করোনায় কেমন সময় কেটেছিল? একঘরে সময় কাটিয়ে এখন বাবাকে নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক!

বাবা অমিতাভ বচ্চনের পাশাপাশি কী ভাবে তিনি এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করেছেন, তা নিয়েই এবার মুখ খুললেন অভিষেক বচ্চন।

বাবা অমিতাভ বচ্চনের পাশাপাশি কী ভাবে তিনি এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করেছেন, তা নিয়েই এবার মুখ খুললেন অভিষেক বচ্চন।

  • Share this:

#মুম্বই: করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে আতঙ্কিত গোটা দেশ। কী ভাবে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তি মিলবে, কী ভাবে এই মহামারী কালেও নিজেদের সুস্থ রাখা সম্ভব তা নিয়েই চলছে নানান জল্পনা। ইতিমধ্যেই ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে লকডাউন। গৃহবন্দি হয়েই কোনওভাবে দিন গুজরান করছেন সাধারণ মানুষ। এমনকি কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ থেকে রেহাই পাননি তারকারাও।

গত বছর করোনায় আক্রান্ত হন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাননি অভিষেক বচ্চনও (Abhishek Bachchan)। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে (Nanavati Hospital) ভর্তি করা হয় পিতা-পুত্রকে। বাবা অমিতাভ বচ্চনের পাশাপাশি কী ভাবে তিনি এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করেছেন, তা নিয়েই এবার মুখ খুললেন অভিষেক বচ্চন।

মোটিভেশনাল স্পিকার আনন্দ চুলানির (Anand Chulani) সঙ্গে একটি Instagram লাইভ চ্যাটে অংশগ্রহণ করেন অভিষেক। কী ভাবে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সময় তাঁর বাবার স্বাস্থ্যের জন্য তিনি ভয় পেয়েছিলেন এবং কী ভাবে তাঁরা হাসপাতালে একসঙ্গে সময় কাটান, সে বিষয়েই এদিন নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন অভিষেক।

অভিষেক এবং অমিতাভই বচ্চন পরিবারে প্রথম যাঁরা ২০২০ সালের জুলাই মাসে প্রথম করোনা আক্রান্ত হন। পরে অবশ্য অভিষেকের স্ত্রী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) এবং তাদের মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনও (Aaradhya Bachchan) করোনা পজিটিভ হন। অভিষেকের কথায়, "প্রাথমিক ভাবে, আমার বাবা এবং আমি একসঙ্গে হাসপাতালে ছিলাম। এক সপ্তাহ পরে আমার স্ত্রী এবং মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমি কৃতজ্ঞ, তাদের কেবলমাত্র এক সপ্তাহই হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। তার পর তারা বাড়ি ফেরে এবং আমার বাবা এবং আমি আরও কিছুটা সময় হাসপাতালে থাকি কারণ আমাদের নেগেটিভ পরীক্ষা হয়নি।”

বাবা অমিতাভের সঙ্গে এক মাস হাসপাতালে কাটানো প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, "যাই হোক, এটা মানতে হবে তিনি একজন ভালো সঙ্গী ছিলেন। এটা আমার কাছে বিস্ময়কর ছিল যখন আমি ৭৮ বছর বয়সী বাবাকে ঘুম থেকে উঠে দেখতে গেলাম। তিনি এই ভাইরাসে গুরুতর ভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তবে তিনি ইতিবাচক ছিলেন এবং কঠিন এই লড়াইয়ের জন্য শক্তি অর্জন করেছেন।" অভিনেতা আরও বলেন, "সেই সময়ে আমার সমস্ত শক্তি তাঁর প্রতি চিন্তায় পরিচালিত হয়েছিল। কারণ তাঁকে নিয়ে আমি বেশ ভয় পেয়েছিলাম।”

অভিষেকের কথায়, করোনার মতো এক ভয়ঙ্কর ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর বাবার সঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্তগুলো বেশ ভালোই ছিল। এমনকি তিনি বাবাকে একজন ভালো রুমমেট বলেও সম্বোধন করেন।

Published by:Simli Raha
First published: