্যোগ হিসেবে 'সো পজিটিভ' শুরু করেন অনন্যা।

    নেপোটিজম, মি টু মুভমেন্ট এখন বহু চর্চিত বিষয়, তবে বডি শেমিং নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলতে শুরু করেছেন নায়ক নায়িকারা। অনন্যার কথায় স্পষ্ট তারকা বাবার পরিচয়ও তাঁকে এই সামাজিক ব্যাধির হাত থেকে নিরাপদ রাখতে পারেনি।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: