• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • লতা মঙ্গেশকরকে 'ওভাররেটেড গায়িকা' বলে আক্রমণ! মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় নেটদুনিয়া

লতা মঙ্গেশকরকে 'ওভাররেটেড গায়িকা' বলে আক্রমণ! মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় নেটদুনিয়া

লতা মঙ্গেশকর ৷ ফাইল ছবি ৷

লতা মঙ্গেশকর ৷ ফাইল ছবি ৷

ভারতবাসীর চিরকালীন কোকিলকণ্ঠী গায়িকা হিসেবে যিনি পরিচিত, যাঁর গলায় স্বয়ং দেবী স্বরস্বতী বিরাজ করেন বলে মানুষ বিশ্বাস করে, তাঁর সম্পর্কে এমন মন্তব্য ঘিরে রীতিমতো আলোড়ন তৈরি হয়েছে টুইটারে।

  • Share this:

    #মুম্বই: সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর নাকি ওভাররেটেড গায়িকা। এরকমই একটি মন্তব্য ঘিরে সরগরম টুইটার। এমনিতেই টুইটারে কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হতে বেশি সময় লাগে না। তাই বলা বাহুল্য লতা মঙ্গেশকর সম্পর্কে এমন মন্তব্য এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কী প্রভাব ফেলেছে। ভারতবাসীর চিরকালীন কোকিলকণ্ঠী গায়িকা হিসেবে যিনি পরিচিত, যাঁর গলায় স্বয়ং দেবী স্বরস্বতী বিরাজ করেন বলে মানুষ বিশ্বাস করে, তাঁর সম্পর্কে এমন মন্তব্য ঘিরে রীতিমতো আলোড়ন তৈরি হয়েছে টুইটারে।

    কাবেরী নামের এক টুইটার ব্যবহারকারী এমন টুইট করেন। তিনি লেখেন, "ভারতীয়দের মগজ ধোলাই হয়ে রয়েছে, তাই তারা লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠ পছন্দ করে।" এখানেই তিনি থেমে যাননি। নিজের মন্তব্যের পক্ষে যুক্তিও দিয়ে গিয়েছেন।

    কাবেরী লিখেছেন, "যতটা সময় গান গাওয়া উচিত ছিল, তার থেকেও অনেক বেশি সময় ধরে গান গেয়েছেন লতা মঙ্গেশকর।" আবার এও লিখেছেন, "উমরাও জান ছবিতে তিনি গাননি বলে আমি খুশি। পাকিজা ছবি পর্যন্ত তাঁর গান অতটাও খারাপ লাগত না।"

    কাবেরীর সঙ্গে সহমত হয়ে প্রিয়ঙ্কা সাচার নামে আর এক নেটিজেন লিখেছেন, "অনুরাধা পড়োয়াল সহ বহু শিল্পীর কেরিয়ার একা হাতে তিনি ধ্বংস করেছিলেন।"

    কাবেরীর এই টুইট মুহূর্তে ভাইরাল হয়। ১৫০০ বার তাঁর টুইটটি শেয়ার হয়েছে। ৬৮০০ জন পোস্টটি লাইক করেছেন। কিন্তু এই টুইটের বিরুদ্ধে সরবও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। গায়ক আদনান সামি লিখেছেন, "বান্দর কেয়া জানে আদরাক কা স্বাদ। নিজের মুখ খুলে নিজেকে বোকা প্রমাণ করার চেয়ে চুপ থাকুন।"

    পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীও এই টুইটের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, "মা স্বরস্বতীকে মানি শুধুমাত্র লতা মঙ্গেশকরের জন্য। আর তাঁর নিন্দুকদের জন্যই শয়তানকে বিশ্বাস করি।" এছাড়াও বহু নেটিজেন এই টুইটের বিরুদ্ধে নিজের মতামত জানিয়েছে।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: